[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]

 
সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  প্রথম আলো ওয়েব
প্রকাশকাল :

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]

সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল :


[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
ভাইরাসসহ নানা সমস্যার কারণে হৃদয় অপারেটিং সিস্টেমের গতি ধীর হয়ে যেতে পারে। অনভিজ্ঞতার কারণে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। হৃদয় হ্যাকিংয়ের ঘটনাও কি একেবারে কম? অন্যদিকে আবার ব্যবহারকারীর বিয়ের পর সফটওয়্যারটি অস্বাভাবিক ধীরগতির হয়ে যায়—এমন অভিযোগ পাওয়া যায় প্রায়ই। এসব ক্ষেত্রে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে সাময়িক সুফল পাওয়া যায় হয়তো, তবে পুরোপুরি নয়। এ জন্য দরকার ‘ভালোবাসা এক্সপি প্রফেশনাল’ সফটওয়্যারের হালনাগাদ সংস্করণ। কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম আর হৃদয় অপারেটিং সিস্টেমের পার্থক্য যেহেতু আকাশ-পাতাল, সে জন্য ‘ভালোবাসা’ ইনস্টল করা সহজ কোনো ব্যাপার নয়। অনেকের আবার আছে অহেতুক প্রযুক্তিভীতি। সব দিক ভেবে সাধারণের বোঝার উপযোগী করে হৃদয়ে ভালোবাসা ইনস্টল করার ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো।

ইনস্টল করুন বুঝে-শুনে
শুরুতেই বলে রাখা ভালো, ইউএসবি পোর্ট ব্যবহার করে ভালোবাসা ইনস্টল করা যদিও সহজ, তবে তাতে ঝুঁকিও কম নয়। এ জন্য এ পদ্ধতি পরিহার করাই ভালো। আবার ডেটা কেবলের মাধ্যমে তাড়াহুড়ো করে ভালোবাসা ইনস্টল করাও ঠিক নয়। এতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পুরো হৃদয় অপারেটিং সিস্টেম হ্যাং হয়ে যায়। তাতে আপনার হার্ডড্রাইভ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুতরাং অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি এড়িয়ে ভালোবাসা ইনস্টল করুন ধাপে ধাপে, বুঝে-শুনে।

ভালোবাসা কী, কেন, কীভাবে
‘ভালোবাসা এক্সপি প্রফেশনাল’ একটি নির্ভরযোগ্য প্রোগ্রাম, এখন পর্যন্ত বিশ্বে যা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বাজারে এ ধরনের বেশকিছু সফটওয়্যার (মাইক্রোসফট আবেগ ২০০০, এডবি অনুভূতি সিএস ইত্যাদি) প্রচলিত থাকলেও তার কোনোটিই মানসম্পন্ন নয়। প্রোগ্রামটি সাধারণত হৃদয় অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গেই বান্ডেল হিসেবে যুক্ত থাকে। ব্যাকগ্রাউন্ডে সেটা নিঃশব্দে সচল থাকে। মনিটর কিংবা টুলবারে কখনোই প্রোগ্রামটিকে সরাসরি কিংবা শর্টকাট হিসেবে দেখতে পাবেন না। কিন্তু আপনার অপারেটিং সিস্টেমে থাকা প্রায় প্রতিটি প্রোগ্রামেই এর প্রভাব থাকে। ভালোবাসা এক্সপি প্রফেশনাল আপনার পুরো স্মৃতি সার্চ করে ‘ঘেন্না.com’, ‘তিক্ততা.exe’, ‘স্বার্থপরতা.com’ ও ‘বিদ্বেষ.exe’-এর মতো ক্ষতিকর প্রোগ্রামগুলো খুঁজে বের করে। তাতে সুফল মেলে সঙ্গে সঙ্গেই। যেমন আপনাকে ‘নিদারুণ অপমান.mp4’ ফাইলটি কখনোই আর শুনতে হবে না। কিছু কিছু ক্ষতিকর ফন্টও আপনার হৃদয়ে আর কাজ করবে না। যেমন—গালিগালাজ১২, কর্কশ১০ ইত্যাদি।

