Showing posts with label media. Show all posts
Showing posts with label media. Show all posts


বলা হয়ে থাকে, হাজারদুয়েক টাকা খরচ করলে আপনি দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় যে কোনো ধরনের বানোয়াট খবর ছাপাতে পারবেন। এর সঙ্গে আর কিছু টাকা যোগ করলে খোদ সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানকেই সারাদিন আপনার পেছন পেছন ঘোরাতে পারবেন।

এক ছিঁচকে সাংবাদিকের প্রতিকৃতি
ইনকিলাব দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করা নাঈমুলকে স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১৯৯২ সালে বহিষ্কার করা হয় দৈনিক আজকের কাগজ থেকে। হ্যাঁ, এই সময় বাংলাদেশে নতুন ধারার সাংবাদিকতার প্রচলনে তার একটি ভূমিকা ছিল - সেটা যতোটা সম্পাদক হিসেবে, ততোটাই দক্ষ ম্যানেজার হিসেবে। তবে পরে ভোরের কাগজেও সেই আত্মসাতের ধারা অব্যাহত রাখেন। জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় অর্ধকোটি টাকা তিনি সেখান থেকে আত্মসাৎ করেন। ভোরের কাগজ থেকে বিতাড়িত হয়ে বিসিডিজেসি নামের একটি মিডিয়া এনজিও খোলেন। বিতর্কিত নাইকোর জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে নগ্ন দেশবিরোধী ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেন তিনি, যদিও তাতে লাভ কিছু হয়নি। এরপর এলিফেন্ট রোডের মাল্টিপ্লান সেন্টারের মালিককে পটিয়ে নতুনধারা নামের একটি পত্রিকা বের করা নিয়ে চলে প্রতারণার মর্মন্তুদ খেলা। সংক্ষেপে কাহিনী এই- পত্রিকা বের না করেই ওই ব্যবসায়ীর পকেট থেকে হাতিয়ে নেন কয়েক কোটি টাকা। এরপর তার শিকার হয় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা এমএ হান্নান ফিরোজ। পত্রিকা বের করার নামে নাঈমুলের পিছনে বিস্তর টাকা খুইয়ে ত্যক্তবিরক্ত ফিরোজ সম্পন্ন ছিন্ন করেন নাঈমুলের সঙ্গে। এই করে করে যার দিন কাটছিল, তার নিজেরই দু দুবার পকেটমার হয়েছিল, সে এক বেদনাবিধূর কাহিনী! আমাদের সময়ে গত কয়েক বছরে তার উল্লেখযোগ্য শিকার ব্যবসায়ী এনএইচ বুলু, ইয়াবা সম্রাজ্ঞী নিকিতার সঙ্গে জড়িয়ে যিনি একসময় সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলেন। বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অনেক লজ্জাজনক অধ্যায় আছে বটে, তবে সাংবাদিকের লেবাসে নাঈমুল ইসলাম খান নির্লজ্জতা ও অসততার যে উদাহরণ তৈরি করেছেন, তার কোনো তুলনা হয় না।

আগাগোড়া চুলচেরা গবেষণা
'নতুন ধারার সাংবাদিকতার পথিকৃৎ' থেকে নাঈমুল ইসলাম খান কিভাবে ছিঁচকে সাংবাদিক হয়ে উঠলেন - পাঠক তার একটা আগাগোড়া ধারণা পাবেন এই গবেষণা থেকে। অপাঠ্য, অবোধ্য, পরিভাষা জর্জরিত প্রচলিত ধারার গণমাধ্যম গবেষণার বিপরীতে এরকম চুলচেরা গবেষণা ব্লগোস্ফিয়ারে তো বটেই, বাংলাদেশেই এই প্রথম। গবেষণার জন্য নেওয়া তিন শতাধিক নমুনার মধ্যে ৯০ ভাগ নমুনাই প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ। বাকি ১০ ভাগ পেছনের পৃষ্ঠার। আলোচ্য প্রতিবেদনগুলোর প্রায় অর্ধেকই নাঈমুল ইসলাম খানের নিজের লেখা, বাকিগুলো হয় তার আজ্ঞাবহ কর্মচারীদের, নয়তো ভাড়ায় আসা ছিঁচকে সাংবাদিকদের লেখা। বলাবাহূল্য, নিয়োগপত্রবিহীন তিন হাজারি-পাঁচ হাজারি বিশেষ সংবাদদাতা/সাংবাদিকদের হলদে রিপোর্টগুলো আমি গোণায় ধরিনি। এটাও বলে রাখা ভালো হবে, আমাদের সময়ে প্রকাশিত প্রকাশিত হলদে প্রতিবেদন কিংবা কলামের মাত্র ২০ ভাগ এই গবেষণায় এসেছে পত্রিকাটির পূর্ণাঙ্গ অনলাইন আর্কাইভ না থাকা এবং সার্চ ইঞ্জিন সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে।

X( চোরের মায়ের ছোট গলা
নজিরবিহীন প্রতারণা করে প্রায় তিন লাখ গ্রাহকের অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছিল যুবক নামের একটি প্রতারক প্রতিষ্ঠান। সেই যুবকের হয়ে নাঈমুল ইসলাম খান একের পর এক প্রপাগাণ্ডা ছড়াতে থাকেন। একপর্যায়ে নিজের ফোন নম্বর দিয়ে নিজের অফিসেই গ্রাহকদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন। একইভাবে চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের পক্ষে সরাসরি মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে। কোনোটিতেই পাত্তা অবশ্য পাননি তিনি।
যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি (যুবক) নিয়ে খোলা চিঠি
যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি যুবকের লাখ লাখ কর্মীর স্বার্থ বিবেচনা করুন
যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি (যুবক) বিক্ষুব্ধ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান
ড্যাপ নিয়ে মধ্যস্থতার প্রস্তাব : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপেষু

:P বড়ো মেয়ে সানিডেইল স্কুলে পড়ে, তাই...
লাবিবা বৈষম্যের শিকার
সানিডেইল স্কুলে ভালো বাল্য শিক্ষা
সানিডেইল স্কুলের ‘গ্রাজুয়েশন সিরিমনি’তে অশ্র“সজল বিদায়ী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ
সানিডেইল বাস্কেটবল টুর্নামেন্টের আজ ফাইনাল
বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় সানিডেইল স্কুল চ্যাম্পিয়ন

:P ছোট মেয়ে জন্ম নিয়েছে, তাই...
আমাদের ছোট মেয়ে জন্মগ্রহণ করেছে
ছোট্ট আদিভাকে অভিনন্দন, কিন্তু
আদিভার জন্ম এবং তাসকিনা ইয়াসমিনের লেখা
অভিনন্দন আদিভা নাঈম খান অভিনন্দন আমাদের সময়কেও

X(( নির্লজ্জতার নমুনা : কালো টাকার পক্ষে ওকালতি!
খোদ যারা কালো টাকার মালিক, তারাও কালো টাকা সাদা করার তদবির করছিল রাখঢাক রেখে। কিন্তু নাঈমুল ইসলাম খান অতো রাখঢাকের ধার না ধেরে আন্ডারওয়্যারটাই খুলে ফেললেন একটানে-
‘কালো টাকা’ নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে হবে বাস্তবানুগ, ঐতিহাসিক, মহত্তম ও সাহসী
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমীপেষু, ইসলাম ধর্মে তালাক যেমন বৈধ কালো টাকা সাদা করাও তেমনি
আল্লাহর ওয়াস্তে পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগ করে সাদা করুন
অতীতে পুঞ্জীভূত অপ্রদর্শিত টাকার বিহিত না করে নতুন কালো টাকা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ অসম্ভব
কালো টাকা বিনিয়োগে সময়সীমা নেই
কালো টাকায় সয়লাব পুঁজিবাজার : লেনদেনের লাগাম ধরে রাখা যাচ্ছে না
কালো টাকা সাদা করার ইতিহাস যেন এ তিন বছরেই শেষ হয়: আনিসুল হক
কালো টাকা সাদা করার সময় মূলত এক বছর

/:) হলুদ সাংবাদিকতায় নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশের হলুদ সাংবাদিকতার ইতিহাসে নাঈমুল ইসলাম খান তার আমাদের সময় পত্রিকাকে নিয়ে এমন এক অবস্থানে পৌঁছে গেছেন, দীর্ঘদিন তাতে ভাগ বসানোর কেউ ছিল না। কেবল বছরদেড়েক ধরে বসুন্ধরার 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' সেখানে কিছুটা ভাগ বসিয়েছে।
বাংলাদেশ কি আরেকজন রাষ্ট্রপতির খোঁজে?
রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান যথেষ্ট সুস্থ এবং স্বচ্ছন্দ
ভিডিওচিত্রটি শখের নয়
আমিনীকে জারজ বললেন প্রতিমন্ত্রী মান্নান
পূর্ত প্রতিমন্ত্রী আমি দুঃখিত
ড. ইউনূস অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করেননি
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঢেঁকি ঋণ থেকেই ক্ষুদ্র ঋণের বিকাশ
প্রধান বিচারপতির স্ত্রীর বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে
সাজু হোসেনের প্রতিবাদপত্র
প্রথম আলো সম্পাদকের পৈতৃক বাড়ি অনুমোদন ছয় তলার হয়েছে নয় তলা
প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রথম আলো সম্পাদক
দৈনিক প্রথম আলোতেও আমার রক্ত প্রবাহিত
বিএনপির পক্ষে কাজ করবেন ড. ইউনূস!
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা ও বিএনপিকে বেশি পছন্দ ইউনূসের!
রাজনীতিতে আসার কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন মুহাম্মদ ইউনূস
সি এম আলম এসইসির নতুন চেয়ারম্যান
গ্রামীণ ব্যাংকে আমানত উত্তোলনের হিড়িক।। ৩০০ কোটি টাকা উঠিয়ে নিয়েছে গ্রাহকরা
দু’দিনে গ্রামীণ ব্যাংকের আমানতকারীরা উঠিয়ে নিয়েছে ৬শ কোটি টাকা
ড. ইউনূস অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করেননি

