Showing posts with label blog-satire. Show all posts
Showing posts with label blog-satire. Show all posts


একসময় ভেবেছিলাম, ব্লগ হবে বাঁধনহারা, হরিণের মতো ছুটবে লক্ষ্যহীন। সেই আশা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। আমার সমস্ত আশা-ভরসা জলাঞ্জলি দিয়ে বাংলা ব্লগ, নির্দিষ্ট করে বললে সামহোয়্যারইন খুব মেপে মেপে, উচ্চ মাধ্যমিক জ্যামিতির সমস্ত নিয়মকানুন কড়ায়-গণ্ডায় মেনে বছরের পর বছর ধরে চলছে সেই একই ছন্দে। মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে যেমন দেখতে প্রায় একইরকম লাগে, তেমনি আমাদের এই ব্লগটাকেও খানিকটা দূর থেকে দেখলে একই রকম লাগে - যেন সবাই কথা বলে একই স্বরে, সবার আলোচনার বিষয়বস্তুও যেন এক।

বড়ো করে দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক


প্রথম প্রকাশ

জুলভার্ন তার অসাধারণ সব ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে এখনো বিস্মিত করে রেখেছেন বিশ্বের তাবৎ মানুষকে। লিওনার্দো দা ভিঞ্চিকেও আমরা স্মরণ করতে পারি তার অকল্পনীয় অনুমান ক্ষমতার জন্য। কল্পবিজ্ঞান লেখকদের অনেক অনুমানই পরে বাস্তবে রূপ পেয়েছে।
এই বঙ্গভূমে ব্লগ যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে, সাড়া ফেলছে সব বয়সী মানুষের মধ্যে, তাতে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় যে 'এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে'। আগামী ৩০ বছর পর বাংলা ব্লগের চেহারা কি রকম দাঁড়াতে পারে, কী কী পরিবর্তন ঘটতে পারে- দেখে নেওয়া যাক একনজর। ব্লগাররা সম্ভব হলে তালিকায় আরো কিছু যোগ করবেন- এই আশা রাখছি।

সরকারি নিয়ন্ত্রণ
■ নতুন যে কোনো ব্লগ খোলার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে। ছাড়পত্র লাগবে পরিবেশ অধিদপ্তরের। আর বিটিআরসি নিয়ন্ত্রণ করবে ব্লগসংক্রান্ত সমস্ত কর্মকাণ্ড। অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্বক্ষণিক ইউনিট খুলবে ব্লগে।
■ বিভিন্ন অভিযোগে পুলিশ ও র‌্যাব মাঝেমাঝেই ব্লগে অভিযান চালাবে। এই রকম পরিস্থিতিতে অনেক ব্লগার অন্যান্য ব্লগে পালিয়ে আত্মগোপন করবে।

পোস্ট ও মন্তব্যের আকার-প্রকার
■ টেক্সট ব্লগিংয়ের বদলে ভিডিও-ব্লগিংয়ের পরিমাণ বাড়বে।
■ পোস্টের আকার ছোট হয়ে আসবে। শর্টহ্যান্ড বা সাংকেতিক কায়দায় পোস্ট লেখা হবে। যেমন পোস্টে যদি এইরকম বাক্য পাওয়া যায়- "এ সং শু আআ এ ছি", তাহলে বুঝতে হবে তিনি লিখেছেন- "এই সংগ্রামের শুরুতে আমিও আপনাদের একজন ছিলাম।' তবে বেশিরভাগ ব্লগারই স্পিচ রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পোস্ট লিখবেন। ব্লগার মুখে নির্দেশ দেবেন, ব্লগ লেখার ঘরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাইপ হতে থাকবে।
■ মন্তব্যের আকার ছোট হয়ে যাবে। ব্লগাররা বেশিমাত্রায় অলস হয়ে যাবেন। বান্ডিল আকারে রেডিমেইড মন্তব্য কিনতে পাওয়া যাবে। কমেন্ট পাইরেসির অভিযোগ শোনা যাবে প্রায়ই।
■ ব্লগ লেখাকে অনেকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করবেন। বিজ্ঞাপন থেকে ভালো অংকের অর্থ উপার্জন করা যাবে।

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ
■ যদিও আগামী কিছুদিনের মধ্যে বাংলা ডোমেইনের ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে, তবে ভবিষ্যতে পরিস্কার বাংলায় সামহোয়্যারইনব্লগ.নেট লিখে ব্লগে ঢুকবে সবাই।
■ সামহোয়্যারইন ফেসবুকের চেহারা নিতে পারে। ফেসবুকের যাবতীয় অ্যাপ্লিকেশন একই সঙ্গে সামহোয়্যারইনেও ব্যবহার করা যাবে।

 
ছাগু রোবট!
■ কাজের অবসরে রোবটরা ব্লগিং করতে শুরু করবে। ঈর্ষাকাতর মানুষজাতীয় ব্লগাররা অবধারিতভাবে তাদের 'ছাগু' বলে ট্যাগিং করবে। ছাগু ডাকার প্রতিবাদে রোবটরা মাঝে মাঝেই কি-বোর্ড বিরতিতে যাবে।

ভাষাবৈচিত্র্যের সমাহার
■ ইতিমধ্যে নোয়াখালী-কুমিল্লা-মাদারীপুর-শরিয়তপুর অঞ্চলের ভাষা, এমনকি আরবি ভাষাও ব্লগে সমাদৃত হয়েছে। ভবিষ্যতে ম্রো, চাকমা, খাসিয়া, সিলেটি ইত্যাদি সব দুর্বোধ্য ভাষায় মন্তব্য দেখা যাবে ব্লগে।

নতুন প্রথা, নতুন জটিলতা
■ দেশের প্রচলিত আদালতগুলোতে মানহানির এক-তৃতীয়াংশ মামলাই হবে ব্লগীয় ঝুটঝামেলা নিয়ে।
■ বিশ্ববিদ্যালয় কায়দায় নতুন ব্লগারদের বাধ্যতামূলক র‌্যাগ দেওয়া হতে পারে।

