Showing posts with label mobile. Show all posts
Showing posts with label mobile. Show all posts
আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া - বিমানবন্দরে শরীর স্ক্যান করার ঘটনায় ক্ষুব্ধ অনেকেই। অনেকের জন্যই এ এক নিদারুণ বিড়ম্বনার নাম। আবার অন্যের নগ্ন ছবি দেখা কিংবা ফাঁকতালে একটু খোলামেলা ছবি উঠিয়ে নেওয়ার মতো উৎসাহী লোকেরও অভাব নেই। এই ধারায় অ্যাপল বিশাল এক 'সুবিধা' নিয়ে এসেছে তাদের আইফোনে। ন্যুড ইট নামের এক সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিশেষ কিছু নিয়ম অনুসরণ করে যে কারো নগ্ন ছবি তোলা যাবে। কিছুদিন আগে তারা আইফোনভিত্তিক এই সফটওয়্যারকে প্রয়োজনীয় অনুমোদনও দিয়েছে। অ্যাপলের আইটিউন স্টোর থেকে সফটওয়্যারটি এখনই ডাউনলোডও করা যাচ্ছে। সফটওয়্যারটির কার্যধারা অনুযায়ী যেখান-সেখান থেকে যখন-তখন ছবি তুললে 'কাঙ্ক্ষিত জিনিস' পাওয়া যাবে না। সফটওয়্যারের প্রণেতারা বলছেন, নগ্ন ছবি পেতে হলে ছবি তুলতে হবে অবশ্যই সাড়ে ছয় ফুট দূরত্ব থেকে এবং যথারীতি আইফোন ব্যবহার করে। ছবি তোলার পর সফটওয়্যারই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করে পোশাক বাদ দিয়ে দেবে। তবে এই পর্যায়ে এখনই আনন্দে আটখানা হওয়া ঠিক হবে না। পাপিষ্ঠ জালেম প্রোগ্রামাররা ছবি থেকে পোশাক বাদ দেওয়ার সহজ সুযোগ রাখলেও আণ্ডারওয়্যার অপসারণের কোনো অপশন রাখেনি।
যুবসমাজের আগ্রহ আর সুযোগ-সুবিধার দিকে কোনো বান্দারই আসলে নজর নেই, ধুত্তুরি!
সফটওয়্যারটির নমুনা দেখুন ইউটিউবে-
সফটওয়্যারটি সম্পর্কে বিশদ জানুন এইখানে
সি-নেটে এই সংক্রান্ত খবর পড়ুন এইখানে
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ :
নগ্নতার সপক্ষে এটা প্রচারণাগোছের কিছু নয়, প্রযুক্তির গতিধারা বিশ্লেষণই মূল উদ্দেশ্য।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): nudeit, apple, apple iphone, iphone, iphone software, iphone application, iphone app, iphone nude it, nude it ;
প্রথম প্রকাশ
আমি গত প্রায় ১০ দিন ধরে ভয়াবহরকম ধীরগতি পাচ্ছি। দু দুবার যোগাযোগ এবং পীড়াপীড়ির পর সপ্তাহখানেক আগে হেল্পলাইন থেকে স্বীকার করেছিল, কোনো কোনো জায়গায় তারা নাকি 'কার্ড' দিয়ে চালাচ্ছে। ফলে ইন্টারনেট একটু সমস্যা সৃষ্টি করছে। 'কার্ড দিয়ে' মানে যে আসলে কী, ঠিক বুঝিনি। শব্দটি আদৌ 'কার্ড' কিনা সেটাও নিশ্চিত নই। তবে বুঝতে পারছিলাম, কোনো একটা সমস্যা চলছিল তাদের। আজ পক্ষকাল পার হলেও উন্নতি কিছু দেখলাম না। সামহোয়্যারের পেইজগুলো খুলতে রীতিমতো পরিশ্রম করতে হচ্ছে।খুব বেশি সংখ্যক গ্রাহককে সামাল দিতে গিয়ে গ্রামীণফোন কি ইউজারদের একটি অংশের সঙ্গে প্রতারণা করছে? ব্লগারদের মধ্যে যারা গ্রামীণফোন ইন্টারনেটের ইউজার, তাদের কী অবস্থা?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): grameenphone, gp, grameen phone, mobile internet, edge, gprs ;
প্রথম প্রকাশ
ইন্টারনেট ব্যাপারটা সিগারেটের মতো। ছাড়তে চাইলেও ছাড়া যায় না। গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকে। অথচ ওইটুকু নিয়েই হাজারো ঝামেলা। পাড়ার ব্রডব্যান্ড সেই শুরু থেকেই বিশ্রী এক 'ফ্রডব্যান্ড'। লাইন-টাইন নিয়ে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। ওদিকে ডায়ালআপের গতি কচ্ছপকে হার মানিয়ে দেবে যে কোনো অবস্থাতেই। উপায়হীন আমাদের সামনে শেষ ভরসা হয়ে এসেছিল মোবাইল ইন্টারনেট। তার ভেতরে আবার একটেল, বাংলালিংক কিংবা ওয়ারিদের ওপর ভরসা করার মতো অবস্থা কোনোকালেই ছিল না। গ্রামীণফোন পিওর বেনিয়া। তুলনামূলক ভালোই করছিল তারা। হাজারো ঝুটঝামেলার পরও দরিদ্র দেশের মানুষ গ্রামীণের ইন্টারনেটের ওপর হামলে পড়তে দ্বিধা করেনি। তারপর দিনে দিনে তাদের সেবার মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, মানুষ উপায়হীন। আমি নিজে এর আগে দু দুবার গ্রামীণফোনকে বিদায় জানানোর চেষ্টা করেছিলাম। লিখে-টিখে, ক্যারিকেচার-টেচার করে ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেছি বারকয়েক। লাভ তাতে হয়নি তেমন। আবার ফিরতে হয়েছে সেই হারামীর ফোনে। গ্রামীণ ব্যবহার করে গ্রামীণকে গাল দেওয়াটা কপটতার পর্যায়ে পড়ে, 'আর কিছু নাই বলে জিপিতে আছি' ধরনের যতো অজুহাতই থাকুক না কেন।তক্কে তক্কে ছিলাম সুতরাং! নজর ছিল বরাবর বিটিসিএল ব্রডব্যান্ডের দিকে। তবে বিটিসিএলের সমস্যা একটিই- প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে মানুষের ভীতি। সেই ভীতি কাটাতে আমারও সময় লেগেছে যথেষ্ট। ওই ভীতি কাটাতে দেখছি, তারা নিজেরাও মোটামুটি সচেষ্ট। ইএমএম সিস্টেমস নামের একটি কম্পানি এখন বিটিসিএলের হয়ে কাজ করছে। শিক্ষিত লোকজন কাজ করছে সেখানে। গ্রাহক প্রান্তে সংযোগ দেওয়ার প্রায় সব কাজই তারা করছে। সুযোগ যখন এল, বিটিসিএল থেকে একটি ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে নিলাম। মাসখানেক লাগবে ভেবেছিলাম। কিন্তু সংযোগ পেয়েছি সপ্তাহখানেকের মধ্যেই। চুক্তিপত্র-ডিমান্ড নোট-ফোট লাগবে ভেবেছিলাম। সেসব লাগেনি। জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রতিলিপি, সর্বশেষ পরিশোধিত টেলিফোন বিলের কপি, দু কপি ছবিই শুধু লেগেছে। খরচ বলতে, চার পোর্টের ইউটি স্টারকম এডিএসএল মডেমের দাম নিয়েছে ৪২০০ টাকা, সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন চার্জ ৫০০ টাকা, সেটআপ ও কনফিগারেশন চার্জ ৬০০ টাকা। সবমিলিয়ে ৫৩০০ টাকা। ১২৮ কেবিপিএস সংযোগের জন্য মাসে দিচ্ছি সাড়ে ৮০০ টাকা।বলতে দ্বিধা নেই, খুবই দ্রুতগতির সংযোগ। কিছুক্ষণ আগে একটি টিভি ধারাবাহিকের ৩০টিরও বেশি পর্ব ডাউনলোড করতে সময় লাগল মাত্র ঘন্টাখানেক। ফাইল প্রপার্টিজে গিয়ে দেখি, মোট আকার ১.১৩ গিগাবাইট। ইউটিউবের লিংকে ক্লিক করে এখন দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলতে হয় না। ভাবা যায়! এবার জোর গলায় বলে দিতে পারি, হারামীর ফোন আর না। কিছুতেই না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): grameenphone, gp, grameen phone, btcl, bttb, btcl adsl, btcl broadband, mobile internet, edge, gprs ;
প্রথম প্রকাশ
আর ভালো লাগে না। মোবাইল কোম্পানিগুলোর হাতে প্রতারিত হয়েছি বহুবার। আশেপাশের অনেককেও দেখেছি প্রতারিত হতে। প্রতারণায় সবার শীর্ষে নিঃসন্দেহে গ্রামীণফোন। একটেল-সিটিসেলও কম নয় প্রতারণায়। গ্রামীণফোন তার এক কোটি গ্রাহকের কাছ থেকে একটি টাকাও যদি মেরে নেয়, ওই এক সেকেণ্ডে গ্রামীণের পকেটে ঢোকে এক কোটি টাকা। বাংলাদেশই সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যেখানে মোবাইল কোম্পানির হেল্পলাইনে কথা বলতে গেলে মিনিটে কাটে তিন কি চার টাকা। আজব একটা দেশ!






লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গ্রামীণ, গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক, বাংলা লিংক, সিটিসেল, একটেল, টেলিটক, মোবাইল, ওয়ারিদ, বাংলাদেশ, লোগো, grameen, grameenphone, grameen phone, banglalink, banglalink, citycell, aktel, mobile, warid, telecom, bangladesh, logo, teletalk, tela talk ;
প্রথম প্রকাশ
আজ সকালেও ৯০০ টাকা লোকসান গুণতে হল। সেই দুঃখে এই মোবাইল সমগ্র। কয়েকটা আগে বানিয়েছিলাম, ছিটিসেল-ভাঙালিংকেরটা আজ বানালাম। ফুল্লি ফালতু!






লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গ্রামীণ, গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক, বাংলা লিংক, সিটিসেল, একটেল, টেলিটক, মোবাইল, ওয়ারিদ, বাংলাদেশ, লোগো, grameen, grameenphone, grameen phone, banglalink, banglalink, citycell, aktel, mobile, warid, telecom, bangladesh, logo, teletalk, tela talk ;প্রথম প্রকাশ
গুগলের এন্ডরয়েড এসে হালকা চ্যালেঞ্জ জানালেও উইন্ডোজ মোবাইলের বাজারে তার আঁচ লাগেনি মোটেও। এইচটিসি থেকে শুরু করে সনি এরিকসনের এক্সপেরিয়া বলুন, কিংবা স্যামসাংয়ের ওমনিয়া - সবই উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম চলছে। এর বাইরে ঢাকার বাজারে শত শত স্মার্টফোন কিংবা পকেট পিসি আছে, যা উইন্ডোজ মোবাইল ওএসে চলছে। ফলে আমার ধারণা, দেশে উইন্ডোজ মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম নয়। শুরুতে এই মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক খুঁজেও বাংলায় কোনো কনটেন্ট পাইনি। এমনিতে হাবিজাবি মোবাইল সফটওয়্যারের পাহাড় আছে ইন্টারনেটে। বিভিন্ন সময়ে নিজে ব্যবহার করে ভালো লেগেছে- এমন সফটওয়্যারের মধ্য থেকে একটি নাতিদীর্ঘ রিভিউ থাকলো এখানে। সফটওয়্যারগুলো প্রধানত চলবে উইন্ডোজ মোবাইল ৫ ও ৬ সংস্করণে।
প্রথম প্রকাশ
য হোক, ব্লগে এর মূল্যায়ন হবে না জানি। একদিন হয়তো সরকারিভাবে মূল্যায়ন হবে- এই আশা নিয়ে পরিশ্রমলব্ধ এই পোস্ট-
মাইক্রোসফট ভয়েস কমাণ্ড
কি-বোর্ড কিংবা বাটন স্পর্শ না করেই কেবল মুখে নির্দেশ দিয়ে আপনি ফোন করতে পারবেন, ফোনবুকের যে কোনো নম্বরে (যেমন call kuddus on mobile বা call opi karim at home) ফোন করা যাবে সরাসরি। এছাড়া মুখে নির্দেশ দিয়ে প্রোগ্রাম খুলতে পারবেন, ক্যালেন্ডারে নতুন এন্ট্রি যোগ করতে পারবেন, গান চালাতে পারবেন। এটা কাজ করে, তবে মোবাইলকে ইনগেজি উচ্চারণ বোঝাতে গিয়ে বেশ নাজেহাল হচ্ছি।
লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
আইফোন টুডে
উইন্ডোজ মোবাইলে ডেস্কটপ বা টুডে স্ক্রিনটা সম্পূর্ণ আইফোনের মতো দেখাবে। বাটনগুলো ইচ্ছেমতো সাজানোও যায়। কাজও করে ভালোই। এখন ১.৩ সংস্করণ চলছে আইফোন টুডের।
ধরন : থিম | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
রেসকো অডিও রেকর্ডার
বিনামূল্যের কিছু অডিও রেকর্ডার আছে বটে, যেমন মটোব্লাস্ট পিএমরেকর্ডার, তবে রেসকো অডিও রেকর্ডার তুলনাহীন। নিঃশব্দে সমস্ত ফোনকল রেকর্ড হয়ে যায়। আবার চাইলে আপনি যে কোনো কিছু রেকর্ডও করতে পারবেন।
ধরন : অডিও রেকর্ডার | লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
সেভেন-জিপ
উইন্ডোজের অতি পরিচিত আর্কাইভিং টুল সেভেন-জিপের মোবাইল ভার্সন বেরিয়েছে সম্প্রতি। সরাসরি মোবাইলেই যে কোনো ফাইল জিপ করা যাবে। আছে আরো নানা ফিচার।
ধরন : আর্কাইভিং টুল | লাইসেন্স : ওপেনসোর্স | ডাউনলোড লিংক
লিভিংসফট টকিং ডিকশনারি (ইংরেজি থেকে বাংলা)
খুবই কাজের এবং পূর্ণাঙ্গ অভিধান এটি। একটি সম্পূর্ণ বাংলা কি-বোর্ডও আছে সঙ্গে।
ধরন : অভিধান | লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ১ | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ২
স্কাইপি মোবাইল
স্কাইপি থেকে স্কাইপিতে কল এবং চ্যাট করা যায়। এমনকি এর মাধ্যমে যে কোনো ফাইলও পাঠানো যায়।
ধরন : টেলিফোনি, ম্যাসেঞ্জার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
গুগল ম্যাপস
যে কোনো স্থানের ম্যাপ, স্যাটেলাইট ভিউ, হাইব্রিড, এমনকি স্ট্রিট ভিউও অনায়াসে দেখা যায়। আছে চমৎকার জিপিএস সুবিধাও।
ধরন : ম্যাপিং | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
মাইক্রোসফট মাই ফোন
ফোনের সবকিছু ব্যাকআপ রাখা যায় মাইক্রোসফটের সার্ভারে। ফোনবুক থেকে এসএমএস, ছবি থেকে মেমোরি কার্ডের সাধারণ ফাইলও। ফোন হারিয়ে গেলে সেটাও শনাক্ত করার ব্যবস্থা আছে এতে। ঝামেলামুক্ত ও দ্রুতগতির।
ধরন : ব্যাকআপ | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
সিম ম্যানেজার
ফোন নম্বর মোবাইল থেকে সিমে, আবার সিম থেকে মোবাইলে আনা-নেওয়া করা যায়। ব্যাকআপ রাখার ব্যবস্থাও আছে এতে।
লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ক্লিয়ার টেম্প
মোবাইলে জমে থাকা সব ধরনের টেম্পোরারি ফাইল এক ক্লিকে মুছে ফেলার জন্য বেশ কার্যকর।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
নিমবাজ
মোবাইল থেকে মোবাইলে ভয়েস কল, চ্যাট, ম্যাসেজিং সবই করা যায়।
ধরন : টেলিফোনি, ম্যাসেঞ্জার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ফেসবুক
বেশ দ্রুতগতিতে ফেসবুকের বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায় মাইক্রোসফটের তৈরি এই অ্যপ্লিকেশন থেকে। বন্ধুতালিকার যে কাউকে ম্যাসেজ পাঠানো যায়, কল করা যায়। ছবি বা ভিডিও তুলে সেটা ফেসবুকে আপলোড করা যায়। প্রোফাইল ম্যানেজ কিংবা পোস্টও করা যায়।
ধরন : সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
আইবিই মিউজিক প্লেয়ার
আমি বলবো, এটা উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার কিংবা কোর প্লেয়ারের ভালো বিকল্প। এমপিথ্রি থেকে ওয়েভ- সবই চলে।
ধরন : অডিও প্লেয়ার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ডট নেট কমপ্যাক্ট ফ্রেমওয়ার্ক ৩.৫
এটি শুধু পকেট পিসি ও স্মার্টফোনের জন্যই তৈরি। অনেক সফটওয়্যারই এটা ছাড়া চলে না।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
আলটিমেট থিফ এলার্ট