:(( 'একটা বিজ্ঞাপন দ্যান গো মামা...'
বলা হয়ে থাকে, একটি বিজ্ঞাপনের জন্য কেউ যদি নাঈমুলকে বাংলামটর এলাকায় নগ্ন হয়ে দৌঁড়াতে বলেন, অবলীলায় তিনি সেটাও করবেন।
দৈনিক আমাদের সময়-এ এই আগস্টে হঠাৎ আর্থিক বিপর্যয়
কিউট আফটার শেভ লোশন ব্যবহার করছি
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ বেশি মানুষের এই ধারণা সম্পূর্ণ অমূলক
Kool Shaving Cream উন্নয়নের ২০ বছর
আমাদের সময়ে বিজ্ঞাপন দেয়া এখন সবচে বেশি ফলদায়ক
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিল্পোদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা দশ বছরে বাংলাদেশের চেহারা সম্পূর্ণ পাল্টে দিতে পারেন
দৈনিক আমাদের সময়ে বিজ্ঞাপনমূল্য যুক্তিসঙ্গত করা অত্যন্ত জরুরি
একজন নুরুল ইসলাম বিএসসি বড় কাজে লাগানো উচিত ছিল
রবি আজিয়াটা লিমিটেডের যন্ত্রপাতি আমদানিতে কোনো শুল্ক ফাঁকি দেয়নি
আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের প্রশংসা যে কারণে করতে হয়
দৈনিক আমাদের সময়ে বিজ্ঞাপনমূল্য যুক্তিসঙ্গত করা অত্যন্ত জরুরি
পণ্যের গুণগতমান ও সেবা দিয়ে বিশ্বমানের সাফল্য অর্জন করতে চান আব্দুল মোনেম
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপেষু : মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কল্যাণ কাজে তাবানী বেভারেজের স্বার্থ রক্ষা করুন
দেশী দশ থেকে কেনাকাটা করুন
ঘুরে আসুন ফয়’স লেক রিজর্ট
বাজারে এসেছে গ্রীন বেঙ্গল সল্ট
পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতাদের ধন্যবাদ দৈনিক আমাদের সময় মুনাফা করছে

:P নাচ আমার নাঈমুল তুই পয়সা পাবি রে!
শেয়ারবাজার কারসাজিতে লুটেরা হিসেবে যাদের নাম এসেছে, কাকতালীয়ভাবে তাদের মূল হোতারা এখন আমাদের সময় পত্রিকার মালিক। এই হোতাদের রক্ষার জন্য নাঈমুলের খ্যামটা নাচ দেখুন একনজরে -
সরকারকে বিব্রত করতেই এ রিপোর্ট
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ও সাবধানবাণী
প্রধানমন্ত্রী সমীপে একটি সুপারিশ
ভুলে ভরা তদন্ত রিপোর্ট
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির এ রিপোর্ট দিয়ে একটি মামলাও করা সম্ভব নয়
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির রিপোর্টে অভিযোগ অনুমাননির্ভর
শেয়ার কারসাজিতে আলোচিতরা বড় কোনো অপরাধী নন
শেয়ারবাজারে ধস : কয়েকজন ব্যবসায়ী নয়, সরকারি সংস্থাগুলোর দায়িত্বহীনতাই মুখ্য
‘তদন্ত রিপোর্ট মিডিয়ায় গেল কীভাবে?’
শেয়ারবাজার স্ক্যাম এবং তদন্ত কমিটির রিপোর্ট
শেয়ারবাজারের তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাহার হতে পারে
পুঁজিবাজার তদন্তের রিপোর্টে আড়াল করা হয়েছে আসল খেলোয়াড়দের
বড় লগ্নিকারকরা বাজারমুখী না হওয়ায় শেয়ারবাজারে পতন অব্যাহত
ইব্রাহিম খালেদ উদ্দেশ্যমূলক তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে সরকারকে বিব্রত করেছেন: শেখ কবির হোসেন
রিভিউ কমিটির প্রধানকে ইব্রাহিম খালেদ না হওয়ার পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর
জালিয়াতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামির পিতা খন্দ. ইব্রাহিম খালেদ

:D পদলেহন পর্ব ১ : অন্নদাতাবৃন্দ
শেয়ারবাজার লুটের আগে আগে আমাদের সময় পত্রিকাটি কিনে নেন বেক্সিমকো গ্রুপের সালমান এফ রহমান, ইউনিক গ্রুপের নূর আলী, পিএইচপি গ্রুপের মো. মহসীন এবং লুৎফর রহমান বাদলের একটি যৌথ সিন্ডিকেট। না, নিমকহারামি করেননি আমাদের নাঈমুল -
বুদ্ধিমান লগ্নিকারকরা এখনই শেয়ার কিনবেন: সালমান এফ রহমান
ফালু ও বাদলের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক শুধু আইএফআইসি ব্যাংকের ধারাবাহিকতায়: সালমান এফ রহমান
পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তি বন্ধ করতে হবে: সালমান এফ রহমান
মাইনাস টু থিওরি বাস্তবায়ন করতে না পারায় প্রথম আলো-ডেইলি স্টার এখন দেশের অর্থনীতিতে ধস নামানোর চেষ্টা করছে
কালের কণ্ঠ ও সমকাল অসত্য রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউনিক গ্রুপ ও হোটেলের ব্যবসায়িক ক্ষতি করেছে
কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই: লুৎফর রহমান বাদল
শেয়ার বাজারের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে মিডিয়াতে ভুতুড়ে সংবাদ সম্পর্কে লুৎফর রহমান বাদলের প্রতিবাদ
শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেন মোস্তফা কামাল
শেয়ারহোল্ডারদের ভালবাসা ও আস্থায় প্রিমিয়ার ব্যাংক শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে
প্রথম আলো’র বিরুদ্ধে মামলা করবেন সালমান রহমান
সালমান এফ রহমান ঋণ খেলাপি নন

X(( চরিত্রহননের আয়োজন
শুধু মালিকদের পক্ষে লিখলেই হবে না, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ভালো কেউ আসতে চাইলে, ঠেকাতে হবে তাদেরও -
সামগ্রিক ব্যর্থতা এসইসির তবে ইয়াসিন আলীর নাম নেই
এসইসির সদস্য ইয়াসিন আলী এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ধোয়া তুলসী পাতা!
এসইসির অনেক সিদ্ধান্তে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি: ইয়াসিন আলী
শেষ রক্ষা হলো না ইয়াসিন আলীর
আলোচিত ইয়াসিন আলী বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর পদে আবেদন করেছেন
সম্পর্কের কারণে ইয়াসিন আলীর নাম আসেনি তদন্ত রিপোর্টে
সিটি ব্যাংক এনএ থেকে মামুন রশিদের চাকরিচ্যুতির ইতিকথা
এসইসি চেয়ারম্যান হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় বিতর্কিত মামুন রশিদও

:D শুধু দুটো টাকার জন্য
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর দৃষ্টিতে জয়নাল হাজারী
ফেনীর হাজারী, হাজারীর ফেনী
কীর্তিমান লোটাস কামাল
আমাদের ভূমিদস্যু বলার বিচার চাই
সমাজের উঁচু স্তরে প্রতিনিধিত্বকারী প্রগতিশীল মুক্তমনা সফল মানুষের মিলনকেন্দ্র ঢাকা ক্লাব
মৌলবাদীদের ক্রীড়নক হয়ে ঢাকা ক্লাবের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য নস্যাতের অপচেষ্টা করছেন মজহার: সেলিম
ঢাকা ক্লাবে ড্রেস কোডে বিব্রত হুমায়ূন আহমেদ ও মান্না
ওয়ান ইলেভেনের সময় গোয়েন্দা সংস্থাকে দেয়া টাকা ফেরত চেয়েছে যমুনা গ্রুপ
টাকা ফেরত না দিলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করবেন নূরুল ইসলাম বাবুল
নূরুল ইসলাম বাবুলের চ্যালেঞ্জ
স্টেডিয়াম ও ট্রেনিং সেন্টারের জন্য ২০ বিঘা জমি বরাদ্দের ঘোষণা বসুন্ধরা গ্র“পের
সেনাপ্রধান ও বসুন্ধরা চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
প্রথম আলোর স্ববিরোধিতায় বসুন্ধরা গ্রুপের বিরাট বিপদ
যারা আমার পরিবারকে তছনছ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো : টুকু
শাহ আলমকে হয়রানি না করার নির্দেশ
প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচাতে একটি মহল ব্যবসায়ী শাহ আলমকে জড়াতে চাচ্ছে
বসুন্ধরার আর্থিক সহায়তা পেয়ে জেলা ফুটবল নিয়ে মাঠে নামলেন সালাউদ্দিন
সেনাপ্রধান ও বসুন্ধরা চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
সাংবাদিকতায় ভুল ভ্রান্তি এবং মেষপালক রাখালের গল্প