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
ডাবল ক্লিকে হৃদয় খুলুন
ইনস্টল শুরু করার জন্য প্রথমেই ডাবল ক্লিক করে আপনার হৃদয়খানি খুলুন। খুব সাবধানে লক্ষ করুন, একই সময়ে আপনার হৃদয়ে অন্য কোনো প্রোগ্রাম চলছে কি না। এ জন্য কি-বোর্ডের Ctrl+Alt+Delete চাপুন একসঙ্গে। এবার হার্ট অ্যাপ্লিকেশন ট্যাবে ক্লিক করুন। যদি এর আগে অন্য কোনো অতিরিক্ত হৃদয় ইনস্টল করে থাকেন, তাহলে ‘অতীতে পাওয়া আঘাত.exe’, ‘মৃদু অভিমান.exe’ ও ‘চরম হতাশা.exe’ প্রোগ্রামগুলোকে তখনো চলতে দেখবেন। ইনস্টলেশন-প্রক্রিয়া সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য ক্ষতিকর এসব ফাইল মুছে ফেলা জরুরি।

কীভাবে মুছবেন হৃদয়ঘটিত টেম্পোরারি ফাইল
অপারেটিং সিস্টেম থেকে হৃদয়ঘটিত পুরোনো টেম্পোরারি ফাইল মুছে ফেলার জন্য প্রয়োজন ‘আবেগ ২.০’ নামের একটি ছোট্ট ইউটিলিটি সফটওয়্যার। তবে হ্যাঁ, নানা চেষ্টার পরও হার্ডড্রাইভ থেকে এসব প্রোগ্রাম পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব নয়, কিন্তু ভালোবাসার প্রভাবে সেগুলো অন্যান্য প্রোগ্রামের তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারে না। শুধু খেয়াল রাখতে হবে, ‘হিংসা.exe’ ও ‘বিরক্তি.dat’ প্রোগ্রাম দুটি কোনোভাবেই যেন আপনার অপারেটিং সিস্টেমে চলতে না পারে। কারণ, সঠিকভাবে ভালোবাসা ইনস্টলের ক্ষেত্রে এ দুটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম পদে পদে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ জন্য স্টার্ট মেন্যু থেকে ‘করজোড়ে ক্ষমা’ প্রোগ্রামটি চালু করুন ডাবল ক্লিক করে। বেশ কয়েকবার প্রোগ্রামটি চালু রাখার দরকার হতে পারে, যতক্ষণ না ‘হিংসা.exe’ ও ‘বিরক্তি.dat’ পুরোপুরি মুছে না যায়।

অনাকাঙ্ক্ষিত এরর মেসেজ
ইনস্টল করার সময় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত এরর মেসেজের সম্মুখীন হতে পারেন। যেমন ‘এরর-৪১২: বাইরের যন্ত্রাংশ নিয়ে প্রোগ্রামটি রান করা সম্ভব নয়...’ অনেকেই এতে ঘাবড়ে যান। তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এটা সাধারণ একটি সমস্যা। এর মানে হলো, ভালোবাসা প্রোগ্রামটি আপনার এক্সটারনাল হৃদয়ে চলতে সক্ষম, তবে হৃদয়জুড়ে নয়। আরও সরলভাবে বললে, অন্যকে ভালোবাসার আগে আপনি নিজেই নিজেকে ভালোবাসা শুরু করেছেন। প্রশ্ন উঠতে পারে, এর সমাধান কী? খুবই সহজ, সার্চ দিয়ে ‘আত্মবিশ্বাস’ ডিরেক্টরিটা খুুঁজে বের করুন প্রথমে। এরপর ‘মাই হার্ট’ ডিরেক্টরিতে কপি করুন এই তিনটি ফাইল: ‘আত্ম-উপলব্ধি.txt’, ‘নিজেকে ক্ষমা করো.doc’ ও ‘নিজেকে জানো.txt’। এ ছাড়া প্রতিটি ডিরেক্টরির ভেতর লুকিয়ে থাকা ‘অতিরিক্ত আত্মসমালোচনা.exe’ ফাইলটি ডিলিট করুন, পুরোপুরি মুছে দিন রিসাইকেল বিন থেকেও। ‘আনঅ্যাবল টু কানেক্ট’ নামের আরেকটি এরর মেসেজ দেখা যায়। এটা একদমই উপেক্ষা করুন। আপনার হৃদয় কোন দেশে তৈরি, কোন ব্র্যান্ড কিংবা মডেল কী—এসবের কোনো কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়।