বারকয়েক পরীক্ষা করে মোবাইলের নিরাপত্তার জন্য আপাতদৃষ্টিতে এটাকে ভালো বলেই মনে হচ্ছে। মোবাইল হারানো বা চুরি হয়ে গেলে চোর শনাক্ত করার এতে বেশকিছু ব্যবস্থা রয়েছে। চোর সিম বদলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই এই সফটওয়্যার সেই সিমের নম্বর, তার কললিস্ট, এসএমএস- সবই আপনার পূর্বনির্ধারিত নম্বরে পাঠিয়ে দেবে। এত জিপিএসের মাধ্যমেও চোরের অবস্থান শনাক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে।
লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
এডবি ফ্লাশ প্লেয়ার
পিসিতে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের যা যা কাজ, তার সবই মোবাইলেও করা যাবে। এখন সপ্তম সংস্করণ চলছে এর।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
অ্যাক্রোবেট রিডার
যে কোনো পিডিএফ ফাইল চমৎকারভাবে পড়া যায়, এমনকি বাংলায়ও।
ধরন : পিডিএফ রিডার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
কোর প্লেয়ার
অডিও-ভিডিও যে কোনো ফাইল এই প্লেয়ারে চলে। মাল্টিমিডিয়া ফাইলের ব্যবস্থাপনাও এতে স্বচ্ছন্দে করা যায়।
ধরন : মাল্টিমিডিয়া | লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
অপেরা মোবাইল
পিসির মতোই মোবাইলেও অপেরা দ্রুতগতির। ব্রাউজারটি সম্পূর্ণ পিসির মতোই। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার আছে। উইজেটও আছে নানা ধরনের। এখন এর ৯.৭৭ বেটা সংস্করণ চলছে।
ধরন : ব্রাউজার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার (শুধু বেটা সংস্করণ) | ডাউনলোড লিংক
হ্যাপি ট্যাপিং কি-বোর্ড
যারা পকেট পিসির প্রচলিত সাদামাটা কি-বোর্ডে বিরক্ত, তাদের জন্য এই কি-বোর্ড। আইফোনের দৃষ্টিনন্দন কি-বোর্ডটিই যুক্ত করা যাবে পকেট পিসিতে।
ধরন : কি-বোর্ড | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
টাচপ্যাল কি-বোর্ড
এ পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে সরস কি-বোর্ড এটা। স্টাইলাসের বদলে এমনকি অঙ্গুলি স্পর্শ করেও চালানো যায় এই কি-বোর্ড। আছে নানান সুবিধা।
ধরন : কি-বোর্ড | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ডব্লিউ কে টাস্ক
ছোট্ট কিন্তু অসাধারণ একটি টুল। একটি প্রোগ্রাম লঞ্চার ছাড়াও এতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার রয়েছে।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার ডাউনলোড লিংক
টোটাল কমান্ডার
ফাইল কপি-পেস্ট-মুভ-রিনেম-জিপ-আনজিপ - এই সবকিছুই টোটাল কমান্ডার দিয়ে করা যায়। আছে রেজিস্ট্রি এডিটর, ফাইল ম্যানেজার, ফাইল সার্চের ব্যবস্থাও।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
জাভাভিত্তিক সফটওয়্যার
এসমার্টেক জে-বেড
জাভা ম্যানেজার। উইন্ডোজ মোবাইলে জাভা সমর্থন থাকে না। এর জন্য এসমার্টেক জে-বেড ইনস্টল করতে হয়। এটা ইনস্টল করার পর জাভাভিত্তিক যে কোনো টুল ইনস্টল করা যাবে।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ১ | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ২
বিশেষ নির্দেশনা : ডাউনলোড করার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ওই সাইটে।
অপেরা মিনি
বেটা ভার্সনটি বেশ দৃষ্টিনন্দন ও দ্রুতগতির। বিটম্যাপ ফন্টে যে কোনো বাংলা ওয়েবসাইটও স্বচ্ছন্দে দেখা যায় এতে। পাসওয়ার্ড ম্যানেজারও যুক্ত হয়েছে জাভাভিত্তিক এই সফটওয়্যারে।
ধরন : ব্রাউজার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
মাইক্রোসফট ভয়েস কমাণ্ড
কি-বোর্ড কিংবা বাটন স্পর্শ না করেই কেবল মুখে নির্দেশ দিয়ে আপনি ফোন করতে পারবেন, ফোনবুকের যে কোনো নম্বরে (যেমন call kuddus on mobile বা call opi karim at home) ফোন করা যাবে সরাসরি। এছাড়া মুখে নির্দেশ দিয়ে প্রোগ্রাম খুলতে পারবেন, ক্যালেন্ডারে নতুন এন্ট্রি যোগ করতে পারবেন, গান চালাতে পারবেন। এটা কাজ করে, তবে মোবাইলকে ইনগেজি উচ্চারণ বোঝাতে গিয়ে বেশ নাজেহাল হচ্ছি।
লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
আইফোন টুডে
উইন্ডোজ মোবাইলে ডেস্কটপ বা টুডে স্ক্রিনটা সম্পূর্ণ আইফোনের মতো দেখাবে। বাটনগুলো ইচ্ছেমতো সাজানোও যায়। কাজও করে ভালোই। এখন ১.৩ সংস্করণ চলছে আইফোন টুডের।
ধরন : থিম | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
রেসকো অডিও রেকর্ডার
বিনামূল্যের কিছু অডিও রেকর্ডার আছে বটে, যেমন মটোব্লাস্ট পিএমরেকর্ডার, তবে রেসকো অডিও রেকর্ডার তুলনাহীন। নিঃশব্দে সমস্ত ফোনকল রেকর্ড হয়ে যায়। আবার চাইলে আপনি যে কোনো কিছু রেকর্ডও করতে পারবেন।ধরন : অডিও রেকর্ডার | লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
সেভেন-জিপ
উইন্ডোজের অতি পরিচিত আর্কাইভিং টুল সেভেন-জিপের মোবাইল ভার্সন বেরিয়েছে সম্প্রতি। সরাসরি মোবাইলেই যে কোনো ফাইল জিপ করা যাবে। আছে আরো নানা ফিচার।
ধরন : আর্কাইভিং টুল | লাইসেন্স : ওপেনসোর্স | ডাউনলোড লিংক
লিভিংসফট টকিং ডিকশনারি (ইংরেজি থেকে বাংলা)
খুবই কাজের এবং পূর্ণাঙ্গ অভিধান এটি। একটি সম্পূর্ণ বাংলা কি-বোর্ডও আছে সঙ্গে।ধরন : অভিধান | লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ১ | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ২
স্কাইপি মোবাইল
স্কাইপি থেকে স্কাইপিতে কল এবং চ্যাট করা যায়। এমনকি এর মাধ্যমে যে কোনো ফাইলও পাঠানো যায়।
ধরন : টেলিফোনি, ম্যাসেঞ্জার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
গুগল ম্যাপস
যে কোনো স্থানের ম্যাপ, স্যাটেলাইট ভিউ, হাইব্রিড, এমনকি স্ট্রিট ভিউও অনায়াসে দেখা যায়। আছে চমৎকার জিপিএস সুবিধাও।
ধরন : ম্যাপিং | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
মাইক্রোসফট মাই ফোন
ফোনের সবকিছু ব্যাকআপ রাখা যায় মাইক্রোসফটের সার্ভারে। ফোনবুক থেকে এসএমএস, ছবি থেকে মেমোরি কার্ডের সাধারণ ফাইলও। ফোন হারিয়ে গেলে সেটাও শনাক্ত করার ব্যবস্থা আছে এতে। ঝামেলামুক্ত ও দ্রুতগতির।
ধরন : ব্যাকআপ | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
সিম ম্যানেজার
ফোন নম্বর মোবাইল থেকে সিমে, আবার সিম থেকে মোবাইলে আনা-নেওয়া করা যায়। ব্যাকআপ রাখার ব্যবস্থাও আছে এতে।লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ক্লিয়ার টেম্প
মোবাইলে জমে থাকা সব ধরনের টেম্পোরারি ফাইল এক ক্লিকে মুছে ফেলার জন্য বেশ কার্যকর।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
নিমবাজ
মোবাইল থেকে মোবাইলে ভয়েস কল, চ্যাট, ম্যাসেজিং সবই করা যায়।