ব্লগারদের যতো অনুমান
■ ব্লগিং এন্ড অনলাইন কমিউনিকেশন টাইটেলে বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোতে সাবজেক্ট খোলা হতে পারে। (অনুমানশিল্পী : বিবর্তনবাদী)
■ সংবাদপত্র বিলুপ্ত হবে। কোন সংবাদের সূত্র হিসেবে ব্লগকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হবে। (অনুমানশিল্পী : রনি রাজশাহী)
■ ব্লগিং হবে মোবাইল অর্থাৎ লাইভ দেখা যাবে ব্লগারকে কমেন্টও লাইভ হতে পারে। (অনুমানশিল্পী : রনি রাজশাহী)
■ ব্লগারদের মধ্যে বিয়ের প্রবণতা বেড়ে যাবে। ব্লগাররার তাদের নিজেদের পছন্দমতো পাত্র-পাত্রী ব্লগেই খুঁজে নেবেন। ঘটক পাখী ভাই ও অন্যান্য ঘটক ভাইয়েরা ব্লগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাবেন। স্বামী-স্ত্রীদের ডিভোর্স সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতা ব্লগেই সম্পাদন হবে এবং অনলাইন ডিভোর্স করা যাবে। ব্লগার তাদের ইচ্ছেমতো আইনজীবি নিয়োগ করে পে-পল এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তাদের ফি জমা দিয়ে আইনি লড়াইয়ে যেতে পারবে এবং যাবতীয় মামলা জজ সাহেব ব্লগে পোস্টের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি ঘোষণা করবেন। (অনুমানশিল্পী : কালপুরুষ)
■ ভোটে সংসদ সদস্যরা ব্লগে ভোট চাইতে পারবেন। ব্লগেই তাদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ পাবেন। ইচ্ছে হলে ভোটে ভরাডুবির আশংকা যাচাই করে জামানত ফেরত না পাওয়ার সম্ভবনা যাচাই করে নিজেদের মনোনয়ন পত্র ফেরৎ নিতে পারবেন। (অনুমানশিল্পী : কালপুরুষ)
■ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সের প্রথম বর্ষে 'ধ' বিভাগের অধীনে নতুন সাবজেক্ট খোলা হবে। ভর্তিচ্ছুদের শীর্ষ পছন্দের তালিকায় থাকবে এই বিভাগ। বিভাগের নাম হবে- ‘জেনেটিক অনলাইন কমিউনিকেশন ইউসিং ফর সাইবার নেটোয়ার্কিং এন্ড আ্যপ্লাইড ব্লগিং’! (অনুমানশিল্পী : রাজীব নন্দী)
■ ভবিষ্যতে ব্লগিং সর্বজন গৃহীত একটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হতে পারে। ব্লগে রাজনৈতিক ও ছাত্রসংগঠনগুলোর অফিসিয়াল শাখা বা অঙ্গসংগঠন প্রতিষ্ঠিত হবে। যেমন: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর মত... বাংলাদেশ ব্লগ লীগ না ব্লগ দল। ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যত সম্ভবত ব্লগে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে। (অনুমানশিল্পী : জীবনানন্দ দাশের ছায়া)
■ ব্লগের মাধ্যমে প্রতিদিনের বাজার , পানির উচ্চতা ( বাংলাদেশ ডুবে যাবে) , রাশিফল ( এইটা জীবনেও হারাবে না) , হালের ফ্যাশন , ক্লাসের নোট বিনিময় , আপনার ডাক্তার ইত্যাদি বিভাগে মানুষ ব্লগীয় জীবন যাপন করবে। (অনুমানশিল্পী : রাগ ইমন) 


কিছুদিন আগে ব্লগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি পত্র পাঠানোর তোড়জোড় দেখেছিলাম। হয়তো উৎসাহী কেউ চেষ্টা-তদবির করে সেই চিঠি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন। যেহেতু আপডেট নেই, সুতরাং অনুমান করে নেওয়া যায়, সেই চিঠি দপ্তর ঘুরে ইতিমধ্যে টোঙ্গা নির্মাতাদের হাতে অথবা পৌঁছার অপেক্ষায়। অনেকে মনে করেন, রাজনীতিবিদরা ব্লগে এলে লঙ্কাকাণ্ড ঘটে যাবে, দেশ এগিয়ে যাবে বহুদূর, গড়ে উঠবে সত্যিকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ। ব্লা..ব্লা...।
রাজনীতিবিদরা ব্লগে এলে আসলেই কী ঘটতে পারে, সেটাই অনুমান করার চেষ্টা করলাম। বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম পোস্টটি যে স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত হবে- সে তো বলাইবাহূল্য। আর সেই পোস্ট দেখে শেখ হাসিনা যে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠবেন- তাও জানা কথা। চলুন, পোস্টগুলোর দিকে তাকাই একনজর...

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান- এই সত্যকে কেউ বিকৃত করতে পারে না
লিখেছেন বেগম খালেদা জিয়া, ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৩
─────────────────────────────────
স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এটা নিয়ে কোন বিতর্ক থাকতে পারে না। আ'লীগের অনেক নেতাই তাদের বইয়ে মেজর জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিদেশীরা স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জিয়ার নাম উল্লেখ করেছেন...

এমন ব্লগার ব্যানও হয় না, এমন পোস্ট ডিলিটও হয় না! X(
লিখেছেন শেখ হাসিনা ওয়াজেদ, ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১০
─────────────────────────────────
আজকে সামুতে একটা পোস্ট আসে, যার টাইটেল ছিল "জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক"। ঐ পোস্টে খালেদা জিয়া নামের একজন ব্লগার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করেছেন। যা ব্লগের নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে সরাসরি করে আক্রমণ করে লেখা পোস্টটি আজ পর্যন্ত বহাল তবিয়তে টিকে আছে। ঐ ব্লগারকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও তার গায়ে সামান্য নখের আচড় পর্যন্ত ফেলা হয়নি...

ব্লগবিধাতা সমীপে কিছু কথা
লিখেছেন সাহারা খাতুন, ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকেল ৪:২৩
─────────────────────────────────
গতকাল আমাদের নেত্রী চোখে আঙ্গুল দিয়ে কিছু জিনিস দেখিয়ে দিয়েছেন। তার জন্য উনাকে কি ব্যান হতে হবে? তিনি কিন্তু কোন নীতিমালা ভাঙেন নাই। কোন প্রকার গালাগালি করেন নাই, কোন প্রকার ব্যক্তিগত কুৎসা রটান নাই। বরং যা ঘটেছে, তাই লিংক এবং প্রমানসহ পেশ করেছেন। এখন আমরা দেখতে চাই, কর্তৃপক্ষ কি ভূমিকা নেন...

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সুগভীর ষড়যন্ত্র
লিখেছেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকেল ৫:১৯
─────────────────────────────────
যারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট থাকুক এটা চায় না, তারাই ষড়যন্ত্র করে জিয়াকে হত্যা করেছে। আর জিয়াকে হত্যার মধ্যদিয়ে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। গতকাল শেখ হাসিনা ওয়াজেদের পোস্টটি তার একটি জ্বলন্ত প্রমাণ...

কয়েকটি ১৮+ কৌতুক : কেউ মাইন্ড কইরেন না!
লিখেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৩
─────────────────────────────────
গল্পটা এক মাঝবয়সী দম্পতির। ধরুন চল্লিশ প্লাস। আর লেখার পাঠকরা অবশ্যই ১৮+, প্রথমেই বলা আছে। ভদ্রলোক গিয়েছেন জুতার দোকানে, একজোড়া সু তার খুব দরকার হয়ে পড়েছিল।...