আপগ্রেড করুন সময়-সুযোগমতো
ভালোবাসা ইনস্টলের পরবর্তী ধাপগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। সেটা নিয়ে আলাদা করে ভাবার কিছু নেই। তবে মনে রাখতে হবে, এটা মূল প্রোগ্রাম মাত্র। একে সচল রাখার জন্য নিয়মিত আপডেট-আপগ্রেড করা জরুরি। আপনি যদি একে আপগ্রেড করতে চান, তাহলে অবশ্যই অন্য কোনো হৃদয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হতে হবে।

ইনস্টলের শেষ ধাপ
এতক্ষণে আপনি দেখে থাকবেন, আপনার হৃদয় নতুন নতুন ফাইলে ভরে গেছে। মনিটরের ডান দিকে ‘মুচকি হাসি.mp3’ ফাইলটি দেখা যাবে। ‘হৃদয়ের উষ্ণতা.com, ‘অনাবিল প্রশান্তি.exe’ ও ‘রংতামাশা.com’ ফাইলগুলো আপনার হৃদয়জুড়ে নিজেরাই নিজেদের কপি করবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে, অন্যথায় কি-বোর্ডে ‘কন্ট্রোল+শিফট+সি’ চাপুন। এ পর্যন্ত যদি আসতে পারেন, তাহলে বুঝবেন, আপনার হৃদয়ে ভালোবাসা ইনস্টল পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে।

একনজরে ‘ভালোবাসা এক্সপি প্রফেশনাল’
সফটওয়্যারের ধরন: ফ্রিওয়্যার, লাইসেন্স ছাড়াই বিনা মূল্যে বিতরণযোগ্য।
অপারেটিং সিস্টেম: হৃদয় অপারেটিং সিস্টেম ২০১০ (সার্ভিস প্যাক ৪), এমএস হার্ট বিজনেস এডিশন।
হার্ডডিস্ক: ইনস্টলযোগ্য হৃদয়ে সর্বোচ্চ ২৩০ হার্টবিট এবং সর্বনিম্ন ১৪০ হার্টবিট সমপরিমাণ জায়গা খালি থাকতে হবে।
ফাইল সাইজ: ব্যক্তিভেদে বিভিন্ন।


সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  প্রথম আলো ওয়েব   |  সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল : ১৪.০২.২০১১

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]

 
সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো  |  প্রথম আলো ওয়েব
প্রকাশকাল :

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যদি সরকারি সংস্থা হয়, তাহলে এর অধীন ক্রিকেটারদের সরকারি কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীই হওয়ার কথা। বাস্তবে কিন্তু তা নয়। সরকারি অনেক নিয়মই সেখানে খাটে না। জাতীয় ক্রিকেট দলের অনেক ক্রিকেটারই এখন লাখের ওপর বেতন পাচ্ছেন, ম্যাচ জিতলে গাড়ি-বাড়ি পাচ্ছেন পুরস্কার হিসেবে। যদি ক্রিকেট বোর্ড পুরোপুরি সরকারি কায়দায় চলে, তাহলে কী অবস্থা দাঁড়াতে পারে, চলুন, দেখা যাক একনজর -