ধরন : টেলিফোনি, ম্যাসেঞ্জার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ফেসবুক
বেশ দ্রুতগতিতে ফেসবুকের বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায় মাইক্রোসফটের তৈরি এই অ্যপ্লিকেশন থেকে। বন্ধুতালিকার যে কাউকে ম্যাসেজ পাঠানো যায়, কল করা যায়। ছবি বা ভিডিও তুলে সেটা ফেসবুকে আপলোড করা যায়। প্রোফাইল ম্যানেজ কিংবা পোস্টও করা যায়।ধরন : সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
আইবিই মিউজিক প্লেয়ার
আমি বলবো, এটা উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার কিংবা কোর প্লেয়ারের ভালো বিকল্প। এমপিথ্রি থেকে ওয়েভ- সবই চলে।
ধরন : অডিও প্লেয়ার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ডট নেট কমপ্যাক্ট ফ্রেমওয়ার্ক ৩.৫
এটি শুধু পকেট পিসি ও স্মার্টফোনের জন্যই তৈরি। অনেক সফটওয়্যারই এটা ছাড়া চলে না।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
আলটিমেট থিফ এলার্ট
বারকয়েক পরীক্ষা করে মোবাইলের নিরাপত্তার জন্য আপাতদৃষ্টিতে এটাকে ভালো বলেই মনে হচ্ছে। মোবাইল হারানো বা চুরি হয়ে গেলে চোর শনাক্ত করার এতে বেশকিছু ব্যবস্থা রয়েছে। চোর সিম বদলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই এই সফটওয়্যার সেই সিমের নম্বর, তার কললিস্ট, এসএমএস- সবই আপনার পূর্বনির্ধারিত নম্বরে পাঠিয়ে দেবে। এত জিপিএসের মাধ্যমেও চোরের অবস্থান শনাক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে।
লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
এডবি ফ্লাশ প্লেয়ার
পিসিতে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের যা যা কাজ, তার সবই মোবাইলেও করা যাবে। এখন সপ্তম সংস্করণ চলছে এর।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
অ্যাক্রোবেট রিডার
যে কোনো পিডিএফ ফাইল চমৎকারভাবে পড়া যায়, এমনকি বাংলায়ও।
ধরন : পিডিএফ রিডার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
কোর প্লেয়ার
অডিও-ভিডিও যে কোনো ফাইল এই প্লেয়ারে চলে। মাল্টিমিডিয়া ফাইলের ব্যবস্থাপনাও এতে স্বচ্ছন্দে করা যায়।
ধরন : মাল্টিমিডিয়া | লাইসেন্স : বাণিজ্যিক | বিকল্প ডাউনলোড লিংক
অপেরা মোবাইল
পিসির মতোই মোবাইলেও অপেরা দ্রুতগতির। ব্রাউজারটি সম্পূর্ণ পিসির মতোই। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার আছে। উইজেটও আছে নানা ধরনের। এখন এর ৯.৭৭ বেটা সংস্করণ চলছে।
ধরন : ব্রাউজার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার (শুধু বেটা সংস্করণ) | ডাউনলোড লিংক
হ্যাপি ট্যাপিং কি-বোর্ড
যারা পকেট পিসির প্রচলিত সাদামাটা কি-বোর্ডে বিরক্ত, তাদের জন্য এই কি-বোর্ড। আইফোনের দৃষ্টিনন্দন কি-বোর্ডটিই যুক্ত করা যাবে পকেট পিসিতে।ধরন : কি-বোর্ড | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
টাচপ্যাল কি-বোর্ড
এ পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে সরস কি-বোর্ড এটা। স্টাইলাসের বদলে এমনকি অঙ্গুলি স্পর্শ করেও চালানো যায় এই কি-বোর্ড। আছে নানান সুবিধা।
ধরন : কি-বোর্ড | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
ডব্লিউ কে টাস্ক
ছোট্ট কিন্তু অসাধারণ একটি টুল। একটি প্রোগ্রাম লঞ্চার ছাড়াও এতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার রয়েছে।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার ডাউনলোড লিংক
টোটাল কমান্ডার
ফাইল কপি-পেস্ট-মুভ-রিনেম-জিপ-আনজিপ - এই সবকিছুই টোটাল কমান্ডার দিয়ে করা যায়। আছে রেজিস্ট্রি এডিটর, ফাইল ম্যানেজার, ফাইল সার্চের ব্যবস্থাও।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
জাভাভিত্তিক সফটওয়্যার
এসমার্টেক জে-বেডজাভা ম্যানেজার। উইন্ডোজ মোবাইলে জাভা সমর্থন থাকে না। এর জন্য এসমার্টেক জে-বেড ইনস্টল করতে হয়। এটা ইনস্টল করার পর জাভাভিত্তিক যে কোনো টুল ইনস্টল করা যাবে।
ধরন : ইউটিলিটি | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ১ | বিকল্প ডাউনলোড লিংক ২
বিশেষ নির্দেশনা : ডাউনলোড করার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ওই সাইটে।
অপেরা মিনি
বেটা ভার্সনটি বেশ দৃষ্টিনন্দন ও দ্রুতগতির। বিটম্যাপ ফন্টে যে কোনো বাংলা ওয়েবসাইটও স্বচ্ছন্দে দেখা যায় এতে। পাসওয়ার্ড ম্যানেজারও যুক্ত হয়েছে জাভাভিত্তিক এই সফটওয়্যারে।
ধরন : ব্রাউজার | লাইসেন্স : ফ্রিওয়্যার | ডাউনলোড লিংক
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): windows mobile, software, freeware, pocket pc, smartphone, pda, windows, wm6, wm5, wm 2003, উইন্ডোজ মোবাইল, সফটওয়্যার, ফ্রিওয়্যার, পকেট পিসি, স্মার্টফোন, পিডিএ, উইন্ডোজ ;
প্রথম প্রকাশ
মনে আছে, প্রথম সিম কিনতে গিয়ে ফিলিপস ডিগা নামের একটি ডাগ্গা সেট কিনতে বাধ্য করেছিল গ্রামীণফোন। আমার কাঁদো কাঁদো অবস্থা দেখে এক অগ্রজ তার পুরনো সনি এরিকসনটির সঙ্গে ফিলিপস ডাগ্গা বদলাবদলি করেছিলেন। তখনও মোবাইলের কি-প্যাডে অভ্যস্থ হয়ে উঠিনি, এসএমএস পাঠাতে পারলেই যথেষ্ট খুশি থাকতাম। তারপর স্যামসাং, নকিয়া আরো কতো কী মডেল হাতে এল আর গেল।আমার শুধু নয়, সবারই আসছে চাহিদা বাড়ছে, দিনের পর দিন। মোবাইলে ক্যামেরা এল - ০.৫ মেগাপিক্সেলের সেই ক্যামেরা এখন ১০ মেগাপিক্সেলে (স্যামসাং) গিয়ে ঠেকেছে। ক্যামেরা আবার পিছনে থাকলেই শুধু চলছে না, সামনেও একটা থাকা চাই। ইন্টারনেট ব্রাউজার এল, চাহিদা এবার বাংলা ইউনিকোডের। ১০০ এন্ট্রির ফোনবুক এখন হাজার- দু হাজারে পৌঁছেছে। কাজে লাগুক না লাগুক জিপিএস থাকা চাই। কম্পিউটারের কি-বোর্ড মোবাইলে ঢুকে গেছে অনেক আগেই, পুরো সাইজটাই শুধু ঢুকতে বাকি। কদিন আগে বিজ্ঞাপন দেখলাম, ইসলামী মোবাইলও চলে এসেছে। ইসলামী থিম-টিম, ওয়ালপেপার আছে সেখানে। অবস্থা এমন যে, শীঘ্রই হয় টুথব্রাশের সঙ্গে মোবাইল সুবিধা যুক্ত হবে, নয়তো মোবাইলের এককোণেই একটা টুথব্রাশ জুড়ে দেওয়া হবে।
সবমিলিয়ে মোবাইল আর মোবাইল থাকছে না। এই জিনিস কোথায় গিয়ে থামতে পারে, তারই একটা ছক এঁকেছি ওপরের ছবিটায় । এই ছবি চায়নায় গেলে হয়তো চলতি বছরেই এই মডেলের মোবাইল চলে আসতে পারে বাজারে। আর মানবজমিন ও নিউনেশনের কোনো সাংবাদিকের চোখে পড়লে এটা লিড নিউজ হয়ে যেতে পারে!