/:) যে সংবাদের রেইট খুব বেশি হবে না
আপনিও খুবই অল্প মূল্যে এই ধরনের সংবাদ দৈনিক আমাদের সময়ে ছাপতে পারবেন, সামান্য বাড়িয়ে দিলে নাঈমুল ভাই নিজের নামেই লিখবেন। স্টক সীমিত, আজই সুযোগ নিন!
জয়নুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করলেন মুসা বিন শমশের
টিংকু ভাই আল্লাহ মেহেরবান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চিনি শিল্পটিও আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করে
নাইট ক্লাব বারে হামলা করে ট্যুরিজম হবে না
দুদক: স্বাধীনতা বনাম জবাবদিহিতা
বই পড়ে আর কবিতা লিখে অবসর কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক ডিপিএস শাকিল
জাস্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মনি সিং
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পিএস হলেন গাজী কালিমুল্লাহ
দেড় বছরে একজন মেজরের রাজনৈতিক জীবনের অবসান!
দেশের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা জেলা প্রশাসক কুমিল্লার জামাল হোসাইন, চৌকস ও কাজ-পাগল
শেখ সেলিমের ছেলের সঙ্গে টুকুর মেয়ের বিয়ে ১৫ জুলাই সংসদের এলডিই ক্লাবে
শেখ সেলিম তনয় নাইমের বৌ-ভাত অনুষ্ঠিত

:P স্বল্প স্বমেহন
নিজের পত্রিকায় নিজের সম্পর্কে কখনো নিজের নামে, কখনো ব্যক্তিগত কর্মচারীদের দিয়ে, কখনো বা দেশী ও প্রবাসী ছিঁচকে লেখকদের দিয়ে মেহনযজ্ঞের এরকম উদাহরণ দ্বিতীয়টি পাওয়া যাবে না।
আমার গলায় সমস্যা।। বিশ্রাম খুব প্রয়োজন
ঢাকা অথবা এথেন্সে সাবধান, পকেটমার
নাঈমুল ইসলাম খান কোপেনহেগেন গেছেন
কোপেনহেগেন থেকে আমার অসুখ
নাঈমুল ইসলাম খান সপরিবারে কানাডায়
কানাডার টরন্টোয় স্থানীয়দের সংবর্ধনা পেলেন নাঈমুল ইসলাম খান
কানাডার টরন্টোয় শুক্রবার নাঈমুল ইসলাম খানের সংবর্ধনা
আমাদের সময় কার্যালয়ে কানাডার ব্রসার্ড সিটির মেয়র ও এনডিপির অ্যাডভাইজার
নাঈমুল ইসলাম খান এখন দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক
দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক ওয়ার্ল্ড নিউজপেপার কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন
দৈনিক আমাদের অর্থনীতি সম্পাদক মালয়েশিয়া গেছেন
‘বাসভূমি’র ৫ বছর উৎসব অস্ট্রেলিয়ায় আসছেন নাঈমুল ইসলাম খান ও আগুন
কানাডার টরন্টোয় স্থানীয়দের সংবর্ধনা পেলেন নাঈমুল ইসলাম খান
৬ সম্পাদকের ভারত সফর
৫০তম জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত নাঈমুল ইসলাম খান
নাঈমুল ইসলাম খানের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রবাস থেকেও বেরুচ্ছে একটি স্মারকগ্রন্থ
নাঈমুল ইসলাম খানের ৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ প্রকাশনায় লেখা আহ্বান
নাঈমুল ইসলাম খানকে নিয়ে স্মারকগ্রন্থ: আরো কিছু লেখা চাই
‘বাসভূমি’র ৫ বছর উৎসব অস্ট্রেলিয়ায় আসছেন নাঈমুল ইসলাম খান ও আগুন
ক্যানবেরায় মতবিনিময় সভায় নাঈমুল ইসলাম খান
বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সেমিনারে নাঈমুল ইসলাম খান
দৈনিক আমাদের সময় সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানের সঙ্গে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার মতবিনিময়
সিডনিতে সুধী সমাবেশে নাঈমুল ইসলাম খান
ক্যানবেরায় প্রবাসীদের দাবি শুনলেন নাঈমুল ইসলাম খান
মেলবোর্নে মতবিনিময় সভায় নাঈমুল ইসলাম খান
নাঈমুল ইসলাম খান জাপান সফরে গেছেন
জাপানে বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে নাঈমুল ইসলাম খানকে সংবর্ধনা
কুমিল্লায় মানহানি মামলায় জামিন পেয়েছেন নাঈমুল ইসলাম খান

:| আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জেনারেল মঈন উ আহমেদের 'আলু প্রচলন অভিযানের' অবৈতনিক প্রচার সম্পাদক ছিলেন নাঈমুল ইসলাম খান। গত সংসদ নির্বাচনের আগে আগে তার কিভাবে যেন ধারণা হয়েছিল, ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে বিএনপি। কালবিলম্ব না করে একের পর এক রচনা উৎপাদন করতে থাকলেন খালেদা জিয়া আর তারেক রহমানের প্রশস্তি গেয়ে। তার মাস্টারপিসগুলো এখন আর অনলাইনে সুলভ নয়। খুঁজলে ছিঁটেফোটা হয়তো পাওয়া যায়। বলাবাহূল্য, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সাচ্চা আওয়ামী লীগপ্রেমীতে রূপান্তরিত হতে নাঈমুলের সময় লেগেছিল আধঘন্টা (মতান্তরে ১০ মিনিট)।
আলু, ড. ইউনূস এবং বাংলাদেশের এনজিও
প্রিয় তারেক রহমান
খালেদা জিয়ার কাছে খোলা চিঠি
তারেকের জীবন দেশের কল্যাণে নিবেদিত হোক
জাইমার আজ জন্মদিন
আমাদের রাজনীতির দুই উত্তরাধিকার দুজনই দেশ থেকে দূরে

B-) অপরিশোধিত তৈল পর্ব : শেখ হাসিনা
একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন নেওয়ার জন্য কম চেষ্টা করেননি নাঈমুল ইসলাম খান। এটা যারা দেখেছে, তারা জানে এর পেছনে কী অমানুষিক শ্রম ছিল তার! বলাবাহুল্য, সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে রয়ে গেছে চেষ্টার কিছু নমুনা, এই রচনার 'তৈল সিরিজের' পুরোটাই এই খাতে গেছে। শুরু শেখ হাসিনাকে দিয়ে। এরপর শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় থেকে এমনকি হাসিনা কন্যা পুতুলও নাঈমুলের প্রায় ঐতিহাসিক হয়ে ওঠা তৈলবাজি থেকে রেহাই পায়নি।
মহাজোটের নব্বই শতাংশ জয়ে কী বিরাট দায়িত্ব বর্তেছে, বলছি
দিন বদলের মন্ত্রিসভার সাফল্য কামনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিবেচনার জন্য
শেখ হাসিনার চিন্তাধারা আমি যতটুকু বুঝেছি
আওয়ামী লীগ সবসময়ই একাধিক ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে বিরোধী দল থেকে একজন নেয়ার কথা বলেছে
আওয়ামী লীগ সরকারের মধুচন্দ্রিমা শুরু হতে পারেনি তবে শেষ হয়েছে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিবেদন কয়েকটি সিদ্ধান্তে দৃঢ়-অটল থাকুন
অপেক্ষা করুন, শেখ হাসিনা দেশটা বদলে দিচ্ছেন

B-) পোড়া মোবিল পর্ব : শেখ রেহানা
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে উপর্যুপরি ব্যর্থ হয়ে নাইমুল তৈলমর্দনের জন্য একপর্যায়ে বেছে নেন শেখ রেহানাকে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ রেহানাকে দলে নিয়ে নিন
রাজনীতিতে শেখ রেহানার অভিষেক ঘটছে?
দুদিনের ব্যক্তিগত সফরে সিলেটে শেখ রেহানা
শেখ রেহানা কি বিশেষ কোনো দায়িত্ব পাচ্ছেন?
আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি শেখ রেহানা
শেখ রেহানা লন্ডন গেছেন
শেখ রেহানা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসছেন?
শেখ রেহানার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তুলে ধরলেন শেখ হাসিনা
শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ ব্রিটেনে কাউন্সিলর নির্বাচিত
ঘরোয়াভাবে জন্মদিন পালন করলেন শেখ রেহানা
পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতনিকে নিয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন শেখ রেহানা

B-) পাম অয়েল পর্ব : সজীব ওয়াজেদ জয়
টেলিভিশন চ্যানেল পাওয়ার আশা যখন পরিণত হয় রীতিমতো দুঃস্বপ্নে, নাঈমুল ইসলাম খান তখন খুব চেষ্টা করলেন অন্তত একটি রেডিও চ্যানেলের অনুমোদন পাওয়ার জন্য। কতো যদু-মধু রেডিও চ্যানেল পেয়েছে, অথচ দুর্ভাগা নাঈমুলের ভাগ্যে সেটাও জোটেনি। নিচে দেখুন কী অক্লান্ত প্রচেষ্টা -
দুধমাখা ভাত কাকে খায় ।। জয় ঘরে ফিরবেন কবে?
রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারী মেধাবী প্রজন্মের অভিষেক
সজীব ওয়াজেদ জয়: বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে
ধীরে ধীরে নিজেকে প্রস্তুত করছেন জয়
আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আসছেন জয়
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সহযোগিতা করবেন জয়
স্বাগতম জয়! বাংলায়
আওয়ামী লীগের জন্মদিনে জয়ের যাত্রা শুরু
গ্রামীণ ফোনের বিপক্ষে বললেন জয়
সজিব ওয়াজেদ জয় সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন
যমুনায় সারাদিন ছিলেন জয়

B-) সয়াবিন পর্ব : পুতুল
আরেক কন্যার মা হলেন পুতুল
বিশ্বব্যাপী এক নতুন ইমেজ সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ : সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বললেন
প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সায়মা ওয়াজেদ
অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের ক্যাম্পেইনে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ করা উচিত: সায়মা পুতুল
পুতুল এ মাসেই কানাডা ফিরে যাবেন