সুস্থ ব্লগীয় পরিবেশ রক্ষা ও মডারেশন নিয়ে আলোচনায় আসুন...
লিখেছেন নোটিশবোর্ড , ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
─────────────────────────────────
প্রিয় ব্লগার,
একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর ব্লগীয় পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে মডারেশন অপরিহার্য। গতকাল মডারেটরদের অনুপস্থিতিতে শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ও বেগম খালেদা জিয়া নামের দুজন ব্লগার উদ্দেশ্যমূলকভাবে ক্রমাগত অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নামের অপর একজন ব্লগার ধারাবাহিকভাবে অশ্লীল কনটেন্ট পোস্ট করে আসছিলেন, যা ব্লগ নীতিমালার ৩৯ (ফ) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সুষ্ঠু ব্লগীয় পরিবেশ রক্ষার্থে আমরা উক্ত তিনজনের ব্লগ বাতিল করার সিদ্ধান্ত...


প্রথম প্রকাশ

৭৮৬
এলাহী ভরসা
---------------
আদরের ছোট ভাই সন্তু,
K-মন আছিস?
বাড়ির সকলকে বয়স অনুযায়ী আমার সালাম ও দোয়া পৌঁছে দিস।
লিখবো লিখবো করেও অনেকদিন চিঠি লেখা হয় না তোকে। চাকরি নিয়ে আছি ভীষণ ব্যস্ত। সামনে কোরবানি। তাই কুরিয়ারে কিছু বাবুয়া পাঠালাম। তার সঙ্গে আরো কিছু সৈয়দ আমিরুজ্জামান করে ভালো দেখে মোটামুটি সাইজের দুইটা ত্রিভূজ কিনে রাখিস। এদিকে অন্তুর কাছে শুনলাম, তোর মাথা নাকি দিন দিন কৌশিক হয়ে যাচ্ছে? শরীরের দিকে নজর দিস ভাই। ঠিকমতো একরামুল হক শামীম করবি। পাড়া-প্রতিবেশীদের সম্মান করবি। শুধু শুধু আইজুদ্দিন করে মুখ খারাপ করবি না। শুনলাম সারাদিন নাকি কালপুরুষি করিস। ভাইরে, তুই কি এখন আর তাজুল ইসলাম মুন্না আছিস? তাছাড়া শুনলাম, ফকির ইলিয়াস লিখে লিখে নাকি খাতাপত্র ভরিয়ে ফেলিস। বিশ্বাস কর, তোর কাণ্ডকারখানা দেখলে খুব রাগ লাগে। নামাজ-কালামও তো পড়িস না ঠিকমতো। তুই কি আরিফুর রহমান হয়ে গেলি? আর কতকাল ভেজা শাহানা হয়ে থাকবি রে গাধা?
যা হোক, পড়াশোনায় যেন গাফিলতি না হয় সেই খেয়াল রাখবি। আরিলের দিকে নজর দিবি বেশি।
বিশেষ R কি লিখবো? এদিকে খুব ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে সময় যাচ্ছে আমার। এর মধ্যে মধুমিতায় নতুন একটা শওকত হোসেন মাসুম দেখলাম। নাম- ভাসুরের বউ। খুব টাচি ফিল্ম। আজ রাখি রে। এর মধ্যে চিঠিটা অনেক রাগ ইমন হয়ে গেছে।
ইতি
ফিউশন ফাইভ
ঢাকা

ব্লগ-অভিধান দেখে মিলিয়ে নিন এবার-
কৌশিক = টাক
শওকত হোসেন মাসুম = সিনেমা
রাগ ইমন = লম্বা
একরামুল হক শামীম = খাওয়াদাওয়া
শাহানা = বিড়াল
আইজুদ্দিন = গালাগালি
আরিফুর রহমান = নাস্তিক
আরিল = ইংরেজি
ফকির ইলিয়াস = কবিতা
তাজুল ইসলাম মুন্না = ছোট
ত্রিভূজ = ?
কালপুরুষ = ?

ডিসক্লেইমার
বলাবাহূল্য, এটি একটি নির্দোষ ও প্রায় জঘন্য রম্য। কেউ আহত হয়ে থাকলে আগাম দুঃখ প্রকাশ করে রাখছি। জীবিত বা মৃত কারো সঙ্গে এর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেলে সেটা নিতান্তই কাকতাল বলে ধরে নিতে হবে।

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): banglablogবাংলা ব্লগbangladeshdhakabangla blogsomewherein...blogsomewhereinblogblogger ;

প্রথম প্রকাশ

কলকাতার একজন ব্লগারের মন্তব্য নিয়ে বেশ হৈ চৈ হচ্ছিল গত রাত থেকে। সন্দেহ নেই, বেশ আপত্তিকর মন্তব্য ওই ব্লগারের। অনেকেই তার শাস্তি দাবি করেছেন। একমত না হওয়ার কোনোই কারণ নেই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করলাম, একেকজন একেকভাবে কথা বলছেন সেই গত রাত থেকেই। বিশেষ করে শাস্তির পদ্ধতি নিয়ে বাংলাদেশী ব্লগারদের অনৈক্য দেখে পুরো হতাশ হলাম। আমরা কি এই ধরনের ইস্যুগুলোতে একতাবদ্ধ হতে পারি না? নিচে সে সম্পর্কে খানিকটা আলোকপাত করলাম এই ভেবে যে, এটা আগামীতেও দেশপ্রেমমূলক যে কোনো কর্মকাণ্ডে কাজে লাগতে পারে। গত রাত থেকে যারা ভার্চুয়াল বলপ্রয়োগ ও সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, সবাইকে সংগ্রামী অভিনন্দন। তার আগে দেখা যাক ব্লগীয় যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি।
জুতানোর ওপর জোর দিয়েছেন যারা
ফালতু মিয়া বলেছেন: হারামজাদাকে জুতা মারা উচিত/
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: রইন্যা কুত্তারা বাচ্চারে ব্যান করিবার পূর্বে পর্যাপ্ত পরিমানে জুতাপেটা করা হউক এবং ঐসকল জুতা তাহার পশ্চাতদেশের প্রবেশ করানো হউক।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: লোহার জুতা দিয়া পিডাইতে হইব...
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: ...রনি কোলকাতা এর পোষ্টে গিয়ে আচ্ছা মত জুতা প্রদান করি সবাই।
লুথা বলেছেন: ওরে শুধু জুতা মারবেন ? নারে ভাই, আমি আপনার সাথে নাই... ওরে উলটা করে ঝুলায়ে পাছায় বাশ ঢুকাইলে মনে শান্তি পাইতাম...