টেলিটক সিমের প্যাকেটের গায়ে নাম্বার দেখে সকালেই আমি ১২৩৪-এ ফোন করি। ধরেন এক মহিলা। আমি সরাসরি টেলিটক ইন্টারনেটের কনফিগারেশন জানতে চাই। উত্তরে তিনি আচমকা আমার অবস্থান জানতে চান। ভাবি, টাওয়ার-ফাওয়ারের ব্যাপার হতে পারে হয়তো। আমি জানাই সবিস্তারে। মহিলা বলেন, আপনি কাইন্ডলি আমাদের বনানী অফিসে যান। অবাক হই, দু লাইনের কনফিগারেশনের জন্য অফিসে যেতে হবে? বলি, আপনি বরং বনানীর ফোন নাম্বারটা দিন। তিনি নাম্বার দিলেন। সেই নাম্বারে ফোন করতে গিয়ে শুনি, 'এই নাম্বারটি বর্তমানে খালি আছে।' উপায় না দেখে ঢুঁ মারি টেলিটকের ওয়েবসাইটে। পোড়া কপাল, সেটা ডাউন! এর আগের দিনও একই অবস্থা দেখেছিলাম। অতঃপর গুগলের ক্যাশ থেকে হেল্পলাইনের নাম্বার জোগাড় করি। সকালে কী দেখে বেরিয়েছিলাম, মনে পড়ছে না, দুটো নাম্বারই বন্ধ পেলাম। শনিবার যেহেতু, ভাবলাম হেল্পলাইনও নিশ্চয়ই ছুটিতে।
বনানী কাস্টমার সেন্টারে দু দণ্ড আলাপ
অনেক খুঁজেটুজে বনানী কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের একটা নাম্বারে ফোন করি। কেউ একজন ধরল, কন্ঠ শুনে মনে হল অল্পবয়সী। নিম্নলিখিত কথাবার্তা হল তার সঙ্গে।
- আমার পিসিতে ইন্টারনেট কানেকশন কিভাবে সেটআপ করবো, একটু বলবেন?
- উমমম...... আপনি পিসিস্যুট ইনস্টল করেন। কানেকশন পেয়ে যাবেন।
- পিসিস্যুট কোথায় পাওয়া যাবে?
- ইন্টারনেটে গুগল থেকে পাবেন।
- কনফিগারেশনটা কি ফোনে বলা যাবে?
- এগুলো আমাদের কাছে প্রিন্ট করা থাকে। আপনি আমাদের অফিসে আসলে পাবেন। ফোনে তো এতোকিছু বলা সম্ভব নয়, তাই না?
- ঠিক।
বিকেলে আবার কাস্টমার কেয়ারের ফোন
বিকেলে একটা নম্বর থেকে কল আসে-
- ভাই আপনি মিসকল দিয়েছিলেন?
- না তো! এটা কি টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার?
- হ্যাঁ।
- মিসকল তো না। কলই করেছিলাম। আপনি কি একটু হেল্প করতে পারেন ইন্টারনেট সেটআপ নিয়ে?
- বলুন কী সমস্যা?
- টাকা রিচার্জ করেছি। রেজিস্ট্রেশনও করেছি। রিপ্লাইও এসেছে। কিন্তু ইন্টারনেট তো অ্যাকটিভ হয় না।
- আপনি কী সেট ব্যবহার করেন?
- নকিয়া (মডেল নাম্বার বললাম)
- সমস্যা হল, এই মডেলের ফোনে টেলিটকের ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ভাইরাস চলে আসে।
- আমি এর আগে এই সেটে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ইউজ করেছি। সমস্যা তো হয়নি।
- এটা আমাদের টেলিটকে হয়। এইজন্য আমরা মানা করি। আপনি একটা কাজ করতে পারেন। ওয়ারিদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।
- সেটা কি ভালো হবে?
- হ্যাঁ, ভালো হবে। আচ্ছা, আপনি সাপোর্টের আরেকজনের সঙ্গে কথা বলেন।
- জ্বি ভাই, দেন। (এ পর্যায়ে আরেকজন এলেন)
- টেলিটকের স্পিড আসলে একটু কম। তবে সামনে আমাদের কিছু ভালো প্যাকেজ আসছে।
- আমি আনলিমিটেড ইউজ করতে চাই। কী করা যায়, বলেন তো ভাই?
- আনলিমিটেড চাইলে আপনি গ্রামীণের ৩৪৫ টাকার একটা প্যাকেজ আছে, ওইটা ব্যবহার করেন।
- হুমমম...... সেটাই হয়তো ব্যবহার করতে হবে। তবে ভাই একটা কথা বলি, টেলিটক কেন দাঁড়াচ্ছে না, ভবিষ্যতেও কেন দাঁড়াবে না এটা আজকে আমার জানা হয়ে গেছে।
কথা আর বাড়ালাম না। কারণ বুঝতে পারছিলাম, মন খারাপের মেঘ জমছে। ইন্টারনেটের জন্য নয়, দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে আত্মহননের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, কিভাবে অবলীলায় আত্মহত্যা করতে পারে- নিজের চোখে সেটা দেখেই মনটা খারাপ ছিল অনেকক্ষণ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): টেলিটক, মোবাইল ইন্টারনেট, জিপিআরএস, teletalk bangladesh, mobile internet, gprs ;
প্রথম প্রকাশ
বনানী কাস্টমার সেন্টারে দু দণ্ড আলাপ
অনেক খুঁজেটুজে বনানী কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের একটা নাম্বারে ফোন করি। কেউ একজন ধরল, কন্ঠ শুনে মনে হল অল্পবয়সী। নিম্নলিখিত কথাবার্তা হল তার সঙ্গে।
- আমার পিসিতে ইন্টারনেট কানেকশন কিভাবে সেটআপ করবো, একটু বলবেন?
- উমমম...... আপনি পিসিস্যুট ইনস্টল করেন। কানেকশন পেয়ে যাবেন।
- পিসিস্যুট কোথায় পাওয়া যাবে?
- ইন্টারনেটে গুগল থেকে পাবেন।
- কনফিগারেশনটা কি ফোনে বলা যাবে?
- এগুলো আমাদের কাছে প্রিন্ট করা থাকে। আপনি আমাদের অফিসে আসলে পাবেন। ফোনে তো এতোকিছু বলা সম্ভব নয়, তাই না?
- ঠিক।
বিকেলে আবার কাস্টমার কেয়ারের ফোন
বিকেলে একটা নম্বর থেকে কল আসে-
- ভাই আপনি মিসকল দিয়েছিলেন?
- না তো! এটা কি টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার?
- হ্যাঁ।
- মিসকল তো না। কলই করেছিলাম। আপনি কি একটু হেল্প করতে পারেন ইন্টারনেট সেটআপ নিয়ে?
- বলুন কী সমস্যা?
- টাকা রিচার্জ করেছি। রেজিস্ট্রেশনও করেছি। রিপ্লাইও এসেছে। কিন্তু ইন্টারনেট তো অ্যাকটিভ হয় না।
- আপনি কী সেট ব্যবহার করেন?