:D পিঠ চুলকাচুলকি পর্ব
মোজাম্মেল বাবুর মতো নির্লজ্জ যেমন, তেমনি আছে পীর হাবিবুর, সৈয়দ বোরহান কবিরের মতো ছিঁচকে সাংবাদিক। সবমিলিয়ে দেশী কিছু গৃহপালিত গৌণ লেখকের সঙ্গে প্রবাসী কয়েকজন ছিঁচকে লেখকের হুক্কা-হুঁয়া সবসময়ই আছে আমাদের সময়ে, নিয়মিতই যারা নাঈমুলের পিঠ চুলকে দেন, বিনিময়ে পান নিম্নমানের নিউজপ্রিন্টে মূত্রত্যাগের সুযোগ। অন্যদিকে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক গোলাম রহমান এমন এক হলদে সংবাদপত্রের ন্যায়পালের ভূমিকায় অভিনয় করছেন, আমি নিশ্চিত তার স্বজনরাও এতে ব্রিবত বোধ করছেন। ন্যূনতম আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন কেউ এই হলদে সংবাদপত্রের সঙ্গে জড়াতে পারেন, এটা আমার নিজেরও ধারণার বাইরে ছিল। অবশ্য স্যার যদি অর্থকষ্টে থাকেন, সেটা ভিন্ন কথা।
সম্পাদক নাঈম : একমেবাদ্বিতীয়ম্ : আবু হাসান শাহরিয়ার:
উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে আমাদের সময়ে যোগ দিলেন আবু হাসান শাহরিয়ার
আশ্চর্য আগুন : মোহন রায়হান:
আশা জাগানিয়া নাঈমুল
আমাদের প্রিয় রাজপুত্রের আজ ৫০তম জন্মদিন
লেখকের হৃদয় থাক চন্দ্রভূমি’র কাছাকাছি
আকিদুল ইসলাম অভিবাদন জন্মদিনের
সিডনিতে ‘বাসভূমি-সন্ধ্যা’ ৩ এপ্রিল
এক সন্ধ্যায় আমাদের সময়ে
তোয়াব খানের জন্মদিন, গোলাম রহমান ও খালেদ মুহিউদ্দীনের অভিষেক অনুষ্ঠান
চাঁদপুরে দৈনিক আমাদের কুমিল্লার সাংস্কৃতিক উৎসব সম্পন্ন হলো
অভিনন্দন মারুফ চিনুকে
দেশের প্রথম সংবাদপত্র ন্যায়পাল নিয়োগ দিল দৈনিক আমাদের সময়
সংবাদ ন্যায়পালের দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক গোলাম রহমান
আমাদের সময়ের ন্যায়পালের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শিক্ষক বৈঠক
গীতিকার জুলফিকার রাসেলের সম্পাদনায় আসছে তারকা কাগজ...
আজ কবি সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল জয়ন্তী

অ্যাই ভাই নাইমুল ইসলাম খান, গায়ে আপনার কাপড় নেই, আপনি নগ্ন! এই বেলা প্লিজ আন্ডারওয়্যারটি অন্তত পরে নিন।


প্রথম প্রকাশ




'নতুন ধারার সাংবাদিকতার পথিকৃৎ' থেকে কিভাবে ছিঁচকে সাংবাদিক হয়ে উঠলেন দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান - পাঠক তার একটা আগাগোড়া ধারণা পাবেন এই গবেষণা থেকে। ইতিপূর্বে প্রকাশিত হওয়া প্রথম পর্বের পর এটি দ্বিতীয় ও আপাতত শেষ পর্ব। অপাঠ্য, অবোধ্য, পরিভাষা জর্জরিত প্রচলিত ধারার গণমাধ্যম গবেষণার বিপরীতে এরকম চুলচেরা গবেষণা ব্লগোস্ফিয়ারে তো বটেই, বাংলাদেশেই এই প্রথম। গবেষণার জন্য নেওয়া তিন শতাধিক নমুনার মধ্যে ৯০ ভাগ নমুনাই প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ। বাকি ১০ ভাগ পেছনের পৃষ্ঠার। আলোচ্য প্রতিবেদনগুলোর প্রায় অর্ধেকই নাঈমুল ইসলাম খানের নিজের লেখা, বাকিগুলো হয় তার আজ্ঞাবহ কর্মচারীদের, নয়তো ভাড়ায় আসা ছিঁচকে সাংবাদিকদের লেখা। বলাবাহূল্য, নিয়োগপত্রবিহীন তিন হাজারি-পাঁচ হাজারি বিশেষ সংবাদদাতা/সাংবাদিকদের হলদে রিপোর্টগুলো আমি গোণায় ধরিনি। এটাও বলে রাখা ভালো হবে, আমাদের সময়ে প্রকাশিত প্রকাশিত হলদে প্রতিবেদন কিংবা কলামের মাত্র ২০ ভাগ এই গবেষণায় এসেছে পত্রিকাটির পূর্ণাঙ্গ অনলাইন আর্কাইভ না থাকা এবং সার্চ ইঞ্জিন সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে।

X(( ইউনূসকে নিয়ে ইতরামি
নাঈমুলকে দু পয়সার পাত্তা না দেওয়াই কাল হয়েছিল ড. ইউনূসের। সেই ক্ষোভে ইউনূসকে নিয়ে এমন কোনো ইতরামি নেই, যা নাঈমুল করেননি-
ড. ইউনূস শেখ হাসিনার প্রতিপক্ষ না ছাই
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপেষু বিষয়: ড. মোহাম্মদ ইউনূস
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে আহ্লাদী তদন্ত চলছে!
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঢেঁকি ঋণ থেকেই ক্ষুদ্র ঋণের বিকাশ
ড. ইউনূস প্রথম হোঁচট খেয়েছিলেন ঢাবিতে
ড. ইউনূস বিষয়ে ‘মার্জিতরূপে’ ‘পরিশীলিত’ সমালোচনার আহ্বান
ড. ইউনূসকে বিপদ থেকে রক্ষায় গ্রামীণ ব্যাংকের সব অফিসে মিলাদ
গ্রামীণ টেলিকমের মালিক গ্রামীণ ব্যাংক : ইউনূস অথবা মাহফুজ আনাম কে ঠিক?
ইউনূস আদালতে হারলে তাৎক্ষণিক কর্মবিরতি

:P পদলেহন পর্ব ২ : হুমু এরশাদ
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সম্ভবত খুব কম টাকায়, হয়তো এক-দু মাসের বাসা ভাড়া বহনের আশ্বাস দিয়ে তার পদলেহনের কাজে নিয়োগ দিয়েছিলেন নাঈমুল ইসলাম খানকে।
শুভ জন্মদিন এরশাদ
ভালো নেই এরশাদ!
মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে না পারার কষ্ট আজো বয়ে বেড়াচ্ছি: এরশাদ
এরশাদের ৮১তম জন্মদিন আজ
হাসিনা কীভাবে কাজে লাগাবেন এরশাদকে?
এরশাদকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত বা ভ্রাম্যমাণ রাষ্ট্রদূত করার আলোচনা
সাবেক রাষ্ট্রপতির সুবিধাসমূহ-ই পাচ্ছেন না এরশাদ, রাষ্ট্রপতির মর্যাদায় দূত হবেন কীভাবে?
মানুষের উদ্বেগ ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ এরশাদ
প্রিয় সম্পাদক- বল্গাহীনতার লাগাম টেনে ধরুন : হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রসঙ্গে আবারো বিভ্রান্তিকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা!

/:) ঠেলার নাম বাবাজি
নিজের উগড়ে দেওয়া বমি ফের নিজেই গিলে নেওয়ার এইরকম দৃষ্টান্ত খুব বেশি মিলবে না নিশ্চিত -
পিংক সিটির একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য দুঃখ প্রকাশ
সাংবাদিকতায় ভুলের আরেক উদাহরণ ভুক্তভোগী সেলিমা আহমাদ এবং বিদিশা
দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে সুসজ্জিত হচ্ছে যোগাযোগমন্ত্রীর সচিবালয়ের দফতর : হুমায়ুন কবির খোকন:
সৈয়দ আবুল হোসেন, মহিউদ্দিন খান আলমগীর এবং ফরিদ হোসেনের কাছে আমার ক্ষমা প্রার্থনা

X(( মতলববাজের প্রতিকৃতি
২০০৯ সালে নাঈমুলের ভিসা পত্রপাঠ প্রত্যাখান করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। এরপরও একটি ভিসার জন্য থেমে থাকেনি তার বহুমুখী চেষ্টা। ভিসার জন্য পাগলপ্রায় নাঈমুল একপর্যায়ে এক যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী পরামর্শে আমাদের সময় কার্যালয়ে রীতিমতো 'ধর্মনিরপেক্ষ' ইসলামী জলসার আয়োজনও করে ফেললেন। মুসলমানদের কল্যাণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কতোটা আন্তরিক - সেটা নিয়ে ওই জলসায় গ্যালনে গ্যালনে চোখের জল ফেলা হল। তবে হায়, তাতেও ভিসার হরিণ দেখা দেয়নি!
উইমেন ইন ইসলাম বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ
দৈনিক আমাদের সময় কার্যালয়ে ইসলামবিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান
প্রবাসীদের জন্য নতুন একটি পত্রিকা প্রকাশ করবে দৈনিক আমাদের সময়
ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং এজেন্সিকে দুর্নীতি ও অনিয়মের খবর দিন
তসলিমা নাসরিনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত হোলগার মিশেল এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাঈমুল ইসলাম খান