ক্রিকেট বোর্ডের জনবল
■ সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে নোয়াখালীতে কর্মরত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিচালককে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।
■ কৃষি মন্ত্রণালয়, সড়ক ও রেলপথ বিভাগ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একজন করে প্রতিনিধি জাতীয় ক্রিকেট দলের মূল নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে যেকোনো ম্যাচে দলের ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করবেন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একজন সহকারী সচিব।
■ পর্যায়ক্রমে দলের কোচ হবেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন বন সংরক্ষক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। এ ছাড়া সরকারের চাহিদামোতাবেক যেকোনো সরকারি কর্মকর্তা (স্বাস্থ্য বিভাগ ছাড়া) ওই পদে কাজ করতে বাধ্য থাকবেন।
■ ক্রিকেট বোর্ড শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি হবেন সাকিব আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফুল।

বেতন-ভাতা
প্রচলিত সরকারি কর্মচারী মজুরি কাঠামো অনুযায়ী ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। তবে দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে ক্রিকেটাররা হাতখরচ বাবদ দৈনিক এক হাজার ১২৫ টাকা হারে ভাতা পাবেন। আর আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিতলে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা ৬৮০ টাকা হারে সরকার-নির্ধারিত অতিরিক্ত উৎসাহ ভাতা পাবেন।

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
কোটা সংরক্ষণ
বিশ্বব্যাংক ও নারীবাদী সংগঠনগুলোর অব্যাহত চাপে জাতীয় ক্রিকেট দলের ৩০ ভাগ জায়গা মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং উপজাতীয় কোটায় একটি আসন সংরক্ষণ করা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সরকারি আইন
■ সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে কোনো ধরনের জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না।
■ যেকোনো ম্যাচের বিরতি চলাকালে মন্ত্রী ও সরকারদলীয় নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করবেন। এ সময় সব ক্রিকেটারকে বাধ্যতামূলকভাবে ড্রেসিংরুমে উপস্থিত থেকে বক্তব্য শ্রবণ করতে হবে।
■ ম্যাচ চলাকালে কোনো বোলার কিংবা ব্যাটসম্যান ইনজুরিতে পড়লে ১০ জন নিয়েই খেলতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আদেশ ব্যতিরেকে তার বদলি হিসেবে অন্য কাউকে দলে নেওয়া যাবে না। ইনজুরি আক্রান্ত ক্রিকেটারকে অবশ্যই দুজন গেজেটেড অফিসারের প্রত্যয়ন ও ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পসহ সরকারি নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একজন সরকারি চিকিৎসক ও নিকটস্থ থানার একজন উপপরিদর্শকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই একজন ক্রিকেটার ইনজুরি আক্রান্ত বলে গণ্য হবেন।
■ ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে যেকোনো ধরনের লাফালাফি, হাত-পা ছোড়াছুড়ি, হাস্যরস ১৯৭৭ সালের সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির পরিপন্থী বলে গণ্য হবে। শুধু বোলিংয়ের সময় সরকারি বিধিমোতাবেক একটি বিশেষ উচ্চতা পর্যন্ত লাফানো যাবে।
■ ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের একজন উপহিসাবরক্ষক পরীক্ষা করে দেখবেন। তবে কোনো সিদ্ধান্ত থার্ড আম্পায়ার পর্যন্ত গেলে আইন ও বিচার-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তা পুনরায় পর্যালোচনা করবে।

উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন
■ কৃচ্ছ্রসাধনের লক্ষ্যে প্রচলিত ক্রিকেট বলের পরিবর্তে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা কর্তৃক উদ্ভাবিত বিশেষ পাটজাত বল ব্যবহার করা হবে।
■ কোনো মাসে সরকার যদি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনে অপারগ হয়, তাহলে শুধু ওই মাসের জন্য নির্ধারিত ক্রিকেট ম্যাচগুলো উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হবে। ইজারাগ্রহীতা দর্শকদের কাছ থেকে টোল আদায়ের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ করবে।
■ ক্রিকেট মাঠে চিয়ারলিডার সরবরাহ এবং বিরতির সময় সংগীত পরিবেশনের দায়িত্ব পাবে যৌথভাবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ঐক্য লিগ বা দল।
■ শুধু উল্লেখযোগ্য ক্রিকেট রেকর্ডগুলোই পরিসংখ্যান ব্যুরোতে সংরক্ষণ করা হবে অনধিক পাঁচ বছরের জন্য।