- নকিয়া (মডেল নাম্বার বললাম)
- সমস্যা হল, এই মডেলের ফোনে টেলিটকের ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ভাইরাস চলে আসে।
- আমি এর আগে এই সেটে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ইউজ করেছি। সমস্যা তো হয়নি।
- এটা আমাদের টেলিটকে হয়। এইজন্য আমরা মানা করি। আপনি একটা কাজ করতে পারেন। ওয়ারিদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।
- সেটা কি ভালো হবে?
- হ্যাঁ, ভালো হবে। আচ্ছা, আপনি সাপোর্টের আরেকজনের সঙ্গে কথা বলেন।
- জ্বি ভাই, দেন। (এ পর্যায়ে আরেকজন এলেন)
- টেলিটকের স্পিড আসলে একটু কম। তবে সামনে আমাদের কিছু ভালো প্যাকেজ আসছে।
- আমি আনলিমিটেড ইউজ করতে চাই। কী করা যায়, বলেন তো ভাই?
- আনলিমিটেড চাইলে আপনি গ্রামীণের ৩৪৫ টাকার একটা প্যাকেজ আছে, ওইটা ব্যবহার করেন।
- হুমমম...... সেটাই হয়তো ব্যবহার করতে হবে। তবে ভাই একটা কথা বলি, টেলিটক কেন দাঁড়াচ্ছে না, ভবিষ্যতেও কেন দাঁড়াবে না এটা আজকে আমার জানা হয়ে গেছে।
কথা আর বাড়ালাম না। কারণ বুঝতে পারছিলাম, মন খারাপের মেঘ জমছে। ইন্টারনেটের জন্য নয়, দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে আত্মহননের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, কিভাবে অবলীলায় আত্মহত্যা করতে পারে- নিজের চোখে সেটা দেখেই মনটা খারাপ ছিল অনেকক্ষণ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): টেলিটক, মোবাইল ইন্টারনেট, জিপিআরএস, teletalk bangladesh, mobile internet, gprs ;
প্রথম প্রকাশ
অনেকেই জানেন, মোবাইল কোম্পানিগুলোর মধ্যে ইন্টারনেট নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রতারণাটি করছে একটেল। এদের যে কী রকম নিম্নমানের ইন্টারনেট সেবা, ব্যবহার না করলে বোঝার উপায় নেই। মাসে ৩০ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ১০ দিন, অনেক সময় তারও বেশি সময় ইন্টারনেট সার্ভিস বন্ধ থাকছে নিয়ম করে। অথচ বকেয়া বিলের জন্য মিনিটে মিনিটে এসএমএস, প্রতি চারদিন পর পর সুকণ্ঠীর (ভুটকিই হবে!) ফোন- 'স্যার, আপনার বিল হয়েছে এতো টাকা...অতো পয়সা।' কিন্তু ইন্টারনেট সার্ভিসের নামে এই যে এতো এতো টাকা প্রতি মাসে নেওয়া হচ্ছে, সেটা বন্ধ থাকলে এসএমএস তো দূরের কথা, আপনি এমনকি অভিযোগও জানাতে পারবেন না। অভিযোগ জানানোর জন্য যে নম্বরটি (১২৩) আছে, সেখানে কল করলে প্রতিদিনই একই অবস্থা। কি রাত কি দিন সবসময়ই নাকি এদের কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভরা বিজি থাকে। ওই নম্বরে ফোন করলে তিন দফায় দীর্ঘ নির্দেশনা শোনার পর কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে কম্পিউটারের স্বয়ংক্রিয় কন্ঠে শোনা যায় 'দুঃখিত, এই মুহূর্তে আমাদের সকল কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভ ব্যস্ত আছেন! আপনাকে অপেক্ষা করতে হতে পারে ছয় মিনিট ২০ সেকেন্ড।' আমি একজনের কাছ থেকে জেনেছি, এই সময় প্রতি মিনিটে আড়াই টাকা করে চার্জ কাটা যায়। অবাক করার বিষয় হচ্ছে এই তথাকথিত ব্যস্ততা সবসময়ই আছে, যখনই ওই নম্বরে ফোন করি। হস্তমৈথুন ছাড়া এইসব কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভের ব্যস্ততার অন্য কোনো কারণ তো দেখি না। গ্রামীণফোনের পর পর খালি মাঠে দীর্ঘদিন থাকার পরও একটেল ক্রমাগত পিছনের দিকে হেঁটেছে। বরং অনেক পরে এসে এগিয়ে গেছে বাংলালিংক। জনতার বিচার আসলেই আলাদা জিনিস।
কিছুদিন আগে জেনেছি, একটেলের ইন্টারনেট সার্ভিসের গ্রাহক তেমন নেই। দিনের পর দিন নিম্নমানের সেবা আর প্রতারণা যে কোম্পানির অর্থ আয়ের উৎস, তার গ্রাহক থাকার কথা নয়। আমার মতো আরো কেউ কেউ আছেন, যারা এইসব প্রতারক মোবাইল কোম্পানির ফাঁদে পড়ে যায়। সকলের প্রতি অনুরোধ, প্রয়োজনে ইন্টারনেট ব্যবহার করাই বাদ দিন, তবুও একটেলের ইন্টারনেট সেবার ফাঁদে পড়বেন না।
খাঙ্ক ইর্পো!
ভারতীয় মালয়ালাম ভাষার একটি সুসম্ভাষণ
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): একটেল, ইন্টারনেট, মোবাইল, aktel, internet, mobile company ;
প্রথম প্রকাশ
সম্প্রতি আমার পুরো একমাসের ইন্টারনেট বিল গ্রামীণফোন হাপিস করে দিয়েছে। হাপিস হওয়ার এটা তৃতীয় ঘটনা। এর আগে একই কাণ্ড ঘটেছে আরো দুবার। তৃতীয় দফা ডাকাতির শিকার হওয়ার পর অনিচ্ছাসত্ত্বেও যোগাযোগ করি কাস্টমার কেয়ারে। অনেকক্ষণ অর্থহীন বাৎচিতের পর কর্তব্যরত কর্মী স্বীকার করলেন, ১৮ তারিখ বিল দিয়ে লাইন অ্যাকটিভ হওয়ার চার দিনের মাথায় আবার টাকা দেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। বিজনেস সলিউশনের ওই নাম্বার দিয়ে আমি শুধু ইন্টারনেটটাই ব্যবহার করি। ফোনকল-এসএমএস কিছুই করি না। করার কথাও নয়, কারণ সিমটি সবসময় মডেমের ভেতরেই ঢোকানো থাকে।কাস্টমার কেয়ারের সুকন্ঠী ভদ্রমহিলা সেই গঁৎবাধা পরামর্শই দিলেন যথারীতি- আইটেমাইজড বিল বের করে নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমি তাকে জানাই, টাকা মার গেছে। আপনি নিজেও বুঝতে পারছেন, গণ্ডগোল কিছু একটা হয়েছে। তাছাড়া আমার সময় নেই ম্যানেজারের কাছে ধর্না দেওয়ার। সবচেয়ে বড়ো কথা, এই মুহূর্তেই আমার ইন্টারনেট সংযোগ দরকার।
মেয়েটির কন্ঠে অপারগতা- তাহলে তো স্যার কিছুই করার নেই আমাদের।
আমার মেজাজ গেল চড়ে। আমি তাকে মুখের ওপর জানিয়ে দিলাম, গ্রামীণফোন হল ডাকাত। তারা গ্রাহকদের সঙ্গে ডাকাতিই করছে। মেয়েটি বলল, আপনি এতো বড়ো একটা কম্পানিকে ডাকাত বলছেন! আপনাকে এর প্রমাণ দিতে হবে। আমি বললাম, আমার নাম-ঠিকানা সবই আপনার চোখের সামনে। আমি দায়িত্ব নিয়ে গ্রামীণফোনকে ডাকাত বলছি। তাকে আবার জিজ্ঞেস করি, যে ফোন থেকে কোনো কল বা একটি এসএমএস পর্যন্ত করি না, ১৮ তারিখ সেই ফোনের বিল অগ্রিম পরিশোধ করার পরও ২২ তারিখে কেন আবার বিল দিতে হবে? মেয়েটি ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগের পুরনো গীত গেয়ে শোনায় পুনর্বার। আমি তাকে জানাই, যোগাযোগের সময় আমার নেই। ইচ্ছাও নেই।