:-* অহেতুক দৃষ্টি আকর্ষণের ব্যর্থ চেষ্টা
নাঈমুল ইসলাম খানের ভাবসাব দেখে মনে হয় রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী সবাই ২৪ ঘন্টা তার ২ টাকার পত্রিকাটি নিয়ে ধ্যানমগ্ন থাকেন। এটাও তার একটি কৌশল - লোককে বোঝানো যে ক্ষমতার কেন্দ্রে আমাদের সময়ের ব্যাপক প্রভাব আছে!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বৈশাখে উৎসব বোনাস দিন
মহামান্য রাষ্ট্রপতি সমীপে বিবেচনার জন্য দুটি প্রস্তাব
টিভি চ্যানেলের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে অযাচিত পরামর্শ

;) পকেটমার পর্ব : এমএনএইচ বুলু
শেয়ারবাজার কারসাজির মূল হোতা সালমান এফ রহমান, নূর আলী, মোসাদ্দেক আলী ফালু, লুৎফর রহমান বাদল ও পিএইচপি গ্রুপের যৌথ সিন্ডিকেটের কাছে আমাদের সময় পত্রিকাটি বিক্রির আগে বেশ বড়ো অংকের অর্থ খসানো হয়েছিল ইয়াবা সম্রাজ্ঞী নিকিতাখ্যাত ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর কাছ থেকে। বুলুকে সময়মতো মুলোটা ধরিয়ে দিতে ভোলেননি গুণধর নাঈমুল।
আমাদের সময়ের অংশীদার হলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলু
আমাদের সময় কার্যালয়ে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এমএনএইচ বুলু
এমএনএইচ বুলুর কাছে আমাদের একটি কামনা
এমএনএইচ বুলুর সঙ্গে নাঈমুল ইসলাম খানের আরো অংশীদারী মিডিয়া
এমএনএইচ বুলুর অংশগ্রহণে আমাদের সময়ের বিক্রয়মূল্য কমিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে

X(( ধান্ধাবাজির নানা রূপ
অপচিকিৎসার ক্যানভাসার থেকে সংবাদ জাদুঘর, মহিলা টিভি এজেন্সি থেকে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণের ঠিকাদারি - কোথায় নেই আমাদের নাঈমুল?
প্রিয়া ভেঙ্কটারামনকে আমন্ত্রণ বিষয়ে ঢাকাস্থ ভারতীয় রাষ্ট্রদূত সমীপে
বিখ্যাত তিন খান এবং ডা. ছাজেড়
বিনা অপারেশনে হৃদয় রোগ থেকে মুক্তি
দেশের প্রথম সংবাদ জাদুঘর নিউজিয়াম গড়ে তুলতে আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশের প্রথম টিভি নিউজ এজেন্সির যাত্রা শুরু
টিভি নিউজ এজেন্সিতে সাংবাদিকতার সুযোগ
টিভি নিউজ এজেন্সিতে সাংবাদিকতার সুযোগ
সেরা সাংবাদিকদের পুরস্কার বিতরণ ।। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চান?
টিভি সাংবাদিকতায় আগ্রহী তরুণীরা ৩১ মার্চের দৈনিক পত্রিকা পড়ে দেখুন
মিট দ্য উইমেন ইন মিডিয়া নারী সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত
গবেষণাকর্মী নিয়োগ
নির্বাহী সম্পাদক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

X(( মতলববাজি : ইজরায়েল প্রেম
একদা আত্মস্বীকৃত ইজরায়েলপ্রেমী সালাউদ্দিন শোয়েব মারফত নাঈমুল ইসলাম খান এই বার্তা পেয়েছিলেন যে, পত্রিকা প্রকাশসহ প্রচার-প্রচারণা খাতে ইজরায়েলি সংস্থা থেকে তহবিল পাওয়া সম্ভব। এরপর সালাউদ্দিন শোয়েব হলেন আমাদের সময়ের বিশেষ সংবাদদাতা। তার সঙ্গে মিলে নাঈমুল যৌথভাবে শুরু করলেন ইসরাইল বিষয়ক প্রপাগান্ডা। সঙ্গে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় মানসিক ভারসাম্যহীন শিক্ষক কলিমউল্লাহ।
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সচেষ্ট ছিলেন আবদুর রহমান ওয়াহিদ
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল : ঢাকার সঙ্গে সংলাপ চায় তেলআবিব
সমরাস্ত্রে শক্তিশালী মিয়ানমার ঢাকায়ও আঘাত হানতে পারবে: ড. কলিমউল্লাহ
’৯৮-এ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশের মাটিতেই হত্যার প্রস্তাব দেয় ইসরায়েলি ভাড়াটে সেনা
ড. কলিমউল্লাহ’র দাবি কসোভোকে স্বীকৃতি দিতে বাধা নেই

/:) মনে বড়ো জ্বালা, ও পাঞ্জাবিওয়ালা...
আমাদের সময় ২ টাকা মূল্যের দৈনিক হওয়ার পরও সত্যি বলতে কী, এর প্রচারসংখ্যা সবমিলিয়ে খুব বেশি কিছু কখনোই ছিল না। যে পত্রিকা বাংলাদেশের কোনো পরিবারে স্থান পায় না, অফিস-আদালতে রাখা হয় না, শুধু ফুটপাতের বিক্রি দিয়ে আসলে কি সেই পত্রিকার পক্ষে ওপরের দিকে ওঠা সম্ভব? সবমিলিয়ে মনে বড়ো জ্বালা নাঈমুলের -
সংবাদপত্রগুলোর পাঠকসংখ্যা নির্ণয়ে SIRIUS একটা serious খামখেয়ালি ঘাপলা করেছে
দুই লাখের খুউব কাছে দৈনিক আমাদের সময়
দৈনিক আমাদের সময় আজ ৪,৫৪,৩৫৮ কপি
বদলে যাচ্ছে দৈনিক আমাদের সময় ।। প্রতি শুক্র ও শনিবার দাম চার টাকা
কাল থেকে আমাদের সময় আবার ২ টাকায়
আমাদের সময়ের মূল্য বিভ্রাট!
জোট সরকারের আমলে কারাগারের জন্য নির্দিষ্ট ৪টি পত্রিকা এখনো পরিবর্তন হয়নি
সংবাদপত্রের প্রচার সংখ্যা
শীর্ষ প্রচার বা পাঠকসংখ্যা কোন দৈনিকের?
সংসদে পত্রিকার প্রচারসংখ্যার তথ্য প্রকাশ

হলুদ সাংবাদিকতা, অপসাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকতার লেবাসে দুর্বৃত্তপনা বন্ধ হোক, এখনই!


প্রথম প্রকাশ

গল্পকার-প্রাবন্ধিক এবং ব্লগার আহমাদ মোস্তফা কামাল ব্লগারদের বই নিয়ে সম্প্রতি একটি রিভিউ লিখেছেন বইয়ের জগতে। আমার সম্পর্কে নির্মম অপপ্রচার সেই রিভিউর একমাত্র নেতিবাচক দিক! এর বাইরে বাকি সবই চমৎকার। বলে রাখা ভালো, রিভিউটি তিনি করেছেন সেইসব পাঠকের কথা মাথায় রেখে, যারা 'ব্লগ' ব্যাপারটার সঙ্গেই পরিচিত নন, অনলাইনে লেখালেখির ব্যাপারটা যাদের বোধগম্যতার ভেতরে নেই। ফলে এই রিভিউতে অনেক প্রসঙ্গ নিয়ে তাকে কথা বলতে হয়েছে যেগুলো ব্লগারদের কাছে আদৌ 'নতুন' কিছু মনে হবে না। অপরবাস্তব শুধু নয়, এই রিভিউ একইসঙ্গে মূলধারায় 'ব্লগ'কে উপস্থাপনের কাজটিও করেছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত 'বইয়ের জগৎ' সাময়িকীর দাম ৮০ টাকা। মূল্যে শুধু নয়, আয়তন আর মানেও প্রায় আড়াইশো পৃষ্ঠার সাময়িকীটি ওজনদার। বই সমালোচনা নিয়ে সম্ভবত এই মানের কোনো সাময়িকী আগে দেখিনি।