অবসর ও পেনশন
নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক ক্রিকেটারই ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে পারবেন। তবে সরকার চাইলে অবসরভোগীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে ম্যাচ খেলাতে পারবে। অবসরের পর বিধিমোতাবেক পেনশন-সুবিধা প্রাপ্য হবেন সবাই।

টিকিট প্রাপ্তিস্থান
ক্রিকেট ম্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে শুধু বাংলাদেশের ডাক বিভাগের সব শাখা ও জীবন বীমা করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা পৌনে একটার মধ্যে। ওয়েবসাইট, মোবাইল কিংবা সরকারি অনুমোদনহীন কোনো প্রতিষ্ঠান টিকিট বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকলে তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

টেলিভিশন সম্প্রচার
প্রতিটি ক্রিকেট ম্যাচ বাধ্যতামূলকভাবে শুধু বাংলাদেশ টেলিভিশনেই প্রদর্শিত হবে, অফপিক আওয়ারে। যদি কোনো ম্যাচ সরাসরি দেখানো হয়ে থাকে, তাহলে বিটিভির সংবাদ এবং নিয়মিত অনুষ্ঠানমালার ফাঁকে ফাঁকেই ওই ম্যাচ প্রদর্শিত হবে যথাসম্ভব।

ঘরের রাজনীতি, বাইরের চাপ
■ সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের দাবির মুখে ৫০ ওভারের ম্যাচ তাদের চাহিদামতো ৩০ ওভার বা তারও কম ওভারে হতে পারবে।
■ বিলাসদ্রব্য ক্রয় খাতে ঋণ দেওয়ার আগে ক্রিকেট বোর্ডকে ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের জন্য সরকারের ওপর জোর চাপ প্রয়োগ করবে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক।

সরকারি সংস্থায় কর্মরত ক্রিকেটারদের অবস্থান
ম্যাচের বাইরে ক্রিকেটারদের যেসব পদে নিয়মিত সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে, তা নিম্নরূপ—
সাকিব আল হাসান
সিনিয়র হিসাব সহকারী, গণপূর্ত বিভাগ।
তামিম ইকবাল
উপপরিচালক (যানবাহন), চট্টগ্রাম বন্দর।
মাশরাফি বিন মুর্তজা
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ইমরুল কায়েস
খাদ্য পরিদর্শক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।
জুনায়েদ সিদ্দিক
মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা, জেলা মৎস্য অফিস।
রকিবুল হাসান
উচ্চমান সহকারী, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
শাহরিয়ার নাফীস
সহকারী পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর।
মোহাম্মদ আশরাফুল
পরিবারকল্যাণ পরিদর্শক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।
মুশফিকুর রহিম
সমবায় কর্মকর্তা, জেলা সমবায় অফিস।
নাঈম ইসলাম
হিসাবরক্ষক, জেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস।
মাহমুদউল্লাহ
উপসহকারী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড।
আবদুর রাজ্জাক
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
রুবেল হোসেন
ভান্ডাররক্ষক, সিভিল সার্জনের কার্যালয়।
শফিউল ইসলাম
রাজস্ব কর্মকর্তা, শুল্ক ও আবগারি কার্যালয়।
নাজমুল হোসেন
সিনিয়র প্রশিক্ষক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী
ফিল্ড অফিসার, ইসলামিক ফাউন্ডেশন। 
 

সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  প্রথম আলো ওয়েব  |  সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল : ২১.০৩.২০১১ 

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]

 
সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  প্রথম আলো ওয়েব
প্রকাশকাল :