মেয়েটি শেষমেশ আমাকে হুমকি দেয়, একটি নামকরা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আপনি যে ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজ করেছেন, সে ব্যাপারে আপনাদের প্রতিষ্ঠানের অথরাইজড পার্সনকে কমপ্লেইন করবো।
শুনে ভয়ের বদলে বরং ভালোই লাগল এই ভেবে যে, ওই কর্মীকে একটু হলেও আঘাত দেওয়া সম্ভব হল। জানি, ওই কর্মী তার দায়িত্বই পালন করছেন। তবু নিরুপায় আমি। কর্মীকে আঘাত দেওয়া মানে স্বয়ং গ্রামীণফোনকেই আহত করা। হোক তা সামান্য। আমি শুধু বললাম, কমপ্লেইন করতে আপনার কতোক্ষণ লাগতে পারে? খুব ভালো হয়, যদি পাঁচ মিনিটের মধ্যে সেটা করেন।
লাইন কেটে দিলাম এবং দীর্ঘ তিন বছর পর গ্রামীণফোনের সিমটি মডেম থেকে খুলে হেলাফেলায় রাখলাম এককোণে। ওই সিম আর কখনো সচল হবে না। বিদায় গ্রামীণফোন!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গ্রামীণফোন, কেলেঙ্কারি, প্রতারণা, ইন্টারনেট, জিপিআরএস, মোবাইল ইন্টারনেট, mobile internet, gprs, internet, scam, grameenphone, grameen phone, fraud ;
প্রথম প্রকাশ
কর্পোরেট সাহায্য পদ্ধতির (হেল্পাহেল্পি) দুরবস্থা নিয়ে কয়েক পর্বে আলোচনা করার আশা রাখছি। এ দফায় ইস্ট ইন্ডিয়া মোবাইল কম্পানিগুলো নিয়ে থাকলো কিঞ্চিৎ আলাপ।
উপক্রমণিকা
এমন না যে, বঙ্গদেশীয় মোবাইল কম্পানিগুলোর কাস্টমার কেয়ার সেন্টার (বা কলসেন্টার) এম্রিকা বা ইয়োরোপে। এমনও না যে, নরওয়ের কলসেন্টার থেকে জনৈক রবার্ট ক্লিপ কুষ্টিয়ার আবদুস সামাদকে মোবাইল সেবা দিচ্ছেন। খুব সম্ভব হয়তো ধোলাইখালের পাশে, হয়তো মহাখালীর দিকে দুটি রুম ভাড়া নিয়ে, হয়তো নিজেদের অফিসের হলঘরেই সেই কাস্টমার কেয়ার সেন্টার বসানো হয়েছে।
কাস্টমার কেয়ার অথবা মংলা সমুদ্রবন্দর
হয়তো ১০, বাড়িয়ে ধরলে ৫০ হাজার ইংরেজিভাষী পাবলিক মোবাইল ব্যবহার করছে 'এই ধানসিঁড়ি নদীটির তীরে'। তার বিপরীতে কমপক্ষে দুই কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে, যারা বাংলাভাষী। চোখ বুজে বলে দেওয়া যায়, এ দেশে মোবাইল গ্রাহকদের ৯৯ ভাগেরই মাতৃভাষা বাংলা। তারা ঘরে-বাইরে ২৪ ঘন্টা বাংলায় কথা বলে। কিন্তু ওরেব্বাপ, ভাবটা কী কাস্টমার কেয়ারের! দেখবেন, কী কাস্টমার কেয়ার, কী কলসেন্টার- সবগুলোই যেন একেকটি মংলা সমুদ্রবন্দর, যেখানে আংরেজির একেকটা জাহাজ এসে নোঙর ফেলেছে। যেন গ্রাহক আসিবামাত্রই নব্য সাহেব-সাহেবানরা আংরেজি খালাস করার জন্য প্রস্তুত। কর্পোরেট বণিকেরা বাণিজ্যের স্বার্থে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে মুটে মজুরকে তুলে আনবে, কিন্তু তার সঙ্গে কথা বলার সময় আংরেজি মারাবে। নইলে যেন কর্তাদের মূত্রত্যাগে সমস্যার সৃষ্টি হবে, নইলে যেন মলত্যাগে বিঘ্ন ঘটবে সিইওদের।
শ্লার্পো!
হেল্পের হটলাইন পদ্ধতি
১২৩, ১১১ ছাড়াও আরো কী কী সব গ্রাহকসেবার হটলাইন আছে মোবাইল কম্পনিগুলোর, সেগুলোতে ফোন করলে আরেক বিপর্যয় এসে উপস্থিত হয়। দুই কোটি বাংলাভাষী মোবাইল গ্রাহকের জন্য যেসব কলসেন্টার, তারা সুন্দর বাংলা দিয়ে কথাবার্তা শুরু করতে পারে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু না, তারাও আংরেজি দিয়ে কথাবার্তা শুরু করবে। ভাষার কথা না হয় বাদই দিলেন, পকেট কাটার বিষয়টা তো আর ভোলা যায় না। হটলাইন সেবার নামে মোবাইল থেকে তরে তরে টাকা কেটে রাখার সব ব্যবস্থাই ফিট করে রেখেছে মোবাইল কম্পানিগুলো। আরে ভাই, তুমি কী প্যাকেজ দিবা না দিবা, টকটাইম খরচ করে আমি কেন সেটা শুনবো? আবার না শুনেও উপায় নেই। ১, ২, ৪, ৬- যা-ই চাপুন না কেন, বয়স্ক এক যান্ত্রিক নারীকন্ঠ কিছু না কিছু শুনিয়ে দেবে, যা প্রকারান্তরে ওই মোবাইল কম্পানির বিজ্ঞাপন।
'আ বিগ জিরো'
দেখা যায়, হটলাইন পদ্ধতিতে হেল্প পেতে হলে বাংলা-ইংরাজি-ফরাসিসহ বিভিন্ন ভাষায় অপশন বেছে নিতে বলবে। ইতিপূর্বে অনেকে অবগত আছেন যে, এইসব ক্ষেত্রে ওই কন্ঠধারিণীর ওপরই চেপে বসার ইচ্ছা বহু কষ্টে দমন করেছি। তবে কন্ঠধারিণীর ওপর কেউ চাপতে চাইলে, তা গ্রাহকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে। এই জন্য অত্র লেখক দায়ী নয়। যা হোক, এই পর্যায়ে আপনাকে সম্ভবত ১ চাপতে হবে। তারপরের ফয়সালা হল- আপনি কি পোস্টপেইড নাকি প্রিপেইড। আমার নিজের ধারণা, পোস্টপেইড হল স্ত্রী আর প্রিপেইড হল বারবণিতা। কী একটা 'কি' চেপে সেই পাঠ শেষ করলে ঘোষিকা এবার ১০টি অপশন পড়ে শোনাবে। আবার 'কি' চাপলে আবার অপশন। আবার 'কি', আবার অপশন। অসীম ধৈর্য ধরে প্রক্রিয়াটা শেষ করার পর ফলাফল ৯৫ ভাগ ক্ষেত্রেই 'আ বিগ জিরো'।
কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজারের সাহায্য পাওয়াও ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। প্রায়ই একটা স্বয়ংক্রিয় কণ্ঠ ভেসে আসবে। কন্ঠের মূল বাণী এইরকম- "দুঃখিত আমাদের (ক্ষুদ্র) কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সকল স্টাফ (কয়জন হবে রে?) এই মুহূর্তে ব্যস্ত (বা ছুটিতে বা ছাঁটাইয়ে) আছে। আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে তেত্রিশ মিনিট ৫০ সেকেন্ড।" এই ধরনের প্রতারণার ঘটনায় একবার 'খোদা হাফেজ' উচ্চারণ করে মোবাইলটা রিস্টার্ট দিয়ে অন্য কাজে মন দেওয়াই উত্তম।
জাতীয় থাপ্পড় সপ্তাহের অপেক্ষায়
মোটের ওপর মূল কথা হল এই যে, আংরেজির জাহাজ এইসব নব্য সাহেবদের ধরে এলোপাতাড়ি চটকানো জাতীয় কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। আমার ইচ্ছা আছে, এমনকি যদি কোনোদিন "জাতীয় থাপ্পড় সপ্তাহ" পালিত হয়, তাহলে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লেখাবো অবশ্যই। তারপর মোবাইল কম্পানির সার্ভিস সেন্টার ঘুরে দিবসটিকে সাফল্যমণ্ডিত করার নিয়ত আছে। "জাতীয় রুই মাছ সপ্তাহ" যেখানে এসে গেছে, থাপ্পড় সপ্তাহ আসার দেরি মনে হয় নেই।
উপসংহার
আসলে এসবও এক ধরনের অপমান, মোবাইল কম্পানিগুলো যা সচেতনভাবেই এই দেশের মানুষের সঙ্গে করে থাকে। যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক কোটির ওপরে, তারা বলুক যে ইংরেজিভাষী কয়টা লোককে তারা সার্ভিস দেয় আর বাংলাভাষী কয় কোটি লোক তাদের গ্রাহক। একটেল-বাংলালিংক-ওয়ারিদের কয়টা গ্রাহক আছে, যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি?