---
‌অপরবাস্তব : সাহিত্যচর্চার নতুন ধরন
আহমাদ মোস্তফা কামাল

একটি অভিনব গ্রন্থের সঙ্গে আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য লিখতে বসেছি, প্রিয় পাঠক। অভিনব এই অর্থে যে, এই গ্রন্থের সম্পাদক এবং অধিকাংশ লেখকদের সঙ্গে মূলধারার পাঠকরা তো পরিচিত ননই, এমনকি এটি যে প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে তার সঙ্গেও পরিচিত নন। বইটির নাম- ‘অপরবাস্তব’, সম্পাদক- লোকালটক, এবং এটি অনলাইনে বাংলাভাষায় লেখালেখির সঙ্গে জড়িত লেখকদের গল্প সংকলন। তবে বিস্তারিত পরিচয়ের আগে অনলাইনে লেখালেখি সম্বন্ধে কিছু কথা বলে নেয়া দরকার।
গত এক দশকে সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার একটি হলো- ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে লেখালেখির চর্চার উদ্ভব হওয়া। অন্যান্য ভাষায় ব্যাপারটি অনেক আগেই শুরু হলেও বাংলা ভাষায় এবং বাংলাদেশে এর উদ্বোধন হয় ১৬ ডিসেম্বর, ২০০৫ সালে সামহোয়ারইন ব্লগ-এর মাধ্যমে। সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে ঘটনাটি বাংলাদেশে একেবারেই নতুন বলে মূলধারার সাহিত্যজগতে এটি এখনো তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব তৈরি করতে পারেনি বটে, বা মূলধারার সাহিত্য-আলোচনায় অনলাইন লেখকদের কথা উল্লেখিত হয় না বটে, তবে আগামী দশকের শেষে গিয়ে হয়তো দেখা যাবে- এটি বিকল্প গণমাধ্যমের এক গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠেছে, এবং হয়তো সেদিন সাহিত্য-আলোচনায় এই লেখালেখিকে আর অস্বীকার করার উপায় থাকবে না। প্রিন্ট মিডিয়ায় লেখালেখির সঙ্গে অনলাইন মাধ্যমে লেখালেখির মূল পার্থক্যগুলো চিহ্নিত করা যায় এভাবে- ১. এখানে কোনো সম্পাদকীয় শাসন-অনুশাসন নেই, ফলে যে-কেউ যে-কোনো ধরনের লেখা প্রকাশ করার অধিকার রাখেন। সেই অর্থে এটি অনেক মুক্ত ও স্বাধীন মাধ্যম। ২. এই মাধ্যমে লেখক-পাঠকদের মধ্যে পাস্পরিক মিথস্ক্রিয়া অত্যন্ত চমৎকার। লেখা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে পাঠকরা তাদের মতামত জানাতে থাকেন, কোনো প্রশ্ন থাকলে প্রশ্ন করেন, কোনো পরামর্শ থাকলে সেটিও লেখককে জানিয়ে দেন। লেখকও এইসব প্রশ্নের উত্তর দেন, মতামতের ব্যাপারে তার নিজস্ব অবস্থানটি পরিষ্কার করেন। একটি লেখা এইসব বিবিধ মতামত নিয়েই পূর্ণাঙ্গ হয়ে ওঠে এবং অধিকতর আকর্ষণীয় রূপে পাঠকদের কাছে হাজির হয়। ৩. এখানে লেখক-পাঠকদের সম্পর্ক এক তরফা নয়! একজন লেখক একইসঙ্গে পাঠকও, বা একজন পাঠক একসঙ্গে একজন লেখকও। ফলে পরস্পরের সঙ্গে মতবিনিময় করার একটি চমৎকার মাধ্যম হয়ে উঠেছে এটি। ৪.লেখাগুলো সাধারণত উন্মুক্ত থাকে এবং পৃথিবীর যে-কোনো স্থান থেকে যে-কেউ যে-কোনো সময় সেগুলো পড়বার স্বাধীনতা ভোগ করে থাকেন। অর্থাৎ ছাপা-বইয়ের যেমন দুষ্প্রাপ্যতার একটা ব্যাপার আছে, চাইলেই যে-কোনো সময় যে-কোনো পাঠক সেটি পড়তে পারেন না, অনলাইনে সেই দুষ্প্রাপ্যতা নেই।

যেমনটি আগে বলেছি- বাংলাদেশে অনলাইনে লেখালেখির সূত্রপাত ঘটে সামহোয়ারইন ব্লগ-এর মাধ্যমে ২০০৫ সালের শেষের দিকে। এর মধ্যেই বাংলাদেশে আরো কয়েকটি ব্লগ চালু হয়ে গেছে। যেমন সচলায়তন, আমার ব্লগ, প্রথম আলো ব্লগ, মুক্তাঙ্গন ব্লগ ইত্যাদি। এ ছাড়া ব্লগস্পটেও ব্যক্তিগত ব্লগ বানিয়ে বাংলায় লিখছেন অনেকেই। শুনে অবাক হবেন প্রিয় পাঠক, এই সব ব্লগ মিলিয়ে এখন লেখকের সংখ্যা প্রায় অর্ধলাধিক! পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষীদের কাছে ব্লগ হয়ে উঠছে পরম আদরনীয় এক মুক্ত যোগাযোগ মাধ্যম। মাত্র চার বছরেই বাংলা ব্লগগুলোর এই অভাবিত জনপ্রিয়তাই প্রমাণ করে দেয়- আগামী দিনে এই মাধ্যমটিকে হেলাফেলা করার কোনো সুযোগই আর থাকবে না। ব্লগ সম্পর্কে অপরবাস্তব-এর সম্পাদকীয় থেকে কিছু অংশ তুলে দিয়ে বইয়ের আলোচনায় প্রবেশ করবো- ‘ওয়েবব্লগের সংক্ষেপিত রূপ- ব্লগ। অনলাইন জার্নাল বা ডায়েরি। দিনে দিনে ব্লগ হয়ে উঠছে একমাত্র ইন্টারঅ্যাকটিভ মিডিয়া, বিকল্প গণমাধ্যম- যা বিশ্বের নানা প্রান্তের মতামত-প্রতিক্রিয়াগুলোকে ধারণ করছে। ব্লগ যেভাবে উঠে আসছে, তাতে এটি ছাড়িয়ে যেতে পারে সংবাদপত্র, এমনকি টেলিভিশনকেও। যদিও টেলিভিশনের মতো ব্যাপক প্রভাব এখনো ব্লগের হয়ে ওঠেনি, তবুও টেলিভিশন ও সংবাদপত্র যা পারে না- ব্লগ তা পারছে। পাঠক ও লেখকদের কিংবা দর্শক ও নির্মাতাদের মধ্যে সত্যিকারের বিনিময় ব্লগেই সম্ভব হচ্ছে।’

এবার ‘অপরবাস্তব’ প্রসঙ্গ। এটি মূলত সামহোয়ার ইন ব্লগ-এ যারা লেখালেখি করেন, তাদের গল্প নিয়ে একটি সংকলন। উল্লেখ করা দরকার যে, এই ব্লগটিই বাংলা ভাষায় প্রথম কমিউনিটি ব্লগিং-এর সূচনা করে। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার বাংলাভাষী ব্লগার (এখানে লেখক-পাঠকের একটিই নাম- ব্লগার) এখানে নানা বিষয়ে প্রতিদিনই প্রচুর লেখা লিখে চলেছেন। শুধু গল্প-কবিতাই নয়, নানা বিষয়ে প্রবন্ধ, রাজনীতি-অর্থনীতি-বিজ্ঞান-ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংগীত-ধর্ম-দর্শন-চলচ্চিত্র-বিনোদন প্রভৃতি বিষয়ে নানা ধরনের বিশ্লেষণ নিয়ে প্রতিদিনই নানা ধরনের লেখা পাওয়া যাচ্ছে। ‘অপরবাস্তব’-এর সম্পাদক এসব লেখা থেকে ব্লগারদের কাছ থেকে বছরের উল্লেখযোগ্য লেখাগুলো নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন আহ্বান করেন ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে। প্রায় একমাস ধরে ব্লগাররা মনোনয়ন দিতে থাকেন। তর্ক-বিতর্কও হয় প্রচুর। শুরুতে কেবলমাত্র সেরা লেখাগুলো বাছাইয়ের জন্য এই মনোনয়ন আহ্বান করা হলেও শেষ পর্যন্ত এসব লেখা থেকে বাছাই করে একটি বিষয়ভিত্তিক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নেন সম্পাদক। নির্বাচিত লেখাগুলো থেকে গল্পগুলোকে আলাদা করে সেখান থেকে নির্বাচনের নতুন প্রক্রিয়া শুরু হয় খানিকটা গোপনীয়ভাবে। কয়েকজন ব্লগারের সমন্বয়ে একটি গ্র“প খোলা হয় যেখানে শুধু মাত্র ওই কয়েকজনই প্রবেশ করতে পারবেন, অন্যরা নন। অর্থাৎ হাজার হাজার ব্লগারের প্রাথমিক মনোয়নয়ন শেষে চূড়ান্ত নির্বাচনের জন্য বিষয়টিকে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয় কয়েকজন ব্লগারের মধ্যে। তারা যথাসময় তাদের মতামত ও নির্বাচন জানিয়ে দেন। মজার ব্যাপার হলো- পুরো ব্যাপারটিই ঘটে অনলাইনে। এই সম্পাদক ও নির্বাচকরা পরস্পরের সঙ্গে একবারও মুখোমুখি বসেননি, পরস্পরকে তারা চেনেনও না, এমনকি বইটি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও এর সম্পাদককে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে দেখা যায়নি! যাহোক, নির্বাচন শেষে সম্পাদক নিজেই বইটির চূড়ান্ত রূপ দেন- অর্থাৎ প্রুফ দেখা, মেকাপ দেয়া ইত্যাদি শেষে তিনি পাণ্ডুলিপির সফটকপিটি পাঠিয়ে দেন প্রকাশকের কাছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, প্রকাশকও নাকি এই সম্পাদককে আজতক দেখেননি! এরকম অভূতপূর্ব উপায়ে যে একটি বই প্রকাশিত হতে পারে, সেটি বিশ্বাস করাই কঠিন। ঘটনাক্রমে গল্প-নির্বাচকদের মধ্যে আমি নিজেও একজন ছিলাম বলে এর পূর্বাপর দেখার সুযোগ হয়েছে। এই পুরো বিষয়টি নিয়ে সংক্ষেপে সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে- ‘মুক্ত গণমাধ্যমের মুক্ত মতামত কেমন হতে পারে, সে ধারণা আমাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু মুক্ত গণমাধ্যমের সাহিত্য- গল্প, কবিতা, উপন্যাস- তাও কি সম্ভব? সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ব্লগের নির্বাচিত লেখা নিয়ে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল ‘অপরবাস্তব’।... এবার বিষয় হিসেবে নির্বাচন করা হয়- গল্প। এজন্য ব্লগারদের কাছ থেকে মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছিল গত বছরের নভেম্বরে। একমাসেরও বেশি সময় ধরে মনোনয়ন গ্রহণের পর নির্বাচিত গল্পগুলো ব্লগারদের সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাচক প্যানেলের কাছে পাঠানো হয়। একমাস ধরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৫টি গল্প চূড়ান্ত হয়, যা স্থান পেয়েছে এই সংকলনে। এর বাইরেও বেশ কিছু ভালো গল্প থেকে গেছে, দুর্মূল্যের বাজারে কলেবর বৃদ্ধির শঙ্কায় যা আমরা বইয়ে স্থান দিতে পারিনি। বলাবাহুল্য, এই সংকলনের গল্পকাররা ব্লগার, পাঠকরাও তেমনি, এমনকি পুরো এক বছরের গল্প থেকে যারা মনোনয়ন দিয়েছেন, সম্পাদনা যারা করেছেন, এমনকি যিনি প্রকাশক- সবার পরিচয় একটিই- ব্লগার।’