দৈহিক বলপ্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন যারা
হাসান বলেছেন: ওরে থাপ্পড় দিয়ে ওর ভারতেই ফেরত পাঠানো হউক।
ফালতু মিয়া বলেছেন: থাপ্রায়ে লাথিসহ বের করে দেয়া হারামখোর
সানুনয় বলেছেন: হালার পাছায় গদাম বাশ/ চল মারি ঠাশ ঠাশ। X( X( X( X( X(
সৌম্য বলেছেন: মাইর দেওন দরকার।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: লাথি মাইরা বাইর কইরা দেন......
সাধারণমানুষ বলেছেন: রনি কোলকাতা রে আমি ড্রেনে চুবাইতে আগ্রহী.।
আইলা বলেছেন: ভাই মন খুলে ঐ শুয়োরের ১৪ গুষ্টি তুলে গালি দিতে ইচ্ছা করতেছে X(
লালসালু বলেছেন: হুমুন্দির পুতরে পূ্টি মারা হৌক
মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ বলেছেন: আজও রইন্যা রামু, তোরে কই- "যা ভাগ ভাদা, তোর দেশ ফেলে এখানকার গু চাটিস কেন?"
আইলা বলেছেন: শালারে বেশী না নো ম্যানস ল্যান্ড এ আসতে কন..।ওগো কাটা তারের বেড়া/বিএসএফ বাপ ও ওরে বাচাইতে পারব না।
লুথা বলেছেন: রনি কোলকাতাঃ- পারলে সামনে আয়...তোর পিছন দিয়া দেখ কি ঢুকাই...
মহৎ বলেছেন: ...ঐ কুত্তাটা জানে না টাটার গোয়া দিয়া আমর বাঁশ দিয়া ভাগাইয়া দিছি, টাটারে না ভারতীয় কাউরে চোদনের টাইম বাংলাদেশীগো নাই।
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: চৌদ্দকোটি মানুষকে দুই ব্যাসায়ীর চাকার বানাইল, লাথিতে কিছু হইবোনা, শুওরের বাচ্চাকে ফাঁসি দেয়া হোক।

ধর্মীয় কানুন ও যাদুটোনার পক্ষে যারা
জর্জিস বলেছেন: রনিরে আল্লাহর নামে কুরবানি দিয়ে এই বছরে ২টা কোরবানির ঈদ পালন করতে চাই...
আমি পালোয়ান বলেছেন: গাধার বাচ্চাকে ইন্ডিয়ান বলদ গরুর মত আবাল বানিয়ে দেয়া হোক। X( X( X( X( X(

মানবাধিকারের জয়গান
ত্রিমাত্রিক বলেছেন: এত গদাম খাইতে খাইতে রনি শুয়রটা ক্লান্ত হইয়া গেছে অহন অরে একটু শরবত দেয়ন দরকার :)

ছবিতে গোলাগুলি
ভারতীয় শত্রুদের প্রতি কার্যকরভাবে গোলাবর্ষণের ব্যাপারটি ভালোভাবে এসেছে এই পোস্টে। বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবেলায় এটি একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

ন্যাক্কারজনক কমেন্ট করেছেন যারা
নির্ণয় বলেছেন: খালি মুছামুছি, ব্যান-বুনের দাবী করেননা তো। এইসব ডিজিটাল বলপ্রয়োগের আচরণ বাদ দেয়া উচিত। ব্লগ মিথস্ক্রিয়ার জায়গা। আমি আমার মন্তব্য লিখছি রনির জন্য। আপনিও লিখুন। এমন তো না যে তাকে দেয়ার মত কোন উচিত জবাব নেই। লিখে ফেলুন।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: লাভ নাই। কম্পিউটারের কিবোর্ড থিকা মিসাইল কন্ট্রোলের বোর্ডে যতদিন উন্নতি না হইতাছে ততদিন সহ্য করতে হইব।

প্রাসঙ্গিক পোস্ট
ত্রিমাত্রিক, আইলা,কাপুরুষ, আবদুল্লাহ আল মনসুর, লুথা, মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, মুসাফির, মহৎ, সিরাজ

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): india-bangladeshindia bangladesh ;

প্রথম প্রকাশ

বাংলা ব্লগগুলো কিভাবে এগিয়ে চলেছে নিজ নিজ লক্ষ্যের দিকে? চলুন একবার মূল সড়কে নেমে দেখা যাক-
ব্যস্ত সড়ক ধরে সামহোয়্যারইন এক্সপ্রেস চলছে তার নিজের মতো করে। সঙ্গে যথারীতি আছেই মডু বনাম ব্লগার মান-অভিমান। চারপাশে লোহার জালি লাগিয়ে সচলায়তনও চলছে যথানিয়মে। সঙ্গে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে বাজারে। সেদিক থেকে প্রথম আলো ব্লগ পরিবেশ সচেতন। আমরা দেখতে পাচ্ছি, কয়েকজন যাত্রী নিয়ে সর্বশক্তিতে তারা এগিয়ে যাচ্ছে। আমারব্লগও এই ধারার উজ্জ্বল উদাহরণ। ছবিতে দেখতে পাচ্ছি, সামনের রিকশাকে প্রায় ধরে ফেলছে তারা। তুমুল প্রতিযোগিতা! ওদিকে মুক্তাঙ্গন নির্মাণ ব্লগ যান্ত্রিক সভ্যতাকে পাশ কাটিয়ে হেঁটে চলার নীতিতে বিশ্বাসী। ব্যস্ত ব্লগসড়কের পাশ দিয়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে তারা এগিয়ে যাচ্ছে।
ভুলে গেলে চলবে না। ব্যস্ত সড়কে সবার সামনে যে বাসটি আমরা দেখতে পাচ্ছি- তার নাম অ্যালেক্সা!

গুগলম্যাপে বাংলাব্লগের ব্যস্ত সড়ক দেখতে চাইলে ঠিক এইখানে ক্লিক করুন।

প্রথম প্রকাশ

এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, মেঘে মেঘে আসলেই অনেক বেলা হয়ে গেল ব্লগে। আছি যতো দিন ধরে, সে তুলনায় প্রিয় পোস্টের সংখ্যা খুব বেশি নয়। বলা ভালো, বেশ অল্প। এমন আলসেমিতে পেয়ে বসেছে যে, করছি করছি বলেও প্রিয় পোস্টগুলোকে এক জায়গায় জড়ো করা হয়ে উঠছিল না। এবার আলসেমি ঝেড়ে আমার অলটাইম ফেইভরিট ১০টি পোস্টকে এক জায়গায় জড়ো করলাম।

১.
কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফের দৃষ্টিতে যিকিরের গুরুত্ব ও ফযীলত
লিখেছেন আরিফুর রহমান , ৩২ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ও নুরে মুজাস্‌সাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীছে যিকিরের বহু গুরুত্ব ও ফযীলত বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন, “তোমরা আমার যিকির কর, আমিও তোমাদের স্মরণ করবো” (সূরা বাক্বারা....

২.
প্রবাসী ব্যাচেলরদের জন্য রেসিপি : টমেটোর চাটনী B-)
লিখেছেন জামাল ভাস্কর , ৩০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
সম্প্রতি কয়েকটি রেসিপি নিয়ে অনেক ভেবেছি। একেক করে বলছি। প্রথমেই গাজরের হালুয়া। উপকরণ যা যা লাগবে : আলু কুচি - ১ বাটি, টমেটো কুচি - ১ টি, সিম কুচি - ১ কাপ, গাজর কুচি - আধা কাপ, ফুলকপি কুচি - আধা কাপ.....