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
আমি মাঝে মাঝে ভেবে অবাক হই, কাজী নজরুল ইসলামের মতো এমন একজন বিদ্রোহী টাইপ মানুষ কীভাবে সকাল বেলা ঘুম থেকে ওঠায় উৎসাহিত করার জন্য কবিতা লিখতে পারেন! এবং নিজেও ঘুম থেকে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারেন। আমি হব সকাল বেলার পাখি, সবার আগে কুসুম বাগে উঠব আমি ডাকি। এটা হলো কোনো কিছু? আজব ব্যাপার না? আমি নিশ্চিত, এই কবিতা যখন তিনি লেখেন তখন তিনি নিজের ভেতর ছিলেন না, ফুলের জলসায় তিনি ছিলেন নীরব কবি। তার (ত-এর ওপর চন্দ্রবিন্দু হবে) কি তখন মতিভ্রম ঘটেছিল?

কাজী সাহেবকে আমি ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু চিনি, তাতে উনার মতো বান্দার সকালের ঘুম হারাম করে পাখিটাখি হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার কথা না। আমি দিব্যচোখে দেখতে পাই, তিনি সারা রাত হইহুল্লোড় করে ভোরে ঘুমাতে গেছেন। দুপুর বারোটা-একটার দিকে উঠে একটা সিগারেট ধরাচ্ছেন, এর ভেতর কেউ একজন কড়া লিকারের চা এনে দিয়েছে। তিনি চায়ে তিনটা চুমুক দিয়েই ঢুকলেন বাথরুমে। এক-দেড় ঘণ্টা পর বাথরুম থেকে বের হয়ে দেখলেন, মোবাইল স্ক্রিনে তিনটা মিসকল। একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় বলে কে মিসকল দিয়েছে সেটা আমি বলছি না। কিন্তু তিনি একটু আড়ালে গিয়ে ফোন ব্যাক করলেন। আমি শুধু প্রথম কয়েকটা শব্দ শুনতে পেলাম, ও আমার জান পাখি...।

তাহলে কি তিনি পাখি নামের কোনো মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন? যে পাখি প্রতিদিন পুজোর ফুল কুড়াতে তাঁর বাগানে আসত? আর তিনি তাকে দেখতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন নাকি তিনি পাখি হতে চেয়েছিলেন? লিখতে চেয়েছিলেন, আমি হব সকাল বেলার পাখির।

Ashif Entaz Rabi শিক্ষা বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ক্লাস ওয়ানের জন্য তারা বাংলা বই বের করবে। ওই বইয়ে বিখ্যাত লেখকদের ছড়া, কবিতা ইত্যাদি থাকবে। রবীন্দ্রনাথের একটি কবিতা মনোনয়ন পেল—আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে। কবিতা বাবদ রবীন্দ্রনাথ ২০ টাকা বিল পেলেন। নজরুলেরও টাকা দরকার। তিনি বিদ্রোহী কবিতা জমা দিলেন। শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি বললেন, আপনার কবিতা পড়ে পোলাপান বিদ্রোহী হয়ে উঠবে। আমরা বিদ্রোহী শিশু চাই না। আমরা চাই পোষ মানানো যায় এমন ছেলেপেলে। তিনি আবার কলম নিয়ে বসলেন। লিখলেন, আমি হব সকাল বেলার মোরগ। কিন্তু পরের লাইনে গিয়ে তিনি আর ছন্দ মেলাতে পারেন না। ছন্দ মেলানোর জন্য তিনি কলম কামড়ে আবার লিখলেন, আমি হব সকাল বেলার কাক/সবার আগে কুসুমবাগে দেব আমি ডাক। কবিতা লিখে তিনি চলে গেলেন এক পাখি বিশেষজ্ঞের বাসায়। পাখি বিশেষজ্ঞ কাকের জায়গায় লিখলেন পাখি। ছড়াটা দাঁড়াল, আমি হব সকাল বেলার পাখি, সবার আগে কুসুম বাগে উঠব আমি ডাকি। এই হচ্ছে সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
মাসুদুল হক কবিতার মেইন স্ক্রিপ্টে আসলে ছিল ‘আমি হব রাতের বেলার পাখি’। সেই সময় কাজী সাহেব দৈনিক প্রথম আঁধারে নিয়মিত লিখতেন। এই পত্রিকার এক প্রুফ রিডারের ছেলে ছিল কবির মহাভক্ত। সেই ছেলে এমনিতেই অফ-পিক আওয়ার পুরোটা ফিসফিস করে ফোনে কথা বলে কাটিয়ে শেষ রাতে ঘুমাতে যায়, তার ওপর যদি পত্রিকায় পরদিন এমন একটা ইন্সপায়ারিং কবিতা দেখে, তবে স্কুল পালিয়ে নজরুল না হলেও, রাত জেগে কবে না নজরুল টাইপ হয়ে যায় সেই সীমাহীন আশঙ্কায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে কবিতার ওপর কলম চালানো শুরু করলেন। পরদিন দুপুরে পেপার হাতে নিয়ে কবি দেখেন ‘রাত’ ‘সকাল’ হয়ে গেছে।