এবার গল্প প্রসঙ্গ। এই বইটিতে যাদের গল্প গ্রন্থিত হয়েছে তারা প্রধানত তরুণ গল্পকার এবং এদের অধিকাংশই গল্প লেখা শুরু করেছেন মাত্র দু-তিনবছর আগে। ব্লগই তাদের প্রথম গল্প-প্রকাশ মাধ্যম। পত্রপত্রিকায় অনেকেরই আজ পর্যন্ত কোনো লেখাই ছাপা হয়নি। লেখকদের তালিকাটিতে একবার চোখ বুলিয়ে দেখলে ব্যাপারটা আরো ভালোভাবে বোঝা যাবে- অনীক আন্দালিব, আবদুর রাজ্জাক শিপন, আবু কায়েস কুন্তল, একরামুল হক শামীম, কৌশিক আহমেদ, তানজিলা আফরিন, তারিক স্বপন, তানভীরুল ইসলাম, নুশেরা তাজরীন, নিবিড় ইসলাম, ফাহমিদুল হক, মনজুরুল হক, মাজুল হাসান, মাহবুব লীলেন, মাহবুব শাহরিয়ার, মাহমুদ আরিফ, মোস্তাফিজ রিপন, রন্টি চৌধুরী, লাবণ্য প্রভা, শফিউল আলম ইমন, সাইফুল ইসলাম ও সুমন রহমান। এদের মধ্যে ফাহমিদুল হক, মনজুরুল হক, মাজুল হাসান, মাহবুব লীলেন, লাবণ্য প্রভা ও সুমন রহমান ছাড়া অন্য সবাই মূলধারার পাঠকদের কাছে অপরিচিত নাম, যদিও ব্লগে তারা যথেষ্ঠই খ্যাতিমান। যাহোক, এই তরুণতর লেখকদের লেখাগুলোকে আমরা কীভাবে বিচার করবো? আমি নিজে সবসময়ই তরুণদের লেখাকে একটু ঔদার্যের সঙ্গে গ্রহণ করতে চাই। এমনিতেই তাদের অনেক বিপদ- প্রথমত একটা লেখাকে অন্তত লেখার মর্যাদায় নিয়ে যাওয়াই এক বড় বিপদ, তারপর লেখা প্রকাশ করা, প্রকাশিত হওয়ার পর সেটা পাঠকের কাছে পৌঁছানো, পৌঁছলো তো সেটা সম্বন্ধে দু-চারজন দরদী পাঠকের প্রতিক্রিয়া পাওয়া- সবই একজন তরুণ লেখকের জন্য কঠিন কাজ। তারচেয়ে বিপদজনক ব্যাপার হলো- একজন তরুণ লেখকের কাছ থেকে পাঠকরা সবসময় নতুন কিছু চায়। প্রশ্ন হচ্ছে এই পাঠকরা একজন তরুণের কাছে নতুন কিছু চায় কেন? এই প্রত্যাশার কারণ কি? কারণটা সম্ভবত এই যে, পাঠকরা বুড়ো লেখকদের লেখা পড়তে পড়তে ক্লান্ত-বিরক্ত (বিধ্বস্তও বলা যেতে পারে) হয়ে পড়েন। পুনরাবৃত্তির ভারে আক্রান্ত প্রবীণ লেখকদের লেখা নতুনত্বের সন্ধানী পাঠককে তো বটেই এমনকি স্বয়ং ওই লেখকদেরকেও ত্যক্তবিরক্ত করে তোলে। তরুণরা নতুন চিন্তা করবে, নতুন কথা বলবে কিংবা পুরনো কথাই এমনভাবে বলবে যেন নতুনের মতো শোনায়- এ-তো স্বাভাবিক প্রত্যাশ্যা। বিষয়গুলো বুঝেও এদের লেখায় আমি নতুন কিছু খুঁজে পেতে চেয়েছি। পাওয়া কি গেলো? হ্যাঁ, গেলো। প্রমাণ হিসেবে আপনি মাত্র তিন/চারটে গল্প পড়ে দেখতে পারেন। অনীক আন্দালিব, তারিক স্বপন, তানভীরুল ইসলাম, বা মোস্তাফিজ রিপন- এই যে অপরিচিত নামগুলো, তাদের গল্পগুলো পড়লে আপনি নিশ্চিতভাবেই বিস্মিত হবেন। গল্পের বিষয়, নির্মাণকৌশল, ভাষাভঙ্গি, শব্দের ব্যবহার, বাক্যগঠনের ধরণ ইত্যাদি দেখে আপনি বুঝতেই পারবেন না, এগুলো গুলো তরুণ গল্পকারের প্রথমদিকের গল্প- এমনি মনকাড়া সেগুলো। শুধু এদের কথাই বলি কেন! বয়সে এদের চেয়ে একটু বড়ো কৌশিক আহমেদ এবং নুশেরা তাজরীনের গল্প দুটোও কি মন কেড়ে নেবে না পাঠকের! নুশেরার নিখুঁত ভাষাজ্ঞান, নির্ভুল শব্দচয়ন ইত্যাদি আমাকেও অনেক সময় ধাঁধায় ফেলে দিয়েছে। মনে হয়েছে, বাংলাভাষাটি এত ভালোভাবে আমিও শিখিনি। সাইফুল ইসলাম, তানজিলা আফরিন, একরামুল হক শামীমের মতো অতি তরুণ লেখকেরাও আপনার দৃষ্টি কাড়বে, আমি নিশ্চিত। ব্লগে লেখার সুবাদে এই লেখকদের সবার সঙ্গেই আমি কমবেশি পরিচিত। শুধু গল্পই নয়, তাদের অন্য যে-কোনো ধরনের লেখাই যথেষ্ঠ চিন্তার খোরাক জোগায়। এই লেখকেরা পত্রপত্রিকায় লেখেন না বলে, বা লিটল ম্যাগাজিনের গোষ্ঠীবদ্ধতা তাদের নেই বলে বৃহত্তর পাঠক সমাজের কাছে তাদের নাম পৌঁছায়নি বটে, তবে ভবিষ্যতেও পৌঁছবে না সেটা বলা যায় না। বাংলাদেশের খুব কম সংখ্যক মানুষ এই মুহূর্তে ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করতে পারে। আবার যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে তারা ‘ব্লগ’ ব্যাপারটার সঙ্গে একবারেই পরিচিত নন। তবে ব্লগের ক্রমবর্ধমান বিকাশ দেখে মনে হচ্ছে, ক্রমশই এই বিষয়টি তরুণ সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। যারা কোনোদিন লেখার কথা ভাবেনওনি, তারাও হয়তো লিখতে শুরু করেছেন। লিখতে লিখতেই শিখে গেছেন, আলোচনা সমালোচনা উপদেশ পরামর্শ তাদেরকে ধীরে ধীরে গড়ে তুলছে। আর এখানেই ব্লগ অন্যান্য যে কোনো মাধ্যমের থেকে আলাদা ও অধিকতর আকর্ষণীয়। সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এখানে একজন লেখকের গড়ে ওঠার প্রাথমিক কাজটি সম্পন্ন হয়।

আরেকটি প্রসঙ্গ বলে এই রচনার ইতি টানবো। ব্লগে এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ লেখক ছদ্মনামে লেখালেখি করেন। বাংলা-ব্লগের প্রাথমিক বিকাশের সময় এটিকেই সবচেয়ে দূর্বল ও তিকর দিক বলে মনে হয় আমার। ছদ্মনামে লেখেন বলে অনেকেই (সবাই নন) এই মাধ্যমটির অপব্যবহারও করেন। আর সেজন্যই ব্লগ বিষয়টি যতোখানি আকর্ষণীয় হবার কথা ছিলো ততোখানি হয়নি। অপরবাস্তব প্রকাশের সময় গল্প-লেখকরা তাদের ছদ্মনামের বদলে প্রকৃত নাম ব্যবহার করে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন, এবং এটি নির্বাচক-পর্ষদেরই সিদ্ধান্ত ছিলো। তাদেরকে সাধুবাদ। তবে বইটির সম্পাদক এখন পর্যন্ত ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেলেন। তিনি কোনোভাবেই নিজের পরিচয় প্রকাশে আগ্রহী নন!
অপরবাস্তব যারা পড়তে চান তারা আজিজ মার্কেটের দোতলায় ‘কিংবদন্তি’তে খোঁজ নিতে পারেন।
-
অপরবাস্তব
সম্পাদক : লোকালটক
প্রকাশক : রাশেদ হাফিজ, ছাপাকল।
মূল্য : ১০০ টাকা।

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): banglablogবাংলা ব্লগbangladeshdhakabangla blogsomewherein...blogsomewhereinblogFusion5fusion fiveahmad mostafa kamalbook reviewboier jagatoporbastoboporbastablocaltalk ;
প্রথম প্রকাশ