৩.
অবশেষে জেনারেল হলাম X(( X((
লিখেছেন জানা , ২০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
আজ ব্লগ খুলে দেখি আমি "জেনারেল"। কিন্তু কেন? আমি এমন কি করেছি যে, যার কারণে ব্লগ কতৃপক্ষ আমাকে নিরাপদ ভাবতে পারছে না? এরকম করলে...

৪.
ওয়াও! হেভি মেটাল রিমিক্স আসছে একটা!!! :D :D
লিখেছেন ফকির ইলিয়াস , ০৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
আজকে এক ব্লগারের কাছে খবর পাইলাম এটার নাকি হেভি মেটাল রিমিক্স আসছে একটা, শুনেই সার্চ মারলাম । সেই ছোটবেলা থেকেই হেভি মেটালের আমি পাঁড় ভক্ত। "যাত্রাবালা প্যানটেরা রিমিক্স " মাঝে মাঝে প্যানটেরার 'ওয়াক' গানটার মিউজিক....

৫.
কিছু সফটওয়ারের ফ্রি লাইসেন্স কিজেন/ক্র্যাক
লিখেছেন রাগিব , ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
আপনার কিছু সফটওয়ারের রেজিষ্ট্রেশান কিজেন না থাকায় হয়তো পুরো পুরি কাজ করতে পারছেন না। নিচের সাইটে কিছু সফটওয়ারের পুরনো ভার্শনের কিজেন/ ক্র্যাক পাবেন। সফটওয়ারের নাম অনুসারে প্রথম অক্ষরে ক্লিক করলে সফটওয়ারের লিষ্ট আসবে....

৬.
কোম্পানীগঞ্জে ভাসুরের দায়ের কোপে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আহত, জনমনে ক্ষোভ
লিখেছেন অমি রহমান পিয়াল , ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে গত বুধবার ওমানপ্রবাসী ভাসুরের দায়ের কোপে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আহত হয়েছে। এই ঘটনায় সমগ্র এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটি থেকে ঘটনার সূত্রপাত.....

৭.
যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা.........
লিখেছেন ত্রিভুজ , ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
নয়া ছাগু সম্প্রদায় তোমরাও এইখানে তোমাগো নাম লেখায়্যা যাও...সবগুলানের একলগে বিচার করুম....

৮.
বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতির স্বরূপ
লিখেছেন আউলা , ৩০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
একটু বড় করে সময় নিয়ে বলব, সম্পূর্ণ ইস্যুটাতে পাঠকের একটা স্পষ্ট ধারণা তৈরি করতে পারি। যাতে আমাদের পুরা ধারণাটায় একটা সামগ্রিক চিত্র হাজির করতে পারি। এখানে বেশির ভাগ রেফারেন্স ইস্তাম্বুল বার্ষিক সভায় জোয়েলিকের ভাষণ থেকে টানব....

৯.
সুরা নিসার তাৎপর্য এবং মুসলিম জাহানের করণীয়
লিখেছেন অপবাক , ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
মানব সমাজ আজ মুক্তি খুজছে। শান্তির আশায় বুক বেধে দিনাতিপাত করছে। কিন্তু শান্তি নামের সোনার হরিনটির সাথে আজো তার দেখা হয়নি....

১০.
ব্লগে নতুন মেয়ে ব্লগার আসলেই কি তাকে খোঁচাতে হবে? X(X(
লিখেছেন কালপুরুষ , ৩১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
আজকাল দেখি ব্লগে মেয়েদের নামে ব্লগিং করাই দায় হয়ে গেছে। মেয়েদেরও মনে হয় ছেলেদের নামে ব্লগিং করতে হবে। কোন মেয়ে আইডি দেখলেই কি তার ওপর ঝাঁপিয়ে....

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): banglablogবাংলা ব্লগbangladeshdhakabangla blogsomewherein...blogsomewhereinblogbloggeramarblogamar blogbangla blog daysachalayatanSachalayatansachalayatan blogsachalSachalprothom alo blogprothomalo blogmuktangonnirman blognirmaan blogalexa ;

প্রথম প্রকাশ

বছর প্রায় শেষের পথে। চলুন পিছন ফিরে দেখি একবার। কে না জানেন, সামহোয়্যারে প্রতিদিনই কয়েক হাজার মন্তব্য চালাচালি হয়ে থাকে। এর মধ্যে অনেক মন্তব্য আছে, যা মনে গভীরভাবে দাগ কেটে যায়। ছাপ ফেলে যায় দীর্ঘস্থায়ী। কিছু কিছু হৃদয়গ্রাহী মন্তব্য আছে, যা এখনো পড়ে উঠতে পারি না ঠিকমতো। পড়লেই চোখ ছল ছল করে ওঠে। চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে নতুন ব্লগারদের কথা মাথায় রেখে হৃদয়ছোঁয়া মন্তব্যের ভাণ্ডার থেকে মাত্র ১০টি মন্তব্য নিয়ে এই সংকলনটি করার সাহস পেয়েছি। নতুন ব্লগাররা এ থেকে একদিকে পুরনো ব্লগারদের "হায় হোসেন, হায় হোসেন" মাতম শোনার সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে জিহ্বার আগা থেকে পড়তে পড়তে ব্লগটা কিভাবে অলৌকিক কায়দায় এখনো বেঁচে আছে- সেই কাহিনীও কিছুটা জানতে পারবেন।
এই ক্ষুদ্র লিখাটি একসময়কার কিংবদন্তীসম ব্লগার ণূড়া ভাইকে (পরের নিক : বৃত্ত) উৎসর্গিত।

মন্তব্য : ১

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ২

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৩

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৪

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৫

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৬

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৭

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৮

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ৯

মন্তব্যের আদি উৎস

মন্তব্য : ১০

মন্তব্যের আদি উৎস

আজ এই লেখা লিখতে গিয়ে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের সেই কথাটি মনে পড়ছে। লেনিন বলেছিলেন, পুরাতনকে, জীর্ণকে, অথর্বকে, কুসংস্কারকে, অন্ধবিশ্বাসকে হটাতে বিপ্লবের প্রয়োজন অত্যাবশ্যক। কে না জানে, আমাদের ঘুণেধরা সমাজে আজ নানা বঞ্চনা-অনাচারে জর্জরিত। বস্তুত বিপ্লব বা প্রতিবাদ ছাড়া বাংলাদেশের জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ও সম্ভব নয়। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে বিপ্লবের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে। এই পর্যন্ত অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড রচনায় হাত দিয়েছি। যদি তা কারো সামান্যতমও উপকারে আসে, নিজেকে ধন্য মনে করবো।

সহীহ্ বিপ্লব/প্রতিবাদ স্টার্টআপ কিট
১. একটি কি-বোর্ড। যে কোনো কোম্পানির হলেই চলবে, তবে তাতে বাংলা হরফ মুদ্রিত থাকলে ভালো হয়।
২. একটি ফ্লাস্ক (বিপ্লব বা প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালে চা পানের জন্য)।
৩. একটি ইন্টারনেট কানেকশন (ব্রডব্যান্ডের ক্ষেত্রে আবহাওয়া, আর ডায়ালআপের ক্ষেত্রে ব্যালেন্স দেখে নিন আগেভাগে)। মনে রাখবেন, প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালে ইন্টারনেট কানেকশন ব্যাহত হওয়া চলবে না।
৪. একটি অতিরিক্ত জিহবা (রিচার্জেবল)।
এই চারটি জিনিস জোগাড় হলেই যুদ্ধের জন্য আপনি প্রস্তুত, কমরেড!