Liya Ferdous আসল ঘটনা হলো, কাজী সাহেব সকাল বেলা ফুল কুড়াতে আসা পাখির প্রেমে পড়ে লিখলেন—আমি হব সকাল বেলার পাখির বর/দুজন মিলে বাঁধব সুখের একখান ঘর। এরই মধ্যে এল পাখির জন্মদিন। কাজী সাহেবের হাত একেবারে খালি, গিফট তো দিতে হবে। তিনি শুনলেন, শিক্ষা বোর্ড ক্লাস ওয়ানের জন্য নতুন কবিতা চেয়েছে। হাতের কাছে আর কোনো কবিতা না থাকায় তিনি এটাই পাঠিয়ে দেন। পরে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা একটু সম্পাদনা করে কবিতাটিকে শিশু-উপযোগীকরে তোলেন।

Sobak Pakhi কাজী সাহেব আসলে আমাকে (সবাক পাখি) দেখে সুতীব্র অনুপ্রেরণায় মাথায় মুহুর্মুহু চাপ অনুভব করেছিলেন। বস্তুত তিনি চেয়েছিলেন আমার মতো বা অনেকটাই আমার মতো কিছু একটা হতে। সে চরম চাওয়ার পথ ধরে তিনি পরমভাবে উচ্চারণ করেছিলেন—আমি হব সবাক পাখি... কিন্তু পরবর্তী সময়ে অনেকেই সবাককে সকাল বেলা বা সবা কেলা—এসব বলে গুলিয়ে ফেলেছেন। অবশ্য সত্য কখনো চাপা থাকে না।

GM Tanim সকাল বেলার পাখি কবি ছোটবেলায় হতে চেয়েছিলেন। বড় হওয়ার পর অন্য সবার মতো তিনিও বেলাইনে চলে যান!

Local Talk সত্যি কথা বলতে কি, এই রহস্য উদ্ধারে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। বিরোধী দলও এই বিষয়ে সহায়তা দিতে রাজি নয়। তারা বলছে, সরকার রহস্য উদ্ধারে আন্তরিক নয়। অজ্ঞাত কারণে মুখে কুলুপ এঁটেছে সুশীল সমাজও। শেষমেশ মার্কিন দাতা সংস্থার অর্থায়নে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সোসাইটির তত্ত্বাবধানে ৩৩ জন কবি-গবেষক (+প্রাবন্ধিক) পরিচালিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, কবি সকালে উঠতেন মূলত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (রূপক অর্থে কুসুম বাগ) সকাল সকাল পৌঁছানোর উদ্দেশ্য নিয়ে। কবি ছিলেন সেখানকার নিয়মিত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। ভুতুড়ে স্পিনিং মিলসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার কিনে দেখেছিলেন লাভের মুখও। এ ছাড়া একাধিক বোনাস শেয়ার পাওয়ার পর কবির উচ্ছ্বাসের পরিচয় পাওয়া যায় যথাক্রমে তার একটি চতুর্দশপদী কবিতা ও দুটি দ্বিপদী ছড়ায়। 
 

সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো  |  প্রথম আলো ওয়েব
প্রকাশকাল : ১৮-০৪-২০১১