যমুনা গ্রুপের মদ বাজারজাত করার জন্য দৈনিক যুগান্তর এবং তার মালিক নুরুল ইসলাম বাবুল এখন প্রায় উন্মাদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। দৈনিক যুগান্তর এখন শ্রেফ দেশী মদের প্রচারণাপত্রে পরিণত হয়েছে। মাদকস্থানীয় বলে বছরকয়েক আগে যমুনা গ্রুপের বিয়ার 'হান্টার' নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার। পরে বিস্তর টাকা ঢালার পর অনুমোদন দেওয়া হলেও খোলাবাজারে হান্টারের বিক্রি অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপরই যমুনা গ্রুপ বিভ্ন্নি অভিজাত ক্লাব ও মাদকের আখড়াগুলোকে টার্গেট করে। কেউ 'হান্টার' কিনতে অসম্মত হলেই 'অমুক জায়গায় বিদেশী মদের ছড়াছড়ি' শীর্ষক প্রতিবেদন ছাপা হতে থাকে যুগান্তরে। প্রকৃতপক্ষে এ হচ্ছে সুনির্দিষ্ট বিদেশী মদকে হটিয়ে যমুনা গ্রুপের ব্র্যাণ্ডেড মদ বাজারজাত করার প্রচেষ্টা।

গত কয়েক মাস ধরে আমরা দেখছি, দেশী মদ বাজারে খাওয়ানোর কুত্তাপাগল এই অভিযানে যুগান্তরের লক্ষ্যবস্তু কখনো নির্দিষ্ট ক্লাব ও হোটেল (যেহেতু তারা যমুনা গ্রুপের মদকে অনুমোদন দিচ্ছে না), কখনো চোরাচালানের নির্দিষ্ট রুট (যেহেতু বিদেশী মদের মূল প্রবেশদ্বার সেখানেই এবং তাতে যমুনার মদের চাহিদা থাকে না), কখনো নির্দিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা (যেহেতু তারা যমুনা গ্রুপের পক্ষে কাজ করেন না), কখনোবা বিশেষ উৎসব (যেহেতু বিদেশী মদের সে এক বিশাল বাজার)। এমনকি যুগান্তর যখন থার্টি ফার্স্ট নাইটের রিপোর্ট করে, সেখানেও বিদেশী মদের প্রসঙ্গ আসে বিশেষভাবে। স্মরণ করা যেতে পারে, এর আগে যমুনা গ্রুপের একটি বিয়ার বাজারজাত করার জন্যও একই কাণ্ড করেছিলেন তিনি।

গত একমাসে যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর দিকে চোখ বুলোলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে আশা করি-
লক্ষ্যবস্তু যখন নির্দিষ্ট ক্লাব ও হোটেল
ঢাকা ক্লাবে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে শুল্কমুক্ত অবৈধ মদ-বিয়ার
চট্টগ্রামে বার-ক্লাবে বিদেশী মদ-বিয়ার বাণিজ্য রক্ষায় কোটি টাকার তহবিল
হোটেল জাকারিয়া অবৈধ মদ বিয়ারের হাট
ফুওয়াং ক্লাবের ডিসকোতে অশ্লীল নৃত্য : অবৈধ মদের রমরমা ব্যবসা
কয়েক দিন আগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম ক্লাব প্রতি মাসে অর্ধকোটি টাকার হান্টার কেনার শর্তে যমুনা গ্রুপের সঙ্গে সমঝোতায় এসেছে। ফলে এখন এই দুই ক্লাবের বিরুদ্ধে আর কোনো নেতিবাচক সংবাদ দেখা যাচ্ছে না যুগান্তরে।

লক্ষ্যবস্তু যখন চোরাচালানের নির্দিষ্ট রুট
অবৈধ মাদকের ছড়াছড়ি
চট্টগ্রামের পারকি ও পতেঙ্গা উপকূলে আসছে বিদেশী মদ-বিয়ারের চোরাচালান
মিথ্যা ঘোষণায় আসছে শত কোটি টাকার মদের চালান
যুগান্তর রিপোর্টের জের : কাস্টম কমিশনার নুরুল ইসলাম স্ট্যান্ড রিলিজ

লক্ষ্যবস্তু যখন রোজকার পুলিশী অভিযান
আনোয়ারা উপকূলে বিদেশী মদ বিয়ারের দুটি চালান আটক
মংলায় বিদেশী মদের বিশাল চালান আটক
রাজধানীতে বিদেশী মদ বিক্রির সময় গ্রেফতার ২

কাজে কাজেই বিদেশী মদ হটানো অভিযান শেষ হলে অচিরেই আমরা আশা করতে পারি, দেশীয় মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু কোম্পানির বিরুদ্ধে শীঘ্রই প্রতিবেদন আসতে যাচ্ছে যুগান্তরে। সবার ওপরে ব্যবসা সত্য, তাহার ওপরে কিছু নাই!

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): jugantordaily jugantornurul lslam babulhunter ;

প্রথম প্রকাশ

আমরা ভুক্তভোগী নই বলে ঠিক টের পাই না। কিন্তু ঢাকায় যারা বসুন্ধরা বা যমুনা গ্রুপ কিংবা অন্যান্য লুটেরা আবাসন প্রতিষ্ঠানের হাতে প্রতারিত হয়েছেন, তারাই শুধু জানেন এই প্রতারণা কতোটা ভয়াবহ। এক প্রবাসীকে জানি, একযুগ আগে হাড়ভাঙা পরিশ্রমে অর্জিত ২০ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন বসুন্ধরার কাছে, প্লট কেনার আশায়। পরে কিস্তি হিসেবে পরিশোধ করেছিলেন আরো টাকা। কিন্তু বসুন্ধরা পরে সেই প্লট তিনগুণ দামে অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। শেষমেশ সেই প্রবাসী দেনদরবার করছিলেন মূল টাকাটা ফেরত পাওয়ার জন্য- এই খবর জানতাম। আর খোঁজ নেওয়া হয়নি পরে।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর খোদ প্রভাবশালী মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ভূমিদস্যুতা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'তাদের হাত অনেক লম্বা।' আমরাও জানতাম, আসলেই লম্বা। ফলে এদের বিরুদ্ধে কোথাও কিছু বলা যায় না, লেখাও যায় না এবং প্রকৃতপক্ষে ভূমিদস্যুতার খুব একটা বিচারও নেই। কিন্তু কদিন আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান হঠাৎ করেই রুখে দাঁড়ালেন ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে। মন্ত্রী বললেন, ‌"আপনারা পানিতে টাকা ঢাল, স্বপ্নের ঠিকানা নামে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করছেন। আপনারা ঘুমান কীভাবে? ছেলেমেয়েদের বিয়ে দেন কীভাবে? আপনাদের লজ্জা হয় না! বিষ খেয়ে আপনাদের মরতে ইচ্ছে করে না? অন্যের জমি নিজের নামে বিক্রি করেন, লজ্জা হয় না! এসব আমার কথা নয়। এগুলো পত্রপত্রিকায় সাংবাদিকেরা প্রকাশ করেছে।"
নাগরিক সমাজ ছাড়াও সরকারেরই আরেক মন্ত্রী স্বয়ং তাকে এজন্য অভিনন্দন পর্যন্ত জানিয়েছেন। অন্যদিকে অপমানিত ভূমিদস্যুরা, খবর পাচ্ছি, ওপরমহলে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন। ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে যে কোনো সময় সরিয়ে দেওয়া হতে পারে- এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। কুৎসা রটনার জন্য নিজেদের মালিকানাধীন পত্রপত্রিকাগুলো ইতিমধ্যে আদাজল খেয়ে লেগেছে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। থেমে নেই অসৎ সাংবাদিকরাও। আমাদের সময় সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান আজকে লিখেছেন - "গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান মনে হয় একটু বেসামাল হয়ে পড়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে অন্তত দুবার শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন।" হায়, এমন নির্লজ্জ লোকও কি হয়, সামান্য কটা টাকার জন্য যে ভূমিদস্যুদের দালালি করে আর শিষ্টাচার শেখায়!

পত্রিকার প্রথম পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। নাঈমুল ইসলাম খান গত মাসখানেকে সেই জায়গার কীরকম ব্যবহার করেছেন এবং কতোটা নির্লজ্জতার পরিচয় দিয়েছেন, দেখুন একনজর-

একজন নুরুল ইসলাম বিএসসি বড় কাজে লাগানো উচিত ছিল
Kool Shaving Cream উন্নয়নের ২০ বছর
কিউট আফটার শেভ লোশন ব্যবহার করছি
নাঈমুল ইসলাম খান সপরিবারে কানাডায়
সানিডেইল স্কুল প্লে গ্র“প শো অতুলনীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
কানাডার টরন্টোয় স্থানীয়দের সংবর্ধনা পেলেন নাঈমুল ইসলাম খান
নাঈমুল ইসলাম খান জাপান সফরে গেছেন
মালয়েশিয়ায় একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে নাঈমুল ইসলাম খান
দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক ওয়ার্ল্ড নিউজপেপার কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন
দৈনিক আমাদের সময়ে বিজ্ঞাপনমূল্য যুক্তিসঙ্গত করা অত্যন্ত জরুরি
মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমানকে ঝওজওটঝ জরিপ বিষয়ে খোলা চিঠি
নির্বাহী সম্পাদক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (তাও একেবারে নিজের নামে লেখা)

আগের দুটি পোস্ট
খবরটি দেখে কেন যেন বুক ফেটে কান্না আসছে!
নাঈমুল ইসলাম খানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবেদন!

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): kool shaving creambashundharashah alamnayeemul islam khannayemul islam khannaimul islam khanamader shomoybangla daily newspaper ;

প্রথম প্রকাশ