সশস্ত্র বিপ্লবের প্রথম ধাপ
১. প্রথম এক ঘন্টার মধ্যে ফেসবুক স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে প্রতিবাদী কথাবার্তা লিখুন। প্রতিবাদী কথাবার্তার "রেডিমেইড সার্ভিস প্যাক"* এই লেখার নিচের দিকে পাবেন। গানের কলি বা কবিতার স্লোকও (উদাহরণস্বরূপ "কারার ঐ লৌহকপাট ভেঙে ফেল্...") ব্যবহার করতে পারেন স্ট্যাটাস হিসেবে।
২. ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপের ওয়ালে বড় বড় পোস্ট দেওয়ার কথা ভুলবেন না। সেটা আবার নির্বিচারে সবগুলো গ্রুপ মেম্বারকে মেইল করে দেবেন। শুরুতেই হতাশ হবেন না। দেখবেন, এমপিথ্রি ডাউনলোডের ফাঁকে ফাঁকে অনেকে হয়তো পড়েও ফেলতে পারে।
৩. "সাথে আছি" কথাটা সবসময় অন্যের কমেন্টের জবাব দিতে ব্যবহার করুন।
৪. বাংলা ব্লগগুলোতে জ্বালাময়ী পোস্ট দিন। লেখার মূল ফোকাস থাকবে সবসময় অন্যের দিকে। অন্যদের কী করা উচিত, কি করলে কী হবে, ঘটনার সময় কি করলে কী হতো, ভবিষ্যতে কী হওয়া উচিত- এইসব।
৫. হাতে সময় থাকলে ইউটিউব থেকে ভারী ভারী প্রতিবাদী ভিডিও ডাউনলোড করুন এবং তা মেইলে মেইলে ছড়িয়ে দিন। তবে মেইলগুলো প্রাপকের স্প্যাম ফোল্ডারে জমা হচ্ছে কিনা তার ফলোআপও করুন।
এখানেই মোটামুটি সশস্ত্র বিপ্লব বা প্রতিবাদী কর্মসূচির প্রথম ধাপ শেষ।

বিপ্লবের দ্বিতীয় ও শেষ ধাপ
এবার নিম্নলিখিত দুটি প্যাকেজের মধ্যে সুবিধামতো যে কোনোটি বেছে নিয়ে সামনে আগান-
১. পরিশীলিত প্যাকেজ ১.১
রিকোয়ারমেন্টস : সুললিত কণ্ঠ (অহেতুক উত্তেজিত হওয়া চলবে না) এবং রাষ্ট্র ও সমাজের অবক্ষয় দেখে আপনি যে কতোটা কাতর, সেটা যথাসম্ভব ফুটিয়ে তোলা। নয় হাজার ৯৯২ মাইল দূর থেকে এখন আপনার কী রকম রাগ-ক্ষোভ হচ্ছে, সেটাও উল্লেখ করুন বারেবারে।
পরিশীলিত বিপ্লব প্যাকেজ ১.১-এর ডেমো ও সংক্ষিপ্ত ট্যুরের জন্য এখানে দেখুন

২. ডাইরেক্ট সংগ্রামী প্যাকেজ ৪.৫০ বেটা
রিকোয়ারমেন্টস : সবসময় অতীত নিয়ে কথাবার্তা বলার দৃঢ় মানসিকতা, সায়েন্স ফিকশন ও ভৌতিক ছবির প্রতি অনুরাগ থাকলে তা আলাদা যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। কখন কী করা উচিত ছিল, তখন কী করলে ভালো হতো, কী করলে মন্দ হতো, কোন্ দলের কারণে কী ক্ষতি হয়েছিল- এই ধরনের অতীতমুখী আলোচনা বেশি বেশি করার দক্ষতা। মোট কথা, আপনার সাধ্য ও আওতার বাইরে আছে, এমন বিষয় নিয়েই বেশি মন্তব্য করবেন। অবাস্তব হলেও অসুবিধা নেই।
ডাইরেক্ট সংগ্রামী প্যাকেজ ৪.৫০ বেটা সফটওয়্যারের ডেমো ও সংক্ষিপ্ত ট্যুরের জন্য এখানে দেখুন

মোটামুটি এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে প্রতিবাদী বিপ্লব সফল হওয়ার কথা। পুনরায় বলি, ফেসবুকের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখবেন। অনেকেই হয়তো জানেন না, ফেসবুকের বিভিন্ন স্ট্যাটাস এবং খাজুরে কথাবার্তা সরাসরি ভূমি এবং এলজিইডি মন্ত্রণালয় থেকে নজরদারি করা হয়। ফলে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ফেসবুক প্রায় অদ্বিতীয়। তারপরই আছে বাংলা ব্লগ।

* প্রতিবাদী কথাবার্তার রেডিমেইড সার্ভিস প্যাক-১
সামাজিক অনাচার ও বিরহ-বিচ্ছেদমূলক পোস্টের ক্ষেত্রে যেসব মন্তব্য করবেন :
১. সাথে আছি। প্রথম থেকেই ব্যাপারটা খুব খারাপ লাগছে।
২. লিখাটি দেখে ভাল লাগল।
৩. এ জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্টদের অবিলম্বে সচেতন হতে হবে।
৪. হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। সাথে আছি...
৫. এ ব্যাপারে অবশ্যই কিছু করা উচিত।
৭. (অমুকের) কথার উপর আর কিছু বলার নাই।
৮. রাষ্ট্র আর কতো খেলবে এদের নিয়ে? আমাদের কি কিছুই করার নেই?
৯. কি দুর্ভাগ্য আমাদের! কি দুর্ভাগ্য (অমুকের) মতো হতভাগাদের!!
১০. আসুন, মিথ্যা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই...
১১. এখনো ব্যারিকেড ভেঙ্গে দৌড়াতে পারবো/ উড়ে আসা টিয়ার শেল হাতে নিয়ে পারবো ছুঁড়ে দিতে/ কলার চেপে ধরলে গায়ের শার্ট খুলে দিয়ে আসবো... (উৎসাহ-উদ্দীপনামূলক)