ভাব মারানো আর কাহাকে বলে!
উপক্রমণিকাএমন না যে, বঙ্গদেশীয় মোবাইল কম্পানিগুলোর কাস্টমার কেয়ার সেন্টার (বা কলসেন্টার) এম্রিকা বা ইয়োরোপে। এমনও না যে, নরওয়ের কলসেন্টার থেকে জনৈক রবার্ট ক্লিপ কুষ্টিয়ার আবদুস সামাদকে মোবাইল সেবা দিচ্ছেন। খুব সম্ভব হয়তো ধোলাইখালের পাশে, হয়তো মহাখালীর দিকে দুটি রুম ভাড়া নিয়ে, হয়তো নিজেদের অফিসের হলঘরেই সেই কাস্টমার কেয়ার সেন্টার বসানো হয়েছে।
কাস্টমার কেয়ার অথবা মংলা সমুদ্রবন্দর
হয়তো ১০, বাড়িয়ে ধরলে ৫০ হাজার ইংরেজিভাষী পাবলিক মোবাইল ব্যবহার করছে 'এই ধানসিঁড়ি নদীটির তীরে'। তার বিপরীতে কমপক্ষে দুই কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে, যারা বাংলাভাষী। চোখ বুজে বলে দেওয়া যায়, এ দেশে মোবাইল গ্রাহকদের ৯৯ ভাগেরই মাতৃভাষা বাংলা। তারা ঘরে-বাইরে ২৪ ঘন্টা বাংলায় কথা বলে। কিন্তু ওরেব্বাপ, ভাবটা কী কাস্টমার কেয়ারের! দেখবেন, কী কাস্টমার কেয়ার, কী কলসেন্টার- সবগুলোই যেন একেকটি মংলা সমুদ্রবন্দর, যেখানে আংরেজির একেকটা জাহাজ এসে নোঙর ফেলেছে। যেন গ্রাহক আসিবামাত্রই নব্য সাহেব-সাহেবানরা আংরেজি খালাস করার জন্য প্রস্তুত। কর্পোরেট বণিকেরা বাণিজ্যের স্বার্থে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে মুটে মজুরকে তুলে আনবে, কিন্তু তার সঙ্গে কথা বলার সময় আংরেজি মারাবে। নইলে যেন কর্তাদের মূত্রত্যাগে সমস্যার সৃষ্টি হবে, নইলে যেন মলত্যাগে বিঘ্ন ঘটবে সিইওদের।
শ্লার্পো!
হেল্পের হটলাইন পদ্ধতি
১২৩, ১১১ ছাড়াও আরো কী কী সব গ্রাহকসেবার হটলাইন আছে মোবাইল কম্পনিগুলোর, সেগুলোতে ফোন করলে আরেক বিপর্যয় এসে উপস্থিত হয়। দুই কোটি বাংলাভাষী মোবাইল গ্রাহকের জন্য যেসব কলসেন্টার, তারা সুন্দর বাংলা দিয়ে কথাবার্তা শুরু করতে পারে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু না, তারাও আংরেজি দিয়ে কথাবার্তা শুরু করবে। ভাষার কথা না হয় বাদই দিলেন, পকেট কাটার বিষয়টা তো আর ভোলা যায় না। হটলাইন সেবার নামে মোবাইল থেকে তরে তরে টাকা কেটে রাখার সব ব্যবস্থাই ফিট করে রেখেছে মোবাইল কম্পানিগুলো। আরে ভাই, তুমি কী প্যাকেজ দিবা না দিবা, টকটাইম খরচ করে আমি কেন সেটা শুনবো? আবার না শুনেও উপায় নেই। ১, ২, ৪, ৬- যা-ই চাপুন না কেন, বয়স্ক এক যান্ত্রিক নারীকন্ঠ কিছু না কিছু শুনিয়ে দেবে, যা প্রকারান্তরে ওই মোবাইল কম্পানির বিজ্ঞাপন।
'আ বিগ জিরো'
দেখা যায়, হটলাইন পদ্ধতিতে হেল্প পেতে হলে বাংলা-ইংরাজি-ফরাসিসহ বিভিন্ন ভাষায় অপশন বেছে নিতে বলবে। ইতিপূর্বে অনেকে অবগত আছেন যে, এইসব ক্ষেত্রে ওই কন্ঠধারিণীর ওপরই চেপে বসার ইচ্ছা বহু কষ্টে দমন করেছি। তবে কন্ঠধারিণীর ওপর কেউ চাপতে চাইলে, তা গ্রাহকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে। এই জন্য অত্র লেখক দায়ী নয়। যা হোক, এই পর্যায়ে আপনাকে সম্ভবত ১ চাপতে হবে। তারপরের ফয়সালা হল- আপনি কি পোস্টপেইড নাকি প্রিপেইড। আমার নিজের ধারণা, পোস্টপেইড হল স্ত্রী আর প্রিপেইড হল বারবণিতা। কী একটা 'কি' চেপে সেই পাঠ শেষ করলে ঘোষিকা এবার ১০টি অপশন পড়ে শোনাবে। আবার 'কি' চাপলে আবার অপশন। আবার 'কি', আবার অপশন। অসীম ধৈর্য ধরে প্রক্রিয়াটা শেষ করার পর ফলাফল ৯৫ ভাগ ক্ষেত্রেই 'আ বিগ জিরো'।
কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজারের সাহায্য পাওয়াও ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। প্রায়ই একটা স্বয়ংক্রিয় কণ্ঠ ভেসে আসবে। কন্ঠের মূল বাণী এইরকম- "দুঃখিত আমাদের (ক্ষুদ্র) কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সকল স্টাফ (কয়জন হবে রে?) এই মুহূর্তে ব্যস্ত (বা ছুটিতে বা ছাঁটাইয়ে) আছে। আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে তেত্রিশ মিনিট ৫০ সেকেন্ড।" এই ধরনের প্রতারণার ঘটনায় একবার 'খোদা হাফেজ' উচ্চারণ করে মোবাইলটা রিস্টার্ট দিয়ে অন্য কাজে মন দেওয়াই উত্তম।
জাতীয় থাপ্পড় সপ্তাহের অপেক্ষায়
মোটের ওপর মূল কথা হল এই যে, আংরেজির জাহাজ এইসব নব্য সাহেবদের ধরে এলোপাতাড়ি চটকানো জাতীয় কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। আমার ইচ্ছা আছে, এমনকি যদি কোনোদিন "জাতীয় থাপ্পড় সপ্তাহ" পালিত হয়, তাহলে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লেখাবো অবশ্যই। তারপর মোবাইল কম্পানির সার্ভিস সেন্টার ঘুরে দিবসটিকে সাফল্যমণ্ডিত করার নিয়ত আছে। "জাতীয় রুই মাছ সপ্তাহ" যেখানে এসে গেছে, থাপ্পড় সপ্তাহ আসার দেরি মনে হয় নেই।
উপসংহার
আসলে এসবও এক ধরনের অপমান, মোবাইল কম্পানিগুলো যা সচেতনভাবেই এই দেশের মানুষের সঙ্গে করে থাকে। যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক কোটির ওপরে, তারা বলুক যে ইংরেজিভাষী কয়টা লোককে তারা সার্ভিস দেয় আর বাংলাভাষী কয় কোটি লোক তাদের গ্রাহক। একটেল-বাংলালিংক-ওয়ারিদের কয়টা গ্রাহক আছে, যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি?
ভাব মারানো আর কাহাকে বলে!
Subscribe to:
Posts (Atom)