বিশেষ সতর্কীকরণ :
সশস্ত্র বা নিরস্ত্র বিপ্লব কিংবা প্রতিবাদী কর্মসূচি চলাকালে কোনোভাবেই ঘর থেকে বের হওয়া চলবে না। কম্পিউটারের সামনে থেকে নড়ার তো প্রশ্নই আসে না। 


কেহ কি লক্ক করিচে, সামুতে আমাদের পিয় বলগার, বাঙলা বলগের নয়নের মনি, বাথিজাবাথিজিদের পিয় কাগু, ছাগুরামের আজড়াইল আলিপ দেউয়াম (বি.কম) কাগুক ইদানিম দেকা যাই না? এ এখ ড়হশ্য। তাহার নথুন কুন লিকাও পড়িথে পাই না। পেছবুখেও তাহার সহিথ দুস্থি ইস্তাপন করিবার উফাই নাই। অতছ আম্রা তাহার লিকার একলিষ্ট পাটখ।

তুম্রা হইথ জান যে দেওয়াম কাগু ছাক্রিবাক্রি লই চড়ম টেমশমে চিলু। ছাইড বিজনেছ লই আরউ টেমশম চিলু। কাগিমা কুঝিতে কুঝিতে উহার লেমটনের তেল সলিতা সকলই শেশ। কুন পাপিশ্ঠ বাথিজাবাথিজি কেহ এককান কাগিমা কুঝি দিতে পারিলু না। উহা লইয়া কাগুর দুক্কের কুন শীমা চিলু না।

তুম্রা হইথ জান যে কাগু পেছবুখেও এখজুগে কাগিমা সন্দান করিতেচিলু। কাগুর আসা চিলু, নিজের ফেনকেলাপে সাথ আঠ হাজার ফেন দেকাইথে পারিলে কুন সম্বাব্য সুন্ধরি কাগিমা কাগুর পেমে পঠিয়া মজিথ, কিন্তু কাগু সে সুযুঘ হইথেও বঞ্ছিথ হইলু। কাগুর উপড় অথ্যাছাড়ের বিভরম কারবালার ইথিহাশকেউ হাড় মানাই রে বাথিজারা। দুক্কে তাহার জিভন গঢ়া।

সন্ধ হইথেছে, পানপিয় কাগু কি পাপিশ্ঠ কপিখুর মডুর যগন্য শরযন্থ্রের শিকাড়? নাকি পাপিশ্ঠ কপিখুর মডুর ছক্রান্থে পাঁসিয়া কাগু আবারউ জেনারেলের দাইত্থ পালনে বাদ্য হইতেচে? অতছ কাগু থ কুন পুশ্ঠে কুনদিন গালি দেন নাই, কুন কারাপ কতা বলেন নাই, কুন নিয়মকানুনও বঙ্ঘ করেন নাই। কাগুর মথন একজন নিরিহ, সজ্যন, হাসিকুশি, পরুপকারি, ভালুমানুশকে ককনু উয়াছ, ককনু জেনারেল বানাই টাঙ্গাই রাকি দিবার কারম কি? ষুদু ষুদু কাগুর সাতে হাদুমপাদুম লাড়ানু হইলে তাহার পরিণাম ভয়াবহ হইভেক।

অভিলম্বে তাহাকে সামুতে পিরি আসি হাদুমপাদুম কড়িবাড় আহোভান ঝানাই। হে কাগু তুমি পিরে এস।
--
পচ্ছদ তৈয়াড় কড়েচে : পাপিশ্ঠ বাথিজা ণাপিশ ইপতীক্ষাঢ় 


আজ ঈদের দিন থেকে পুরো পাঁচ দিন জুড়ে ‘ঈদ উৎসব’ আয়োজনের সব প্রস্তুতিই নেওয়া হয়েছিল। গান থেকে নাচ, সিনেমা থেকে নাটক- সবকিছুই ছিল এই আয়োজনে। কিন্তু বিধি বাম! যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে আকর্ষণীয় সেই অনুষ্ঠানমালা শেষপর্যন্ত প্রচার করা গেল না। তবু চেষ্টার ত্রুটি নেই আমাদের। ফ্রিকোয়েন্সি পাওয়া গেলেই আমরা ফিরে আসছি আপনাদের মাঝে। তার আগে ঈদ-উল-আজহার বিশেষ অনুষ্ঠানসূচিতে চোখ বুলিয়ে নিন একবার। আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

বেলা ১০-১০ কোরবানি কণিকা (তাৎপর্য ও নিয়মাবলী)।
গ্রন্থনা : শায়খুল হুজুর ছাহেব, তর্জমা পেশ : মুফতি মৌলানা আরিফুর রহমান বিলাতী

১১-০৫ পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সাইয়্যাছবি: নাচনেওয়ালী
শ্রেষ্ঠাংশে : প্রিন্স কালপুরুষ খান, ভেবে ভেবে বলি এবং অন্যান্য।

১১-৩০ হাঁড়ি কড়াই রান্না লড়াই
রেসিপি দেবেন : গার্হস্থ্য অর্থনীতির অধ্যাপিকাবৃন্দ, যথাক্রমে নাফিসা ইফতেখার, একরামুল হক শামীমা, ফারহানা দাউদ, কঁাকনা, অ্যামাটার খাতুন

৫-০০ কোম্পানীগঞ্জ সংবাদ
উপস্থাপনা : বিষিশ্ঠ সাম্বাদিক ইকবাল হোসেন মজনু

১১-৩০ ছোটদের বিচিত্রানুষ্ঠান 'কিসিমপুর'
অংশগ্রহণে : শিশুশিল্পী আহমাদ মোস্তফা কামালী, আইরিন সুলতান, 'ক্ষুদে গানরাজ' শওকত হোসেন মাসুমরাগী ইমন

১১-৫৫ নৃত্যানুষ্ঠান : পায়ে পায়ে বাজুক নূপুর
অংশগ্রহণে : পি মুন্সী, ফকির ইলিয়াস, ফাহমিদুল হক
নৃত্য পরিচালনা : জামাল ভাস্কর

১২-১৫ ঈদের বিশেষ ব্যান্ড শো
পরিবেশনায় : ব্রাত্য রাইসু ও তার দল।

১-০০ আপনার স্বাস্থ্য
উপস্থাপনা : ডাক্তার চিকনমিয়া

১-৩০ হামদ-নাত
পরিবেশনায় : হাফেজ মৌলানা রাসেল ( ........) মীরপুরী

সতর্কীকরণ:
কোনো দ্বিধা ছাড়াই এই পোস্টকে একটি মোটা দাগের সস্তা রসিকতা হিসেবে নেবেন। মাইন্ড খাইয়েন না কেউ। ঈদ মোবারক। 


বছর শেষ হতে কটা মাত্র দিন বাকি। বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের বহুলখ্যাত অনার্স লিস্ট প্রকাশ করে ফেলেছে। আমাদেরও নিরব থাকা ভালো দেখায় না। বছর শেষ হওয়ার আগেই তাই সামহোয়্যারের ঘটনাবহুল বছর ২০০৯ সালকে ফিরে দেখা যাক একবার। মোট ১০ ক্যাটাগরিতে বিশেষ বিশেষ ব্লগ ব্যক্তিত্বকে বিশেষভাবে সম্মান জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। বিচারের ভার ব্লগারদের হাতে।

বর্ষসেরা চাঞ্চল্যকর তদন্ত
প্রলয়-টিয়া জটিলতা : সর্বশেষ কিছু পর্যবেক্ষণ

বর্ষসেরা টেকি পোস্ট
কিভাবে ইয়াহুতে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন?

বর্ষসেরা উত্তরাধুনিক কবিতা
পেঁক পেঁক

বর্ষসেরা ব্যর্থ প্রজেক্ট
১. চলুন সত্যিটা কি বের করি
২. কম্পিউটার সাইন্স ওয়ালারা আওয়াজ দেন ( এবং নন-কম্পিউটার সাইন্স ওয়ালারা ও )

বর্ষসেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
সামহয়ারে ব্লগিংয়ের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে পোস্ট : গুডবাই সামহয়ারইন


বর্ষসেরা ফ্লাডিং
তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর এ বিভাগে যৌথভাবে বিজয়ী হয়েছেন এস.কে.ফয়সাল আলম, পল্টনস্থ ব্লগ আড্ডা নিয়ে তার নিরবচ্ছিন্ন ফ্লাডিংয়ের জন্য এবং গোল্ডেন বাংলাদেশ, নিচের অসামান্য লিপিটির জন্য। বছরের শেষ দিকে এসে অল্পের জন্য হেরে গেছেন ডলুপূত্র


বর্ষসেরা প্রদর্শনী (জুতো বিভাগ)
ব্লগাব্লগিতে বিস্কুট-দৌড় সংস্কৃতিতে রাটা সু কোম্পানির ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর নুরুল কবির

বর্ষসেরা গুগলিং

বিজয়ী মমতা জাহান

বর্ষসেরা সহনশীল ব্লগার
ইউটার্ন


বার্ষিক লুল সম্মেলন
"সবাই কে শুভেচ্ছা" শীর্ষক পোস্টে।

বিশেষ ভাষা পদক
আলিফ দেওয়ান বি.কম.

প্রথম প্রকাশ

সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। বস্তুত সময়ের মূল্য অপরিসীম। সময়ের সদ্ব্যবহার তাই খুবই প্রয়োজন। শুধু নতুন ব্লগারদের জন্য নয়, অফিসে বসে যারা চোরাগোপ্তা ব্লগিং করেন এই পদ্ধতি তাদেরও উপকারে আসবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এর মাধ্যমে একদিকে মূল্যবান কি-স্ট্রোকের নিদারুণ অপচয় অনেকাংশে রোধ হবে, আবার অন্যদিকে মন্তব্যে মন্তব্যে ব্লগ হয়ে উঠবে অধিক প্রাণবন্ত। প্রযুক্তিময় এই যুগে মানুষের আসলে অতো সময় নেই যে, আধা ঘন্টা ভেবে আরো আধা ঘন্টা সময় নষ্ট করে মন্তব্য লিখবে। সেদিকটা ভেবে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস কারো সামান্য উপকারে আসলে নিজেকে সার্থক মনে করবো।
বলাবাহুল্য, এখন রেডিমেইডের যুগ। তৈরি পোশাকশিল্পের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তৈরি মন্তব্যের মাধ্যমেও ব্লগ আরো বেশি করে এগিয়ে যেতে পারে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পোস্টের ক্ষেত্রে
১. ধিক্কার এসব নরপশুদের প্রতি।
২. কি বলব! বলার ভাষা হারিয়ে গেছে।
৩. এবার চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
৪. সাথে আছি।
৫. আপনার পোষ্টের মুল বক্তব্যের সাথে একমত।
৬. রাজাকার ও রাজাকারের বাচ্চা দেখলেই গদাম লাথি...
৭. খুব ভাল বিশ্লেষণধর্মী লেখা।

সাহায্যের আবেদন বিষয়ক পোস্টের ক্ষেত্রে
১. আমরা কি পারি না, শুধুমাত্র (অমুককে) বাঁচাতে? ("বাঁচাতে" শব্দের বদলে "হাসি ফোটাতে"ও ব্যবহার করতে পারেন)
২. পোস্টটি স্টিকি করা হোক।

কবিতা বিষয়ক পোস্টের ক্ষেত্রে
১. কবিতাটি কেমন যেন অন্যরকম ভালো লাগলো।
২. কবিতার গভীরে যে সুর আপনি এনেছেন, তা অনবদ্য।
৩. কবিতার কাঠামোটা অনেক আকর্ষনীয় লেগেছে।
নোট : কবিতার শেষের তিন-চারটি লাইন বা মাঝখান থেকে যে কোনো দুটি লাইন তুলে দিয়ে একটি স্পেস দেবেন। তারপর লিখুন- "অপূর্ব!"

গল্প বা প্রবন্ধ পোস্টের ক্ষেত্রে
১. বেশ চমৎকার বুনোন।
২. অসাধারণ শব্দ চয়ন!
৩. গল্পটির ভঙ্গি ভালো লেগেছে। (প্রবন্ধের ক্ষেত্রে "ভঙ্গি" শব্দের বদলে "মূল ভাব" ব্যবহার করবেন)

যে কোনো পোস্টে ব্যবহারযোগ্য মন্তব্য
১. +++
২. হুমমম...
৩. ৫
৪. চলুক...
৫. দারুন!
৬. সরাসরি প্রিয়তে।
৭. প্রিয় পোষ্টে রাখলাম
৮. খ্যাক খ্যাক খ্যাক
৯. পিলাচ।
১০. সহমত। (তবে সাবধান, যৌনবিষয়ক পোস্টে এটা ব্যবহার করবেন না।)

সতর্কীকরণ
আন্দাজে মন্তব্য দেওয়ার পর বা উপরোক্ত টেমপ্লেটগুলো ব্যবহারের পর ভুলেও কথা বাড়াবেন না এবং লগডইন অবস্থায় ওই পোস্টে যাবেন না। প্রয়োজনে লগঅফ করে বসে থাকবেন। যেমন "গল্পের ভঙ্গি ভালো লেগেছে" টেমপ্লেটটার কথাই ধরুন। পোস্টদাতা যদি ভঙ্গিটা কিরকম জিজ্ঞেস করে বসেন, সেক্ষেত্রে শুধু শুধু বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। মোট কথা, নিজের বুদ্ধি বিবেচনা প্রয়োগ করে চলুন। বিফলে এই পোস্টদাতা কোনোক্রমেই দায়ী নহে।

কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান
"ইমোটিকন যোগ করুন"-এর মতো করে রেডিমেইড মন্তব্যের জন্য কি একটি প্যানেল খোলা যায়। ওপরে আমি একটি নমুনা দিয়েছি। ব্লগারদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বিষয়টি কি ভেবে দেখবেন?